ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি
ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি
- আপডেট সময় : ০৯:৩৬:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনসংযোগ ও মতবিনিময় শুরু হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেন ২ নং পালশা ইউনিয়নের ভ্যান, ইজিবাইক চালকসহ ও বিভিন্ন যানবাহনের চালক এবং কুলি শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার পালশা ইউনিয়নের ডুগডগি হাটে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ মতবিনিময় সভায় স্থানীয় পরিবহনের চালক, কুলি শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা, প্রত্যাশা এবং নাগরিক সুবিধা নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় উপস্থিত চালক ও শ্রমিকরা তাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা তুলে ধরে নির্বাচিত হলে সেগুলো সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়া শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিরাপদ সড়ক, যানবাহন চলাচলের সুষ্ঠু পরিবেশ, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত নাগরিক সেবা পাওয়াই তাদের অন্যতম প্রত্যাশা।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ:আজিজুল হক বলেন,বলেন,এলাকার রাস্তা, যানবাহন, নাগরিক সেবা বা উন্নয়ন সহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি জনপ্রতিনিধির বাস্তব কর্মপরিকল্পনা ও সাধারণ মানুষের পাশে থাকার মানসিকতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তারা চান, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি যেন শুধু নির্বাচনের সময় নয়, পুরো মেয়াদে জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।
মোফাজ্জল হোসেন বলেন, “ইউনিয়নের উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনমানের উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
সাধারণ মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে কাজ করতে চাই।”
এছাড়াও এলাকায় বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবসা করে যুবসমাজকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে গিয়ে এলাকায় মাদক চুরি ডাকাতি ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধ কান্ড বন্ধ করা হবে।
তিনি নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের নাগরিক সেবা আরও সহজলভ্য করা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশার পাশাপাশি প্রশ্নও রয়েছে—নির্বাচনী সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে? ইউনিয়নের যোগাযোগব্যবস্থা, পরিবহন, কর্মসংস্থান ও নাগরিক সেবার বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা কী—এ বিষয়েও ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।
সচেতন ভোটারদের মতে, শুধু জনসংযোগ বা মতবিনিময় নয়; প্রার্থীদের অতীত কর্মকাণ্ড, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, এলাকার সমস্যা সম্পর্কে ধারণা এবং বাস্তবসম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনাও ভোটের ক্ষেত্রে বিবেচনায় আসবে।
এদিকে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন যানবাহনের চালক, কুলি-শ্রমিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
























