সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানা আদায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে ব্র্যাকের ২০০ ফলজ চারা প্রদান বিষখালী নদীতে অভিযান: ৭ লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার ও ধ্বংস বাবুগঞ্জে গাঁজা সহ প্রবাসী আটক ​ ​ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ​ কাঠালিয়ায় ৫০ কেজি ও ৩৯ পোটলা গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১: মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের বড় সাফল্য দর্শনার এলিজা রহমান অস্ট্রেলিয়ার ক্যামডেন কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত ভুমি অফিস কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় দুই কর্মচারীকে শাস্তিস্বরুপ স্ট্যান্ডরিলিজ বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে ইটের সলিং *বিটুমিনের পরিবর্তে ইট-বালু দিয়ে সড়ক সংস্কার *প্রশ্নের মুখে সওজ চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

মোটরসাইকেলের কাগজ দেখতে চাওয়ায় দুই পুলিশকে পেটালেন যুবক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
রাজশাহীতে মোটরসাইকেল থামিয়ে কাগজপত্র দেখতে চাওয়ায় দুই পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার (১৯ মে) দুপুরে রাজশাহী নগরীর পঞ্চবটী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অন্য পুলিশ সদস্যরা অভিযুক্ত যুবক সোহানকে (২৩) আটক করেন। পরে সন্ধ্যায় তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

অভিযুক্ত সোহান পবা উপজেলার কাটাখালী থানার শ্যামপুর এলাকার রায়হানের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। আর আহত দুই কনস্টেবল হলেন- শামীম হোসেন ও শহিদুল ইসলাম। ঘটনার পরে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেল থামিয়ে কাগজপত্র পরীক্ষা করা হচ্ছিল। কনস্টেবল শামীম সে সময় সোহানের মোটরসাইকেল থামানোর জন্য সংকেত দেন। সোহান মোটরসাইকেল থামিয়ে কনস্টেবল শামীমকে প্রশ্ন করেন, তার হেলমেট আছে, কাছে কাগজপত্রও আছে, তারপরও কেন তাকে থামানো হলো। এ সময় কনস্টেবল শামীম বলেন, কাগজপত্র থাকলে স্যারকে দেখান।

এ নিয়ে কনস্টেবল শামীমের সঙ্গে তর্কে জোড়ান সোহান। কনস্টেবল শামীম তখন মোটরসাইকেল থেকে চাবি তুলে নিলে ক্ষিপ্ত হয়ে শামীমকে ঘুষি মারেন সোহান। তখন আরেক কনস্টেবল শহিদুল তাকে রক্ষায় এগিয়ে গেলে পড়ে থাকা একটি কাঠের চলা দিয়ে শহিদুলকে মারেন সোহান। এতে শহিদুলের মুখে রক্তাক্ত জখম হয়। পরে আহত দুই পুলিশ কনস্টেবলকে চিকিৎসার জন্য রামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিন পুলিশের (আরএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) জামিরুল ইসলাম বলেন, সোহানকে আটক করার পর এ ঘটনায় নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মোটরসাইকেলের কাগজ দেখতে চাওয়ায় দুই পুলিশকে পেটালেন যুবক

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

আজকের ক্রাইম ডেক্স
রাজশাহীতে মোটরসাইকেল থামিয়ে কাগজপত্র দেখতে চাওয়ায় দুই পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার (১৯ মে) দুপুরে রাজশাহী নগরীর পঞ্চবটী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অন্য পুলিশ সদস্যরা অভিযুক্ত যুবক সোহানকে (২৩) আটক করেন। পরে সন্ধ্যায় তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

অভিযুক্ত সোহান পবা উপজেলার কাটাখালী থানার শ্যামপুর এলাকার রায়হানের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। আর আহত দুই কনস্টেবল হলেন- শামীম হোসেন ও শহিদুল ইসলাম। ঘটনার পরে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেল থামিয়ে কাগজপত্র পরীক্ষা করা হচ্ছিল। কনস্টেবল শামীম সে সময় সোহানের মোটরসাইকেল থামানোর জন্য সংকেত দেন। সোহান মোটরসাইকেল থামিয়ে কনস্টেবল শামীমকে প্রশ্ন করেন, তার হেলমেট আছে, কাছে কাগজপত্রও আছে, তারপরও কেন তাকে থামানো হলো। এ সময় কনস্টেবল শামীম বলেন, কাগজপত্র থাকলে স্যারকে দেখান।

এ নিয়ে কনস্টেবল শামীমের সঙ্গে তর্কে জোড়ান সোহান। কনস্টেবল শামীম তখন মোটরসাইকেল থেকে চাবি তুলে নিলে ক্ষিপ্ত হয়ে শামীমকে ঘুষি মারেন সোহান। তখন আরেক কনস্টেবল শহিদুল তাকে রক্ষায় এগিয়ে গেলে পড়ে থাকা একটি কাঠের চলা দিয়ে শহিদুলকে মারেন সোহান। এতে শহিদুলের মুখে রক্তাক্ত জখম হয়। পরে আহত দুই পুলিশ কনস্টেবলকে চিকিৎসার জন্য রামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিন পুলিশের (আরএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) জামিরুল ইসলাম বলেন, সোহানকে আটক করার পর এ ঘটনায় নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।