সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে,

বরিশাল-৩ আসনে ভরাডুবি: সাবেক এমপি টিপুসহ ৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত !

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৪:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী। এই আসনে জাতীয় পার্টি–এর প্রেসিডিয়াম সদস্য ও তিনবারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুসহ চারজন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন–এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬টি। আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত সাড়ে ১২ শতাংশ (১/৮ অংশ) ভোট পেতে হয়। সেই হিসেবে জামানত টেকাতে একজন প্রার্থীর ন্যূনতম ২২ হাজার ২১৪টি ভোট প্রয়োজন ছিল।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, চারজন প্রার্থীই এই ন্যূনতম ভোটের কোটা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন—
গোলাম কিবরিয়া টিপু (জাতীয় পার্টি–লাঙ্গল): পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট।

মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–হাতপাখা): পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট।
ইয়ামিন এইচ এম ফারদিন (স্বতন্ত্র–ট্রাক): পেয়েছেন ৮৬০ ভোট।

আজমুল হাসান জিহাদ (মই): পেয়েছেন ২১৪ ভোট।

বাবুগঞ্জ ও মুলাদী উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-৩ আসনটি বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এখান থেকে একাধিকবার নির্বাচিত প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া টিপুর মতো প্রার্থীর জামানত হারানোকে স্থানীয় রাজনীতির সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

স্থানীয় ভোটারদের একটি বড় অংশের মতে, প্রার্থীদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয়তা এবং মাঠপর্যায়ের প্রচারণার ঘাটতির প্রতিফলনই এবারের ভোটের ফলাফলে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বরিশাল-৩ আসনে ভরাডুবি: সাবেক এমপি টিপুসহ ৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত !

আপডেট সময় : ০৬:৫৪:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী। এই আসনে জাতীয় পার্টি–এর প্রেসিডিয়াম সদস্য ও তিনবারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুসহ চারজন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন–এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬টি। আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত সাড়ে ১২ শতাংশ (১/৮ অংশ) ভোট পেতে হয়। সেই হিসেবে জামানত টেকাতে একজন প্রার্থীর ন্যূনতম ২২ হাজার ২১৪টি ভোট প্রয়োজন ছিল।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, চারজন প্রার্থীই এই ন্যূনতম ভোটের কোটা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন—
গোলাম কিবরিয়া টিপু (জাতীয় পার্টি–লাঙ্গল): পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট।

মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–হাতপাখা): পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট।
ইয়ামিন এইচ এম ফারদিন (স্বতন্ত্র–ট্রাক): পেয়েছেন ৮৬০ ভোট।

আজমুল হাসান জিহাদ (মই): পেয়েছেন ২১৪ ভোট।

বাবুগঞ্জ ও মুলাদী উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-৩ আসনটি বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এখান থেকে একাধিকবার নির্বাচিত প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া টিপুর মতো প্রার্থীর জামানত হারানোকে স্থানীয় রাজনীতির সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

স্থানীয় ভোটারদের একটি বড় অংশের মতে, প্রার্থীদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয়তা এবং মাঠপর্যায়ের প্রচারণার ঘাটতির প্রতিফলনই এবারের ভোটের ফলাফলে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।