সংবাদ শিরোনাম ::
কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আবু নাসের রহমাতুল্লাহ দামুড়হুদায় ১৫শ বস্তা সার জব্দ, অবৈধ পন্থায় মজুদ, গোডাউন সিলগালা পিরোজপুরে মন্দিরের ভূমিতে জামায়াত নেতার ধান চাষ! দখলের অভিযোগ মিথ্যা ডায়েরির প্রতিবাদ: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী গ্রামবাসীর ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ নেই ৩ মাসে ১৮৮ কি স্বাভাবিক প্রসব বন্ধ সিজারিয়ান রাজনীতি ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা, জনসেবার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী পারভেজ মৃধা। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা উজিরপুরে যুবদল কর্মী হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৯ জন গ্রেপ্তার বিরামপুরের বিনাইল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা সাবদার হোসেনের, চাইলেন দোয়া ও সমর্থন দর্শনা ইমিগ্রেশনে ভারতে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগ নেতা আটক

নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

মোঃ মনির হোসেন ঝালকাঠি :
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; sv:16.1.8.0.W20; module: video;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 0;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 41;

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় খাদ্য অধিদপ্তর পরিচালিত হতদরিদ্রদের জন্য সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। ৫০ কেজির নির্ধারিত চালের বস্তায় ৪৬ থেকে ৪৭ কেজি চাল পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ডিলাররা। প্রতিটি বস্তায় ৩ থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত চাল কম রয়েছে।

ভৈরবপাশা ইউনিয়নের ডিলার গোপাল অভিযোগ করে বলেন, “আমরা গোডাউনে চাল আনতে গেলে আমাদের চাল মেপে দেওয়া হয় না। প্রতিটি বস্তায় তিন থেকে চার কেজি চাল কম থাকে।”
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে খাদ্য পরিদর্শকের কাছে অভিযোগ করলে তিনি অজুহাত দিয়ে বলেন, ভারত থেকে চাল আসার সময় শুকিয়ে বা কমে যায়, এ ক্ষেত্রে তাদের কিছু করার নেই।

অভিযোগের বিষয়ে নলছিটি উপজেলার খাদ্য পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, গোডাউনে থাকা ৫০ কেজির বস্তায় পূর্ণ ৫০ কেজি চালই রয়েছে, চালে কোনো কম নেই।
তিনি বলেন, “দুই-একটি বস্তায় কম হতে পারে। আমাদের গোডাউনে মাত্র একজন দারোয়ান আছেন। আমি ডিলারদের আগেই বলেছি, আপনারা আপনাদের চাল যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে বুঝে নেবেন। গোডাউনের বাইরে নেওয়ার পর চাল কম হলে আমার কিছু করার নেই।”

এদিকে, নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের জিরো পয়েন্টে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন করেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আসাদুজ্জামান পলাশ। তিনি পরিদর্শনের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন।
উক্ত পোস্টে এক ব্যবহারকারী চালের ওজন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বস্তা মেপে কমেন্টে একটি ছবি দেন। সেখানে দেখা যায়, চালের বস্তায় ওজন রয়েছে ৪৭ কেজি।
চালের বস্তায় কম পাওয়া যাওয়ার বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—কমেন্টে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, গোডাউন থেকে ডিলাররা গুনে ও ওজন পরিমাপ করে চাল নিয়ে আসবেন, এটি সম্পূর্ণ ডিলারদের দায়িত্ব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় খাদ্য অধিদপ্তর পরিচালিত হতদরিদ্রদের জন্য সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। ৫০ কেজির নির্ধারিত চালের বস্তায় ৪৬ থেকে ৪৭ কেজি চাল পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ডিলাররা। প্রতিটি বস্তায় ৩ থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত চাল কম রয়েছে।

ভৈরবপাশা ইউনিয়নের ডিলার গোপাল অভিযোগ করে বলেন, “আমরা গোডাউনে চাল আনতে গেলে আমাদের চাল মেপে দেওয়া হয় না। প্রতিটি বস্তায় তিন থেকে চার কেজি চাল কম থাকে।”
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে খাদ্য পরিদর্শকের কাছে অভিযোগ করলে তিনি অজুহাত দিয়ে বলেন, ভারত থেকে চাল আসার সময় শুকিয়ে বা কমে যায়, এ ক্ষেত্রে তাদের কিছু করার নেই।

অভিযোগের বিষয়ে নলছিটি উপজেলার খাদ্য পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, গোডাউনে থাকা ৫০ কেজির বস্তায় পূর্ণ ৫০ কেজি চালই রয়েছে, চালে কোনো কম নেই।
তিনি বলেন, “দুই-একটি বস্তায় কম হতে পারে। আমাদের গোডাউনে মাত্র একজন দারোয়ান আছেন। আমি ডিলারদের আগেই বলেছি, আপনারা আপনাদের চাল যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে বুঝে নেবেন। গোডাউনের বাইরে নেওয়ার পর চাল কম হলে আমার কিছু করার নেই।”

এদিকে, নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের জিরো পয়েন্টে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন করেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আসাদুজ্জামান পলাশ। তিনি পরিদর্শনের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন।
উক্ত পোস্টে এক ব্যবহারকারী চালের ওজন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বস্তা মেপে কমেন্টে একটি ছবি দেন। সেখানে দেখা যায়, চালের বস্তায় ওজন রয়েছে ৪৭ কেজি।
চালের বস্তায় কম পাওয়া যাওয়ার বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—কমেন্টে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, গোডাউন থেকে ডিলাররা গুনে ও ওজন পরিমাপ করে চাল নিয়ে আসবেন, এটি সম্পূর্ণ ডিলারদের দায়িত্ব।