বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
- আপডেট সময় : ০৬:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দিনাজপুরের বিরামপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় ঐক্য, সংহতি, গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বিরামপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ তানজিনা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হুমায়ুন কবির, বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাক হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিঞা শফিকুল আলম মামুন, সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেল, পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজু, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান বাবু এবং বিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ্ আলম মন্ডল।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজিয়া নওরীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কমল কৃষ্ণ রায়, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আহসান হায়দার চৌধুরী, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা লুৎফর রহমান, একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালাম এবং কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম।আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, জাতীয় জীবনে ঐক্য, সংহতি, গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমের চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে দিবসটির সঠিক ইতিহাস ও তাৎপর্য তুলে ধরার আহ্বান জানান তাঁরা।আলোচনা পর্ব শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।





















