চুয়াডাঙ্গায় রাতে বাবাকে নিতে আসতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ছেলের মুত্যু, দু’ বন্ধু মারাত্নক জখম
- আপডেট সময় : ০৮:১৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৪ ১২ বার পড়া হয়েছে

মাহমুদ হাসান রনি
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় রাতে বাবাকে নিতে আসতে গিয়ে পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ছেলের মুত্যুসহ দু’ বন্ধু মারাত্নক জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার খোরদ গ্রামের সড়কে স্যালোমেশিন ইঞ্জিন চালিত অবৈধ যানবাহনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধলে মোটরসাইকেল থেকে তিন বন্ধু ছিটকে পড়লে চালক আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাঙবাড়ীয়া ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের ইলিয়াস হোসেনের ছেলে টুটুল (১৯) ঘটনাস্থলেই মারা যায়। অন্যদিকে তার দুই মিলন (২৪) এবং জব্বার আলী(২৫) মারাত্নক জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ গনি মিয়া জানান, নিহত টুটুলের বাবা ইলিয়াস হোসেন বিকালে চুয়াডাঙ্গা শহর থেকে টাইলস্ কিনে ভ্যান যোগে গ্রামে ফিরছিল। ভালাইপুর বাজারের অদূরে টাইলস্ পরিবহন করা গাড়িটি নষ্ট হলে সেটা মেরামত করতে রাত হওয়ায় ইলিয়াস হোসেন তার ছেলে টুটুলকে মোবাইলে ডেকে নেয়। টুটুল একটি মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি থেকে বের হয়ে তার বন্ধু মিলন ও জব্বারকে নিয়ে ভালাইপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথে হাটবোয়ালিয়া সড়কের খোরদ গ্রামের কবরস্থানের সামনে তারা পৌঁছুলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অবৈধ যানবাহনের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই টুটুল নিহত হন। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনায় নিহত টুটুলের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। অন্যদিকে আহত মিলন ও জব্বার আলীকে চুয়াডাঙ্গা চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. হাসানুজ্জামান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মিলন ও জব্বার আলীকে রাত সাড়ে ১১টার দিকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে মিলনের জখম গুরুত্বর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা করে এবং জব্বার কে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদিকে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় ও পরিবারের সদস্যদের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে টুটুলের লাশ দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

























