সংবাদ শিরোনাম ::
দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল

কারাগারে হামলা করে বন্দি ছিনতাইয়ের হুমকি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪ ৩০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
হামলা চালিয়ে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া হবে। আর এটি করা হবে এক সপ্তাহের মধ্যে। গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানার ওসিকে কল করে এমন তথ্য জানানো হয়। ওই কলের পরই কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারসহ গাজীপুরের সব কারাগারের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোনাবাড়ীর ওসির কাছে কলটি আসে গত ২১ আগস্ট। হোয়াটসঅ্যাপে কল করে ওসিকে জানানো হয়, ‘দুষ্কৃতকারীরা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে যে কোনো সময় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের দেয়ালের পাশ দিয়ে আক্রমণ করে বন্দি আসামিদের ছিনিয়ে নেওয়াসহ অপ্রীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে।’ এ ঘটনায় ২৩ আগস্ট কোনাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এরপর গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন ২৫ আগস্ট সব কারাগারে নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দেন।

নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রিজন) কর্নেল শেখ সুজাউর রহমান। তিনি কালবেলাকে বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কারাগারগুলোর নিরাপত্তার ব্যাপারে অধিকতর সতর্কতা প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে। পরে কারাগারের নিরাপত্তায় সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারা দেশের ৬৮ কারাগারে বিশৃঙ্খলা ও বিদ্রোহ হয়। ওই সময় কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগার থেকে ২০৩ জন আসামি পালিয়ে যায়। অন্যদিকে জামালপুর কারাগার, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার, শেরপুর কেন্দ্রীয় কারাগার, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ বিভিন্ন কারাগারে বিশৃঙ্খলা ও বিদ্রোহ তৈরি করে দুই সহস্রাধিক বন্দি পালিয়ে যায়।

কারা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের মধ্যে জঙ্গিও রয়েছে। তার মধ্যে নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো ৮২৬ বন্দির মধ্যে ৯ জন ছিল জঙ্গি। ইতোমধ্যে তাদের তিনজন ধরা পড়েছে। এ ছাড়া পলাতক বন্দিদের মধ্যে ১ হাজার ১৯৮ জনকে কারা কর্তৃপক্ষ ফের ধরতে সক্ষম হয়েছে। বাকিদের ধরতেও কারা কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কারাগারে হামলা করে বন্দি ছিনতাইয়ের হুমকি

আপডেট সময় : ০৫:১২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক
হামলা চালিয়ে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া হবে। আর এটি করা হবে এক সপ্তাহের মধ্যে। গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানার ওসিকে কল করে এমন তথ্য জানানো হয়। ওই কলের পরই কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারসহ গাজীপুরের সব কারাগারের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোনাবাড়ীর ওসির কাছে কলটি আসে গত ২১ আগস্ট। হোয়াটসঅ্যাপে কল করে ওসিকে জানানো হয়, ‘দুষ্কৃতকারীরা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে যে কোনো সময় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের দেয়ালের পাশ দিয়ে আক্রমণ করে বন্দি আসামিদের ছিনিয়ে নেওয়াসহ অপ্রীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে।’ এ ঘটনায় ২৩ আগস্ট কোনাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এরপর গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন ২৫ আগস্ট সব কারাগারে নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দেন।

নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রিজন) কর্নেল শেখ সুজাউর রহমান। তিনি কালবেলাকে বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কারাগারগুলোর নিরাপত্তার ব্যাপারে অধিকতর সতর্কতা প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে। পরে কারাগারের নিরাপত্তায় সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারা দেশের ৬৮ কারাগারে বিশৃঙ্খলা ও বিদ্রোহ হয়। ওই সময় কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগার থেকে ২০৩ জন আসামি পালিয়ে যায়। অন্যদিকে জামালপুর কারাগার, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার, শেরপুর কেন্দ্রীয় কারাগার, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ বিভিন্ন কারাগারে বিশৃঙ্খলা ও বিদ্রোহ তৈরি করে দুই সহস্রাধিক বন্দি পালিয়ে যায়।

কারা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের মধ্যে জঙ্গিও রয়েছে। তার মধ্যে নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো ৮২৬ বন্দির মধ্যে ৯ জন ছিল জঙ্গি। ইতোমধ্যে তাদের তিনজন ধরা পড়েছে। এ ছাড়া পলাতক বন্দিদের মধ্যে ১ হাজার ১৯৮ জনকে কারা কর্তৃপক্ষ ফের ধরতে সক্ষম হয়েছে। বাকিদের ধরতেও কারা কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।