সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

ভোলায় মেয়েকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা এরপর গর্ভপাত, সেই বাবা গ্রেপ্তার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় নিজের কিশোরী মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক বাবার বিরুদ্ধে। এতে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এবং পরে তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানো হয়। এ ঘটনায় ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত বাবা মো. ইউসুফকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (৫ এপ্রিল) ভোরে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানাধীন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে ভোলার দৌলতখান উপজেলার বিচ্ছিন্ন মদনপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওষুধ খাইয়ে কিশোরীর গর্ভপাত ঘটানোর পর সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ৩ এপ্রিল ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।

ওই দিন দুপুরে ভোলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।

গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, ইউসুফ তার মেয়েকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় ৪ মাস ধরে ধর্ষণ করেছে। এতে ভুক্তভোগী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানির ভয়ে অভিযুক্ত তার অপরাধ গোপনের উদ্দেশ্যে মেয়েকে জোরপূর্বক ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটান। তারপরও বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ভোলার দৌলতখান থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করলে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের নানা আলামত ও গর্ভপাত ঘটানো শিশুটির মরদেহ বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামি ইউসুফকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি ইউসুফ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন। ভোলা জেলা পুলিশ নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ভুক্তভোগী কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে পুলিশ তার পাশে রয়েছে।

এসময় ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো.ইব্রাহিম, জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ ইকবাল হোসেনসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ভোলায় মেয়েকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা এরপর গর্ভপাত, সেই বাবা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৯:৩১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় নিজের কিশোরী মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক বাবার বিরুদ্ধে। এতে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এবং পরে তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানো হয়। এ ঘটনায় ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত বাবা মো. ইউসুফকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (৫ এপ্রিল) ভোরে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানাধীন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে ভোলার দৌলতখান উপজেলার বিচ্ছিন্ন মদনপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওষুধ খাইয়ে কিশোরীর গর্ভপাত ঘটানোর পর সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ৩ এপ্রিল ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।

ওই দিন দুপুরে ভোলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।

গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, ইউসুফ তার মেয়েকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় ৪ মাস ধরে ধর্ষণ করেছে। এতে ভুক্তভোগী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানির ভয়ে অভিযুক্ত তার অপরাধ গোপনের উদ্দেশ্যে মেয়েকে জোরপূর্বক ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটান। তারপরও বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ভোলার দৌলতখান থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করলে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের নানা আলামত ও গর্ভপাত ঘটানো শিশুটির মরদেহ বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামি ইউসুফকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি ইউসুফ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন। ভোলা জেলা পুলিশ নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ভুক্তভোগী কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে পুলিশ তার পাশে রয়েছে।

এসময় ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো.ইব্রাহিম, জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ ইকবাল হোসেনসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।