সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান ​ঝালকাঠিতে বিদ্যালয়ের সভাপতি নিয়োগে অনিয়ম ও লেনদেনের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলন বাবুগঞ্জে এএম স্পোর্টস একাডেমির দ্বিতীয় ব্যাচের আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ শুরু হামলা চালানো সেই আগৈলঝাড়া থানা পরিদর্শনে তথ্যমন্ত্রী ঝালকাঠিতে জমকালো আয়োজনে ‘কৃষ্ণকাঠি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ অনুষ্ঠিত তেঁতুলিয়ায় সীমান্তে শিশুসহ ১৩ পুশইন চেষ্টা বিজিবি’র প্রতিরোধ কাকরধা হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজকে ধ্বংস করতে ও প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে দায়িত্বরত স্বনামধন্য অধ্যক্ষকে কুলুষিত করতে পিছু লেগেছে একটি কুচক্রী মহল বরিশালে জাতীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে (এমপি) সরোয়ারকে ফুলেল শুভেচ্ছা আগৈলঝাড়া থানায় হামলা: দুই সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা, বিএমএসএফ’র উদ্বেগ আসন্ন শিকারমঙ্গল ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ইজাজুল হক ইজাজের প্রার্থীতা ঘোষণা

কাকরধা হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজকে ধ্বংস করতে ও প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে দায়িত্বরত স্বনামধন্য অধ্যক্ষকে কুলুষিত করতে পিছু লেগেছে একটি কুচক্রী মহল

বেলাল হোসেন সিকদার
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৪২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাকরদা হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজকে ধ্বংস করতে ও প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে দায়িত্ব রত অধ্যক্ষকে কুলুষিত করতে পিছু লেগেছে একটি কুচক্রী মহল।

কলেজ থেকে অবৈধ স্বার্থ হাসিল এবং সদ্য বিদায়ী স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে দায়িত্বরত অধ্যক্ষ নূরদারাচ যাতে অত্র কলেজে আর অধ্যক্ষের দায়িত্বে না থাকতে পারে সে ব্যাপারে উঠে পড়ে লেগেছে একটি কুচক্রী মহল।অএ কলেজের স্বনামধন্য ও কর্মদক্ষ অধ্যক্ষ যদি কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকে তাহলে দুষ্টু মহলটি কলেজটি লোপাট করে ও চেটেপুটে খেতে পারবে না এবং তাদের অবৈধ স্বার্থ হাসিল করতে পারবে না বিধায় বিভিন্নভাবে মিথ্যা, বিভ্রান্তিমূলক অসত্য তথ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে।যাহা ইতিমধ্যেই সকলে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, বিগত ৩০/১১/১৯৯১ ইং সালে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাকরদায় হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।১১ ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে টিনসেটের একটি কাঠের ঘর নিয়ে এই কলেজের যাত্রা শুরু হয়।

শুরু থেকেই এই হেলাল উদ্দিন আহমেদ কলেজের হাল ধরে হাটি হাটি পা পা করে এতদুর পর্যন্ত নিয়ে আসছেন প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ নূর দারাচ।

১৯৯১ সালে প্রভাষক হিসেবে অএ কলেজে কর্মজীবন শুরু করেন অধ্যক্ষ নূর দারাচ।

অধ্যক্ষ নুর দারাচ ২৫/৩/১৯৯২ ইং সালে অধ্যক্ষের দায়িত্ব নিয়ে অত্র কলেজের হাল ধরে যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে কলেজ হিসেবে পরিপূর্ণ স্বীকৃতি লাভ করেন ০১/০৭/১৯৯২ সালে। এরপর এমপিও ভুক্ত হয় ০১/০১/১৯৯৪ সালে।

স্থানীয় কতিপয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অত্র কলেজের গভর্নিং বডি এবং অধ্যক্ষ নূর দারাচ এর অক্লান্ত পরিশ্রম ও চেষ্টায় অত্র কলেজটি ডিগ্রী পর্যায়ে উন্নীত হয় ২০০৭ সালে।

হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজ টি প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই একটি কুচক্রী ও স্বার্থন্বেষী মহল অত্র কলেজ থেকে অবৈধভাবে স্বার্থ হাসিল না করতে পেরে বিভিন্ন সময় কলেজের নামে কলেজের অধ্যক্ষের নামে এমন কি কতিপয় শিক্ষকদের নামে সাধারণ মানুষের কাছে বিভ্রান্তিমূলক অসত্য তথ্য ছড়িয়ে আসছে। যার ধারাবাহিকতা এখন পর্যন্ত বহাল রেখেছে ওই মিথ্যাবাদী মহলটি।

১১ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে একটি টিনশেড বিল্ডিং এ হেলাল উদ্দিন আহমেদ কলেজের যাত্রা শুরু হলেও প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ নূর দারাচ তার মেধা, পরিশ্রম ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে স্থানীয় কতিপয় লোকের সহযোগিতা ও গভর্নিং বডির বিচক্ষণতার কারণে বর্তমানে অত্র কলেজে পাঁচ তলা, চারতলা, তিনতলা, একতলা এবং কলেজের নিজস্ব মসজিদ সহ সর্বমোট পাঁচটি বিল্ডিং ও ৩২০০ জন ছাত্র ছাত্রী লেখাপড়া করে। বরিশাল জেলায় একটি অন্যতম এমপিও ভুক্ত কলেজ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে হেলাল উদ্দিন আহম্মেদ ডিগ্রী কলেজ। এবছরও অত্র কলেজ থেকে এইচ এস সি পরীক্ষা দিচ্ছে ৩৫০ জন পরীক্ষার্থী।

অত্র কলেজটি কেন্দ্রীয় পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে ২০১৩ সাল থেকে।অএ কলেজে চার-পাঁচটি কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

প্রতি বছর সাফল্যের সাথে ঈর্ষণীয় ফলাফল নিয়ে অত্র কলেজের অনেক ছাত্র-ছাত্রীরা বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত আছে।এর কারণে হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজের সুনাম আরো বহুগুণে বৃদ্ধি করেছে।

অত্র কলেজের মেধাবী সৎ, নির্ভিক, কর্মদক্ষ,পরিশ্রমী অধ্যক্ষ নূর দারাচ কলেজের সার্বিক পরিস্থিতি ও কলেজের উন্নতি এবং ছাত্র-ছাত্রী বৃদ্ধিকরার লক্ষ্যে যতবার যত ভালো পদক্ষেপ নিয়েছে সকলের কাছ থেকে সহযোগিতা পেলেও একটি কুচক্রী মহলের কাছ থেকে সব সময়ই অসহযোগিতা ও মিথ্যা অপপ্রচারের শিকার হতে হয়েছিল। যার ধারাবাহিকতা এখন পর্যন্ত বিদ্যমান আছে।

হেলাল উদ্দীন আহমেদ ডিগ্রী কলেজের স্বনামধন্য অধ্যক্ষ নুর দারাচ এর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের মেয়াদকাল শেষ হয় ০৬/০৩/২০২৬ ইং তারিখ।

অধ্যক্ষ নূর দারাচ এর বর্ণাঢ্য কর্ম জীবন শেষ হওয়ার পড়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী বিনা বেতনে অত্র কলেজে আরও পাঁচ বছর অধ্যক্ষ হিসেবে থাকার জন্য আবেদন করলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উক্ত আবেদন গৃহীত না করায় মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ অধ্যক্ষ নূর দারাচ কে আরো দুই বছর হেলাল উদ্দিন আহম্মেদ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে থাকার জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কে নির্দেশ প্রদান করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী আরো পাঁচ বছর স্বনামধন্য অধ্যক্ষ তার দক্ষতা ও কর্মযজ্ঞতার জন্য হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে বৈধ ভাবে থাকতে পারবেন‌।

একটি কুচক্রী মহল হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজ যাতে আর উন্নতির শিখরে না পৌঁছাতে পারে এবং অধ্যক্ষ নূর দারাচ কলেজে না থাকতে পারে কলেজটি থেকে তাদের অবৈধ স্বার্থ হাসিল ও লুটেপুটে খেতে পারে এজন্য বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং মানুষকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করছে। যা ইতিমধ্যেই হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজের শুভাকাঙ্ক্ষীরা প্রত্যাখ্যান করেছে।

অধ্যক্ষ নূর দারাচ প্রতিবেদককে বলেন,আমি এই কলেজের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে অদ্য পর্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে কর্মজীবন পরিচালনা করে আসছি। তিনি আরো বলেন ১১ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজের যাত্রা শুরু করি আজ অএ কলেজে ৩০০০ হাজার এর অধিক ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। আমি চাই এই কলেজের আরো উন্নতি হোক এবং সাফল্যের চিরশিখরে পৌঁছে যাক। তিনি আরো বলেন অত্র কলেজ কে আমি পরীক্ষার কেন্দ্র করেছি যেখানে চার-পাঁচটি কলেজের ছাত্রছাত্রীরা কেন্দ্রীয় পরীক্ষা দেয়। আমি চাই এই কলেজের উত্তরোত্তর সাফল্য। আপনার ব্যাপারে এবং অত্র কলেজকে নিয়ে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের ব্যাপারে কি বলবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, অপপ্রচার কারীদের উপরে আমার কোন বক্তব্য নাই তবে সকল অপপ্রচার ইতিমধ্যেই সকলে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি আরো বলেন কে বা কারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তা আমি জানিনা।

অত্র কলেজের বর্তমান গভর্নিং বডির সভাপতি কে কলেজের ব্যাপারে মিথ্যা অপপ্রচার অধ্যক্ষ কে নিয়ে বিভ্রান্তকর তথ্য ছড়ানোর বিষয় একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কাকরধা হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজকে ধ্বংস করতে ও প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে দায়িত্বরত স্বনামধন্য অধ্যক্ষকে কুলুষিত করতে পিছু লেগেছে একটি কুচক্রী মহল

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাকরদা হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজকে ধ্বংস করতে ও প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে দায়িত্ব রত অধ্যক্ষকে কুলুষিত করতে পিছু লেগেছে একটি কুচক্রী মহল।

কলেজ থেকে অবৈধ স্বার্থ হাসিল এবং সদ্য বিদায়ী স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে দায়িত্বরত অধ্যক্ষ নূরদারাচ যাতে অত্র কলেজে আর অধ্যক্ষের দায়িত্বে না থাকতে পারে সে ব্যাপারে উঠে পড়ে লেগেছে একটি কুচক্রী মহল।অএ কলেজের স্বনামধন্য ও কর্মদক্ষ অধ্যক্ষ যদি কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকে তাহলে দুষ্টু মহলটি কলেজটি লোপাট করে ও চেটেপুটে খেতে পারবে না এবং তাদের অবৈধ স্বার্থ হাসিল করতে পারবে না বিধায় বিভিন্নভাবে মিথ্যা, বিভ্রান্তিমূলক অসত্য তথ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে।যাহা ইতিমধ্যেই সকলে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, বিগত ৩০/১১/১৯৯১ ইং সালে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাকরদায় হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।১১ ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে টিনসেটের একটি কাঠের ঘর নিয়ে এই কলেজের যাত্রা শুরু হয়।

শুরু থেকেই এই হেলাল উদ্দিন আহমেদ কলেজের হাল ধরে হাটি হাটি পা পা করে এতদুর পর্যন্ত নিয়ে আসছেন প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ নূর দারাচ।

১৯৯১ সালে প্রভাষক হিসেবে অএ কলেজে কর্মজীবন শুরু করেন অধ্যক্ষ নূর দারাচ।

অধ্যক্ষ নুর দারাচ ২৫/৩/১৯৯২ ইং সালে অধ্যক্ষের দায়িত্ব নিয়ে অত্র কলেজের হাল ধরে যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে কলেজ হিসেবে পরিপূর্ণ স্বীকৃতি লাভ করেন ০১/০৭/১৯৯২ সালে। এরপর এমপিও ভুক্ত হয় ০১/০১/১৯৯৪ সালে।

স্থানীয় কতিপয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অত্র কলেজের গভর্নিং বডি এবং অধ্যক্ষ নূর দারাচ এর অক্লান্ত পরিশ্রম ও চেষ্টায় অত্র কলেজটি ডিগ্রী পর্যায়ে উন্নীত হয় ২০০৭ সালে।

হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজ টি প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই একটি কুচক্রী ও স্বার্থন্বেষী মহল অত্র কলেজ থেকে অবৈধভাবে স্বার্থ হাসিল না করতে পেরে বিভিন্ন সময় কলেজের নামে কলেজের অধ্যক্ষের নামে এমন কি কতিপয় শিক্ষকদের নামে সাধারণ মানুষের কাছে বিভ্রান্তিমূলক অসত্য তথ্য ছড়িয়ে আসছে। যার ধারাবাহিকতা এখন পর্যন্ত বহাল রেখেছে ওই মিথ্যাবাদী মহলটি।

১১ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে একটি টিনশেড বিল্ডিং এ হেলাল উদ্দিন আহমেদ কলেজের যাত্রা শুরু হলেও প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ নূর দারাচ তার মেধা, পরিশ্রম ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে স্থানীয় কতিপয় লোকের সহযোগিতা ও গভর্নিং বডির বিচক্ষণতার কারণে বর্তমানে অত্র কলেজে পাঁচ তলা, চারতলা, তিনতলা, একতলা এবং কলেজের নিজস্ব মসজিদ সহ সর্বমোট পাঁচটি বিল্ডিং ও ৩২০০ জন ছাত্র ছাত্রী লেখাপড়া করে। বরিশাল জেলায় একটি অন্যতম এমপিও ভুক্ত কলেজ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে হেলাল উদ্দিন আহম্মেদ ডিগ্রী কলেজ। এবছরও অত্র কলেজ থেকে এইচ এস সি পরীক্ষা দিচ্ছে ৩৫০ জন পরীক্ষার্থী।

অত্র কলেজটি কেন্দ্রীয় পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে ২০১৩ সাল থেকে।অএ কলেজে চার-পাঁচটি কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

প্রতি বছর সাফল্যের সাথে ঈর্ষণীয় ফলাফল নিয়ে অত্র কলেজের অনেক ছাত্র-ছাত্রীরা বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত আছে।এর কারণে হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজের সুনাম আরো বহুগুণে বৃদ্ধি করেছে।

অত্র কলেজের মেধাবী সৎ, নির্ভিক, কর্মদক্ষ,পরিশ্রমী অধ্যক্ষ নূর দারাচ কলেজের সার্বিক পরিস্থিতি ও কলেজের উন্নতি এবং ছাত্র-ছাত্রী বৃদ্ধিকরার লক্ষ্যে যতবার যত ভালো পদক্ষেপ নিয়েছে সকলের কাছ থেকে সহযোগিতা পেলেও একটি কুচক্রী মহলের কাছ থেকে সব সময়ই অসহযোগিতা ও মিথ্যা অপপ্রচারের শিকার হতে হয়েছিল। যার ধারাবাহিকতা এখন পর্যন্ত বিদ্যমান আছে।

হেলাল উদ্দীন আহমেদ ডিগ্রী কলেজের স্বনামধন্য অধ্যক্ষ নুর দারাচ এর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের মেয়াদকাল শেষ হয় ০৬/০৩/২০২৬ ইং তারিখ।

অধ্যক্ষ নূর দারাচ এর বর্ণাঢ্য কর্ম জীবন শেষ হওয়ার পড়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী বিনা বেতনে অত্র কলেজে আরও পাঁচ বছর অধ্যক্ষ হিসেবে থাকার জন্য আবেদন করলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উক্ত আবেদন গৃহীত না করায় মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ অধ্যক্ষ নূর দারাচ কে আরো দুই বছর হেলাল উদ্দিন আহম্মেদ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে থাকার জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কে নির্দেশ প্রদান করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী আরো পাঁচ বছর স্বনামধন্য অধ্যক্ষ তার দক্ষতা ও কর্মযজ্ঞতার জন্য হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে বৈধ ভাবে থাকতে পারবেন‌।

একটি কুচক্রী মহল হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজ যাতে আর উন্নতির শিখরে না পৌঁছাতে পারে এবং অধ্যক্ষ নূর দারাচ কলেজে না থাকতে পারে কলেজটি থেকে তাদের অবৈধ স্বার্থ হাসিল ও লুটেপুটে খেতে পারে এজন্য বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং মানুষকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করছে। যা ইতিমধ্যেই হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজের শুভাকাঙ্ক্ষীরা প্রত্যাখ্যান করেছে।

অধ্যক্ষ নূর দারাচ প্রতিবেদককে বলেন,আমি এই কলেজের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে অদ্য পর্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে কর্মজীবন পরিচালনা করে আসছি। তিনি আরো বলেন ১১ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে হেলাল উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজের যাত্রা শুরু করি আজ অএ কলেজে ৩০০০ হাজার এর অধিক ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। আমি চাই এই কলেজের আরো উন্নতি হোক এবং সাফল্যের চিরশিখরে পৌঁছে যাক। তিনি আরো বলেন অত্র কলেজ কে আমি পরীক্ষার কেন্দ্র করেছি যেখানে চার-পাঁচটি কলেজের ছাত্রছাত্রীরা কেন্দ্রীয় পরীক্ষা দেয়। আমি চাই এই কলেজের উত্তরোত্তর সাফল্য। আপনার ব্যাপারে এবং অত্র কলেজকে নিয়ে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের ব্যাপারে কি বলবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, অপপ্রচার কারীদের উপরে আমার কোন বক্তব্য নাই তবে সকল অপপ্রচার ইতিমধ্যেই সকলে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি আরো বলেন কে বা কারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তা আমি জানিনা।

অত্র কলেজের বর্তমান গভর্নিং বডির সভাপতি কে কলেজের ব্যাপারে মিথ্যা অপপ্রচার অধ্যক্ষ কে নিয়ে বিভ্রান্তকর তথ্য ছড়ানোর বিষয় একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।