১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, ২৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি, বুধবার, ৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপি সরকারের ২৫ মন্ত্রীর শপথ,নতুন মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা কে কোন দপ্তর পাচ্ছেন সুন্দরবনে দস্যু তৎপরতা বঙ্গোপসাগর থেকে ২০ জেলে অপহরণ বিজয়নগরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সংস্কৃতি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে. জীবননগরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে তীব্র অপুষ্টি ব্যবস্থাপনা সহজতর করতে এডভোকেসি সভা শাপলা কলি’ প্রতীকের পক্ষে কাজ করায় চাকরি হারালেন মসজিদের খতিব নবনির্বাচিত এমপি জামালের বক্তব্য দাঁড়িপাল্লার ভোটারদের জারজ সন্তান বলায় জেলা জামায়াতের নিন্দা পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে উত্তাল মানপাশা কবিরাজ বাড়ি রোড উত্তরাংশে রাস্তা সংস্কারের সাথে পয়োনিস্কান ব্যবস্থার দাবী মাহমুদ হাসান রনি চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
শাপলা কলি’ প্রতীকের পক্ষে কাজ করায় চাকরি হারালেন মসজিদের খতিব

শাপলা কলি’ প্রতীকের পক্ষে কাজ করায় চাকরি হারালেন মসজিদের খতিব

আজকের ক্রাইম ডেক্স
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপির নেতা সারজিস আলমের শাপলা কলি প্রতীকের পক্ষে ভোট করার কারণে পঞ্চগড়ের এক মসজিদের খতিব আব্দুল জব্বারকে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের কুচিয়ামোড় জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে জামায়াত জোটের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন সারজিস আলম। তার প্রতীক ছিল শাপলা কলি। খতিব মো. আব্দুল জব্বার জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় তিনি ওই প্রতীকের পক্ষে ভোট দিয়েছেন বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে।

খতিব আব্দুল জব্বার বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সারজিস আলম পরাজিত হন। এর পরদিন শুক্রবার সকালে মসজিদের মুসল্লি আব্দুল হাকিম ফোন করে আমাকে মসজিদে না আসার জন্য বলে।

তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সাল থেকে আমি এ মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু হঠাৎ করেই কোনো কিছু না জানিয়ে আমাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে জানতে পারি সারজিস আলমের শাপলা কলি প্রতীকের পক্ষে ভোট করার কারণেই আমাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় আব্দুস সোবহান বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলে মত পার্থক্যের জেড়ে এমন ঘটনা শোনা যেত। বর্তমান সময়ে এমন ঘটনা দুঃখজনক।

আব্দুল হাকিম বলেন, হুজুর জামায়াতের রাজনীতি করেন। দীর্ঘদিন ধরেই তাকে বলা হচ্ছে আপনি রাজনীতি করবেন কেন? আপনার পিছনে সব মতের মানুষ নামাজ পড়ে। আপনি রাজনীতি করলে বিতর্ক তৈরি হয়। কিন্তু তিনি রাজনীতি করেই গেছেন। এজন্য আমরা নতুন খতিব খুঁজছি।

মসজিদের সভাপতি আব্দুল হালিম বলেন, আমরা ব্যাপারটা নিয়ে বসছিলাম। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি রমজান মাসের পর তাকে বাদ দেব।

এ ব্যাপারে কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফায়েল প্রধান বলেন, এমন ঘটনা শুনেছি। ভোটের কারণে খতিবকে সরিয়ে দেয়াটা অবশ্যই অন্যায়। প্রকৃত ঘটনা জানতে আমি খোঁজ নেব।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019