সংবাদ শিরোনাম ::
আদালতের আদেশ অমান্য করে শিক্ষকের জমিতে ধান রোপণের অভিযোগ। বিজয়নগরে চুরি বাড়ার নেপথ্যে ভাঙারি দোকান, নজরদারির দাবি স্থানীয়দের ঝালকাঠিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে জেলা বিএনপি ও মহিলা দলের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ঝালকাঠিতে জেল থেকে পালানো সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার রাজাপুরে মাদক সেবনের আখড়ায় অভিযান: ৫ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা চুয়াডাঙ্গায় ১ও ২ আসনের এমপির বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন তেঁতুলিয়ায় চা-বাগান দখলকে কেন্দ্র করে বিধবাকে মারধরের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি হেরোইন ও ইয়াবার বিকল্প এখন ব্যাথা নাশক ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট বাবুগঞ্জে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের শোক কর্মসূচি, নেতৃত্বে সরদার খালেদ হোসেন স্বপন কালকিনি পৌর এলাকার গোপালপুর দারুসসুন্নাহ মহিলা মাদ্রাসার পাশে বোমা বিস্ফোরণ।

বিজয়নগরে চুরি বাড়ার নেপথ্যে ভাঙারি দোকান, নজরদারির দাবি স্থানীয়দের

বিজয়নগরে চুরি বাড়ার নেপথ্যে ভাঙারি দোকান, নজরদারির দাবি স্থানীয়দের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার,
আজকের ক্রাইম নিউজ,

বিজয়নগরে চুরি বেড়ে যাওয়ার পেছনে ভাঙারি ব্যবসার একটি অংশের ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার অর্ধশতাধিক ভাঙ্গারির দোকানগুলোর নাই কোন বৈধ কাগজপত্র। নাই কোন জবাবদিহিতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন এলাকায় চোরেরা বৈদ্যুতিক তার, লোহার সামগ্রী, ব্যাটারি আইপিএস, কৃষি সরঞ্জাম, মোটর, নির্মাণসামগ্রী এসি, মসজিদের ব্যবহৃত মাইক ও ব্যাটারি আই পি এস সহ বিভিন্ন মালামাল চুরি করে কোন না কোন দুর্নীতিবাজ ভাঙ্গারির মালিকের দোকানে বিক্রি করছে। এসব মালামাল যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই কেনাবেচা হলে চোরচক্র আরও উৎসাহিত হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।এমনকি ভাঙ্গারির মালিকরা তাদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে চোরেরা উৎসাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চুরি হওয়া বিভিন্ন লোহার সামগ্রী বা ধাতব মালামাল দ্রুত ভাঙারি দোকানে বিক্রি করে দেওয়া হয়। ফলে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে ভাঙারি ব্যবসায়ীরা মালামালের উৎস সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সচেতন নাগরিকদের দাবি, ভাঙারি দোকানগুলোতে চুরি করা মালামাল কেনাবেচা বন্ধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। দোকানে মালামাল বিক্রি করতে এলে বিক্রেতার পরিচয়, মোবাইল নম্বর এবং মালামালের উৎসের তথ্য সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। একই সঙ্গে চুরি যাওয়া মালামাল শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্ট ভাঙারি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে স্থানীয় ভাঙারি ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, সব ভাঙারি ব্যবসায়ী চোরাই মালামাল কেনেন না। কেউ চোরাই মালামাল বিক্রি করলে তার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির, নির্দোষ ব্যবসায়ীদের হয়রানি না করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চুরি প্রতিরোধের পাশাপাশি চোরাই মালামাল কেনাবেচার সম্ভাব্য পথগুলোও নজরদারির আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, প্রশাসন ও পুলিশের নিয়মিত অভিযান এবং ভাঙারি দোকানগুলোতে কঠোর তদারকি করা হলে চুরি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ জানান, চুরির মাল কেনা ও বেচা দুই জনই সমান অপরাধী। সুস্পষ্ট অভিযোগ দিলে আমরা অভিযান চালিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। তার বাহিরেও দোকান গুলোর উপরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিজয়নগরে চুরি বাড়ার নেপথ্যে ভাঙারি দোকান, নজরদারির দাবি স্থানীয়দের

বিজয়নগরে চুরি বাড়ার নেপথ্যে ভাঙারি দোকান, নজরদারির দাবি স্থানীয়দের

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার,
আজকের ক্রাইম নিউজ,

বিজয়নগরে চুরি বেড়ে যাওয়ার পেছনে ভাঙারি ব্যবসার একটি অংশের ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার অর্ধশতাধিক ভাঙ্গারির দোকানগুলোর নাই কোন বৈধ কাগজপত্র। নাই কোন জবাবদিহিতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন এলাকায় চোরেরা বৈদ্যুতিক তার, লোহার সামগ্রী, ব্যাটারি আইপিএস, কৃষি সরঞ্জাম, মোটর, নির্মাণসামগ্রী এসি, মসজিদের ব্যবহৃত মাইক ও ব্যাটারি আই পি এস সহ বিভিন্ন মালামাল চুরি করে কোন না কোন দুর্নীতিবাজ ভাঙ্গারির মালিকের দোকানে বিক্রি করছে। এসব মালামাল যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই কেনাবেচা হলে চোরচক্র আরও উৎসাহিত হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।এমনকি ভাঙ্গারির মালিকরা তাদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে চোরেরা উৎসাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চুরি হওয়া বিভিন্ন লোহার সামগ্রী বা ধাতব মালামাল দ্রুত ভাঙারি দোকানে বিক্রি করে দেওয়া হয়। ফলে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে ভাঙারি ব্যবসায়ীরা মালামালের উৎস সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সচেতন নাগরিকদের দাবি, ভাঙারি দোকানগুলোতে চুরি করা মালামাল কেনাবেচা বন্ধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। দোকানে মালামাল বিক্রি করতে এলে বিক্রেতার পরিচয়, মোবাইল নম্বর এবং মালামালের উৎসের তথ্য সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। একই সঙ্গে চুরি যাওয়া মালামাল শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্ট ভাঙারি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে স্থানীয় ভাঙারি ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, সব ভাঙারি ব্যবসায়ী চোরাই মালামাল কেনেন না। কেউ চোরাই মালামাল বিক্রি করলে তার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির, নির্দোষ ব্যবসায়ীদের হয়রানি না করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চুরি প্রতিরোধের পাশাপাশি চোরাই মালামাল কেনাবেচার সম্ভাব্য পথগুলোও নজরদারির আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, প্রশাসন ও পুলিশের নিয়মিত অভিযান এবং ভাঙারি দোকানগুলোতে কঠোর তদারকি করা হলে চুরি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ জানান, চুরির মাল কেনা ও বেচা দুই জনই সমান অপরাধী। সুস্পষ্ট অভিযোগ দিলে আমরা অভিযান চালিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। তার বাহিরেও দোকান গুলোর উপরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি রয়েছে।