সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, নিহত ১ বিজয়নগরে শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই সবুজ হবে বাংলাদেশ— বাবুগঞ্জের কেদারপুরে ইয়াবাসহ যুবক আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ঘোড়াঘাটে দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানা আদায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে ব্র্যাকের ২০০ ফলজ চারা প্রদান বিষখালী নদীতে অভিযান: ৭ লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার ও ধ্বংস বাবুগঞ্জে গাঁজা সহ প্রবাসী আটক ​ ​ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ​ কাঠালিয়ায় ৫০ কেজি ও ৩৯ পোটলা গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১: মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের বড় সাফল্য

বিরামপুরে রাস্তার সরকারি গাছ কর্তন নিয়ে প্রশ্নের ঝড়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৮৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের কলেজ রোডে সরকারি নাম্বারিং করা চারটি ইউক্যালিপটাস গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—রাস্তা উন্নয়নের কথা বলে গাছ কেটে তা আত্মসাৎ করে ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে রাস্তার পাশে থাকা সরকারি নম্বরিং করা চারটি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে ফেলা হয়। পরবর্তীতে গাছগুলো কাটলা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে রাখা হয়েছিল বলে একাধিক ব্যক্তি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার দাবি—তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন।
অন্যদিকে উপজেলা বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গাছ কাটার বিষয়টি তারা অবগত আছেন। আবার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন—তার উপস্থিতিতেই গাছগুলো একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট দুই দপ্তরের বক্তব্যে স্পষ্ট অসংগতি দেখা দিয়েছে, যা জনমনে আরও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, সরকারি নম্বরিং করা গাছ কাটতে হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমোদন প্রয়োজন। কর্তনের পর গাছ নিলাম বা সংরক্ষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয় লিখিত নথির মাধ্যমে। অনুমতি ও বৈধ রশিদ ছাড়া সরকারি গাছ পরিবহন করা বেআইনি। সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ দণ্ডনীয় অপরাধ।
জনমনে ক্ষোভ ও প্রশ্ন
এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি সম্পদ জনগণের সম্পদ। উন্নয়নের আড়ালে যদি কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে, তবে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

স্থানীয়দের জোর দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর ও স্বচ্ছ ভূমিকা এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিরামপুরে রাস্তার সরকারি গাছ কর্তন নিয়ে প্রশ্নের ঝড়

আপডেট সময় : ০৮:০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের কলেজ রোডে সরকারি নাম্বারিং করা চারটি ইউক্যালিপটাস গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—রাস্তা উন্নয়নের কথা বলে গাছ কেটে তা আত্মসাৎ করে ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে রাস্তার পাশে থাকা সরকারি নম্বরিং করা চারটি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে ফেলা হয়। পরবর্তীতে গাছগুলো কাটলা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে রাখা হয়েছিল বলে একাধিক ব্যক্তি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার দাবি—তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন।
অন্যদিকে উপজেলা বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গাছ কাটার বিষয়টি তারা অবগত আছেন। আবার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন—তার উপস্থিতিতেই গাছগুলো একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট দুই দপ্তরের বক্তব্যে স্পষ্ট অসংগতি দেখা দিয়েছে, যা জনমনে আরও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, সরকারি নম্বরিং করা গাছ কাটতে হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমোদন প্রয়োজন। কর্তনের পর গাছ নিলাম বা সংরক্ষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয় লিখিত নথির মাধ্যমে। অনুমতি ও বৈধ রশিদ ছাড়া সরকারি গাছ পরিবহন করা বেআইনি। সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ দণ্ডনীয় অপরাধ।
জনমনে ক্ষোভ ও প্রশ্ন
এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি সম্পদ জনগণের সম্পদ। উন্নয়নের আড়ালে যদি কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে, তবে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

স্থানীয়দের জোর দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর ও স্বচ্ছ ভূমিকা এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।