১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, ২৬শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি, রবিবার, ১লা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
বরিশাল-৩ আসনে ভরাডুবি: সাবেক এমপি টিপুসহ ৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত ! দুই যুগের অপেক্ষার অবসান: বরিশাল–৩ আসনে ভোটের জোয়ারে ফিরল বিএনপি। জয়ের পরই মন্ত্রিত্বের দাবিতে উত্তাল বরিশাল–৩: বাবুগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রী চায় কলাপাড়া রাঙ্গাবালীবাসী….. ‎মাদারীপুর-৩ আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন চুয়াডাঙ্গার দু’টি আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী জয়লাভ সৌভাগ্যের” উপজেলা বানারীপাড়া বরিশাল ২ শের-ই-বাংলার উত্তরাধিকারের পারিবারিক বিরোধ গড়ালো ভোটের মাঠে শরীয়তপুরে ৭ লাখ টাকাসহ জামায়াতের কর্মী আটক, দুই বছরের কারাদণ্ড নির্বাচনের আগের দিন জাতীয় পার্টি নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ, প্রচারকেন্দ্র ভাঙচুর
বরিশাল-৩ আসনে ভরাডুবি: সাবেক এমপি টিপুসহ ৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত !

বরিশাল-৩ আসনে ভরাডুবি: সাবেক এমপি টিপুসহ ৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত !

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী। এই আসনে জাতীয় পার্টি–এর প্রেসিডিয়াম সদস্য ও তিনবারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুসহ চারজন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন–এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬টি। আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত সাড়ে ১২ শতাংশ (১/৮ অংশ) ভোট পেতে হয়। সেই হিসেবে জামানত টেকাতে একজন প্রার্থীর ন্যূনতম ২২ হাজার ২১৪টি ভোট প্রয়োজন ছিল।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, চারজন প্রার্থীই এই ন্যূনতম ভোটের কোটা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন—
গোলাম কিবরিয়া টিপু (জাতীয় পার্টি–লাঙ্গল): পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট।

মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–হাতপাখা): পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট।
ইয়ামিন এইচ এম ফারদিন (স্বতন্ত্র–ট্রাক): পেয়েছেন ৮৬০ ভোট।

আজমুল হাসান জিহাদ (মই): পেয়েছেন ২১৪ ভোট।

বাবুগঞ্জ ও মুলাদী উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-৩ আসনটি বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এখান থেকে একাধিকবার নির্বাচিত প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া টিপুর মতো প্রার্থীর জামানত হারানোকে স্থানীয় রাজনীতির সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

স্থানীয় ভোটারদের একটি বড় অংশের মতে, প্রার্থীদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয়তা এবং মাঠপর্যায়ের প্রচারণার ঘাটতির প্রতিফলনই এবারের ভোটের ফলাফলে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019