সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রুহিয়া আর্দশ কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ের সুপারিনটেনডেন্টের। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২০ ১৪১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়ায় হরেন্দ্রনাথ রায় নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। সরজমিন ঘুরে অভিযোগের সত্যতাও মিলেছে। তবে দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার বিষয়টি হরেন্দ্রনাথ রায়ের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মুঠো ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

জানা গেছে, হরেন্দ্রনাথ রায়
বাড়ি ঠাকুরগাঁও উপজেলার ১৪ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের চাপাতি গ্রামে। তিনি
নেকমরদ কারিগরি ও বাণিজ্যিক
মহবিদ্যালয়ের ল্যাব সহকারী হিসাবে কর্মরত আছেন। ওই কলেজে কর্মরত অবস্থায় তিনি ২০১৩ সালে সুপারিনটেনডেন্ট হিসাবে রুহিয়া আর্দশ কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। সেই সময় থেকেই তিনি দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন।

তবে কলেজে তিনি বেশি উপস্থিত থাকেন। মাঝে মধ্যে তিনি রুহিয়া আর্দশ কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে আসেন বলে খবর পাওয়া গেছে। নেকমরদ কারিগরি ও বাণিজ্যিক মহাবিদ্যালয়ের
অধ্যক্ষ মোঃ নুহেদ আলম বলেন,হরেন্দ্রনাথ রায় আমার প্রতিষ্ঠানের ল্যাব সহকারী। তবে তিনি ঠিকভাবে কলেজে আসেন।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হরেন্দ্রনাথ রায় তিনি আরেক স্কুলে চাকরি করেন তা আমার আগে জানা ছিল না।’

রুহিয়া আর্দশ কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়
সূত্রে জানা গেছে। স্কুলের সুপারিনটেনডেন্ট স্কুলে নিয়মিত না আসায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলের উপর প্রভাব পড়বে।স্কুল সূত্রে আরো জানা যায়,হরেন্দ্রনাথ রায়

স্কুলের সুযোগ নিয়ে আছেন। স্কুলটা এমপিও হলে হয়তো নেকমরদ কারিগরি ও বাণিজ্যিক মহবিদ্যালয়ের ল্যাব সহকারীর পদটি ছেড়ে দেবেন।এবিষয়ে কারগরি শিক্ষা বোর্ডের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, একই ব্যক্তি দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মরত থাকতে পারেননা। যদি কেউ দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকেন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রুহিয়া আর্দশ কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ের সুপারিনটেনডেন্টের। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২০

নিজস্ব প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়ায় হরেন্দ্রনাথ রায় নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। সরজমিন ঘুরে অভিযোগের সত্যতাও মিলেছে। তবে দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার বিষয়টি হরেন্দ্রনাথ রায়ের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মুঠো ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

জানা গেছে, হরেন্দ্রনাথ রায়
বাড়ি ঠাকুরগাঁও উপজেলার ১৪ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের চাপাতি গ্রামে। তিনি
নেকমরদ কারিগরি ও বাণিজ্যিক
মহবিদ্যালয়ের ল্যাব সহকারী হিসাবে কর্মরত আছেন। ওই কলেজে কর্মরত অবস্থায় তিনি ২০১৩ সালে সুপারিনটেনডেন্ট হিসাবে রুহিয়া আর্দশ কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। সেই সময় থেকেই তিনি দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন।

তবে কলেজে তিনি বেশি উপস্থিত থাকেন। মাঝে মধ্যে তিনি রুহিয়া আর্দশ কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে আসেন বলে খবর পাওয়া গেছে। নেকমরদ কারিগরি ও বাণিজ্যিক মহাবিদ্যালয়ের
অধ্যক্ষ মোঃ নুহেদ আলম বলেন,হরেন্দ্রনাথ রায় আমার প্রতিষ্ঠানের ল্যাব সহকারী। তবে তিনি ঠিকভাবে কলেজে আসেন।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হরেন্দ্রনাথ রায় তিনি আরেক স্কুলে চাকরি করেন তা আমার আগে জানা ছিল না।’

রুহিয়া আর্দশ কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়
সূত্রে জানা গেছে। স্কুলের সুপারিনটেনডেন্ট স্কুলে নিয়মিত না আসায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলের উপর প্রভাব পড়বে।স্কুল সূত্রে আরো জানা যায়,হরেন্দ্রনাথ রায়

স্কুলের সুযোগ নিয়ে আছেন। স্কুলটা এমপিও হলে হয়তো নেকমরদ কারিগরি ও বাণিজ্যিক মহবিদ্যালয়ের ল্যাব সহকারীর পদটি ছেড়ে দেবেন।এবিষয়ে কারগরি শিক্ষা বোর্ডের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, একই ব্যক্তি দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মরত থাকতে পারেননা। যদি কেউ দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকেন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।