মাদকের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান, বিরামপুর জুড়ে ওসি সাইফুল ইসলামের অভিযানে নড়েচড়ে বসেছে অপরাধ চক্র
- আপডেট সময় : ০৪:৩৪:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান তৎপরতা নতুন গতি পেয়েছে। উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানের মাধ্যমে কঠোর বার্তা দিচ্ছেন বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম। তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানগুলোতে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে জোরালো আইনগত ব্যবস্থা, যা ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদককে সামাজিক অবক্ষয়ের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করে বিরামপুর থানা পুলিশ নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা কিছু মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের সহযোগীরা এখন চাপে রয়েছে।স্থানীয়দের মতে, একসময় নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় মাদক ব্যবসার যে নীরব বিস্তার ছিল, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে সেই চিত্রে পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে পুলিশের সক্রিয় ভূমিকা ইতিবাচক ফল বয়ে আনছে।সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে কোনো ধরনের প্রভাব কিংবা তদবিরকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। এ কারণে মাদকসংশ্লিষ্টদের মধ্যে এক ধরনের সতর্কতা তৈরি হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে বিরামপুর থানা পুলিশ। বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।এ বিষয়ে বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, “মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় হুমকি। বিরামপুরকে মাদকমুক্ত রাখতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও কঠোরতার সঙ্গে কাজ করছি। মাদক ব্যবসা, পরিবহন কিংবা পৃষ্ঠপোষকতার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”উপজেলার সচেতন নাগরিকদের প্রত্যাশা, পুলিশের এই ধারাবাহিক ও ফলপ্রসূ অভিযান অব্যাহত থাকলে বিরামপুরে মাদকের বিস্তার আরও কমে আসবে এবং একটি নিরাপদ ও সুস্থ সামাজিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।

























