চুয়াডাঙ্গার পৃথক দু'টি সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা,একটি ব্যর্থ
চুয়াডাঙ্গার পৃথক দু’টি সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা,একটি ব্যর্থ
- আপডেট সময় : ০৪:১৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গার পৃথক দুটি সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) নারীপুরুষ কে বাংরাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে। এর মধ্যে দর্শনার জয়নগর সীমান্তে বিজিবির বাধায় একটি চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তবে জীবননগর সীমান্ত দিয়ে সাতজন বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।
বিজিবি জানায়, বৃহস্পতিবার ভোর চারটার দিকে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধীন দর্শনা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ৭৬/৪-এস–সংলগ্ন গেট দিয়ে পাঁচজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে ভারতের ৩২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গেদে ক্যাম্পের সদস্যরা। ওই পাঁচজনের মধ্যে একজন পুরুষ, তিনজন নারী এবং পাঁচ বছর বয়সী একটি শিশু ছিল।বিজিবির দাবি, বাংলাদেশে প্রবেশের আগেই টহল দলের সদস্যরা বিষয়টি টের পান। পরে তারা ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেন এবং সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার কাছে অবস্থান করতে বাধ্য করেন। একপর্যায়ে বিএসএফ তাদের আবার ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেয়।চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ও অতিরিক্ত পরিচালক মেজর তোয়াসীন হাবীব হাসান বলেন, ‘বিজিবির তৎপরতায় অবৈধ পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।এদিকে ভোরে জীবননগর সীমান্ত দিয়ে আরও সাতজন বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। পুশইন হয়ে আসা ব্যক্তিদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের মাটিয়ারি সীমান্ত এলাকা দিয়ে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়। পরে তাঁদের জীবননগর উপজেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।তাদের মধ্যে খুলনার বাসিন্দা দুই ভাই আমিনুর রহমান ও খলিলুর রহমানের সঙ্গে কথা হয়। তারা বলেন, কাজের সন্ধানে দুই বছর আগে ভারতে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাদেরসহ মোট সাতজনকে বিএসএফ বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বিজিবি বা পুলিশের কোনো সদস্যের সঙ্গে তাদের দেখা হয়নি। তবে তাদের সঙ্গে আসা বাকি পাঁচজন কোথায় গেছেন, সে বিষয়ে তারা কিছু জানাতে পারেননি।
জীবননগর সীমান্তের ঘটনার বিষয়ে মহেশপুর-৫৮ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, ‘পুশইনের বিষয়ে বিজিবির কাছে কোনো তথ্য নেই।






















