গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় হানিট্র্যাপের সদস্য জি এম রিয়াজ আটক
গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় হানিট্র্যাপের সদস্য জি এম রিয়াজ আটক
- আপডেট সময় : ১০:৫৩:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

বরিশালে জি এম রিয়াজ হোসেন (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া জি এম রিয়াজ হোসেন বরিশালের হিজলা উপজেলার কাহালিরহাট এলাকার গোলদার বাড়ির দেলোয়ার হোসেন গোলদারের ছেলে।
মামলার সংশ্লিষ্ট সূত্র ও অভিযোগকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, রিয়াজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যবসা ও নেটওয়ার্ক মার্কেটিংয়ের কথা বলে নারী-পুরুষকে প্রলোভিত করা, আর্থিক সুবিধা নেওয়া এবং নারীদের ব্যবহার করে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ‘হানিট্র্যাপ’-এর মাধ্যমে ব্যক্তিদের ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রিয়াজ বিভিন্ন কোম্পানি, এম এল এম এবং আবাসিক হোটেলের শেয়ার ব্যবসার কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। বিশেষ করে কক্সবাজার ও কুয়াকাটার আবাসিক হোটেলে শেয়ার বিক্রির কথা বলে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কয়েকজন নারীকে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, তাদের পরিচয় গোপন রাখা এবং ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। কোনো ভুক্তভোগীর কাছ থেকে প্রত্যাশিত অর্থ আদায় করা সম্ভব না হলে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাপ প্রয়োগ এবং মারধরের অভিযোগও করা হয়েছে।
এ ঘটনায় এক ভুক্তভোগী আদালতে মামলা দায়ের করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানাকে নির্দেশ দেন। পরে মামলার অন্যতম অভিযুক্ত নারী সালমা আক্তার ওরফে অন্তরা, ওরফে সাহেরাকে মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলায় জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে শুক্রবার জি এম রিয়াজ হোসেনকে নথুল্লাবাদ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয়।
তবে রিয়াজ হোসেনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার অভিযোগ ও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অভিযোগগুলোর প্রকৃত ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে অভিহিত না করার বিষয়েও গুরুত্ব রয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য:
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বা বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
প্রতিবেদকের নোট: জি এম রিয়াজ হোসেনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিষয়গুলো মামলার অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো দাবি প্রতিবেদনে করা হয়নি।




















