সার ও বীজ আত্মসাতের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে
- আপডেট সময় : ১২:১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অগাস্ট ২০২৪ ১৩ বার পড়া হয়েছে

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :
ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউন ও বাসা থেকে কৃষি প্রণোদনার ১৯ বস্তা সার ও বীজ জব্দ করা মামলায় কাঠিলিয়া আওড়াবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মিঠু সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ আদেশ দেন। এর আগে আদালতে জামিনের আবেদন করলে আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল মান্নান রসুল।
প্রসঙ্গত, কাঠালিয়া উপজেলার ৬নং আওরাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউন ও ইউনিয়ন যুবলীগ নেতার বাসা থেকে কৃষি প্রণোদনার ১৯ বস্তা সার ও বীজ জব্দের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান মিঠু সিকদারসহ তিনজনকে আসামী করে ৫ জুন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ইমরান বিন ইসলাম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। এঅন্য আসামীরা হলেন ইউপি সদস্য মো. হেলাল সিকদার ও আওরাবুনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক হাওলাদারকে আসামী করে থানায় এ মামলাটি করেন।
মামলার বিবরণে জানাগেছে, খরিপ মৌসুমে উফশী আউশ ধান আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এ বছরের এপ্রিল মাসে কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে রাসায়নিক সার ও আউশ ধানের বীজ বিতরণ করা হয়। উপজেলার ৩৭শ ৫০ জন কৃষকের মাঝে ৫ কেজি আউশ ধান বীজ, ১০ কেজি পিএপি সার ও ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়। আওরাবুনিয়া ইউনিয়নে ৬শ ২৫ জন কৃষকের জন্য বরাদ্দ হয়। কিন্তু বিতরণের দুই মাস পর গত ৪জুন দুপুরে আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার মো. হেলাল উদ্দিন অটো রিকশা যোগে পরিষদের গোডাউন থেকে সার ও বীজ গোপনে স্থানান্তর করছিল। স্থানীয় লোকজন তা দেখে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানায়।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নেছার উদ্দিন আওরাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ৬ বস্তা ব্রী-ধান ৪৮ জব্দ করে। তার সূত্রধরে পরে স্থানীয় সাতানী বাজারের যুবলীগ নেতা দীপক হাওলাদারের বাসা থেকে ৪৮ ও ৯৮ জাতের ৬ বস্তা ব্রী-ধান ও ৭ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ করা হয়।

























