আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ
আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০২:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ৪২ বার পড়া হয়েছে

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের পশ্চিম বাগধা বাজারে বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক দোকানঘর দখল, চাঁদাবাজি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তি বাগধা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান খান আপাং।
ভুক্তভোগী ও থানা সূত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার বাসিন্দা সাজিদ খান পশ্চিম বাগধা বাজারে নিজ নামে একটি দোকানঘরের মালিক। দীর্ঘদিন ধরে ওই দোকানটি ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে আসছেন আহসান খান আপাং। সম্প্রতি সাজিদ খান নিজে ব্যবসা করার জন্য দোকানটি ফেরত চাইলে অভিযুক্ত নেতা দোকান ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান। অভিযোগ রয়েছে, দোকান ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে তিনি ৫ লাখ টাকা দাবি করেন।
এছাড়া স্থানীয় ব্যবসায়ী লোকমান শাহ অভিযোগ করেছেন, তার মালিকানাধীন বাজারের দুটি দোকানও দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রেখেছেন আহসান খান আপাং।
এ ঘটনায় সাজিদ খান ও লোকমান শাহ পৃথকভাবে আগৈলঝাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযোগ দায়েরের পর অভিযুক্ত নেতা তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকি দেন।
ভুক্তভোগী সাজিদ খান গত ২৭ জুলাই আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন অনিয়ম ও অপকর্মের অভিযোগে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হলেও কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
অভিযুক্ত আহসান খান আপাংয়ের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, লিখিত অভিযোগ দুটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়গুলো তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারী ও স্থানীয় সূত্রের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।






















