ঝালকাঠিতে ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
- আপডেট সময় : ০২:১৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ৫২ বার পড়া হয়েছে
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: video;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 0;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 44;

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদীর হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে ঝালকাঠিতে দ্বিতীয় দিনের মতো শুক্রবার জুম্মা নামাজ বাদ শহরের কলেজ মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়।
ঝালকাঠি পৌর শহরের ঈদগাহ ময়দান থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের যৌথ উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কলেজ মোড়ে গিয়ে পৌঁছায়। পরে সেখানে বরিশাল–পিরোজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে সমাবেশ করেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, আল তৌফিক লিখন, রাইয়ান বিন কামাল, মাইনুল ইসলাম মান্না, ঝালকাঠি-০২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল ইসলাম সাগর।
রাইয়ান বিন কামাল বলেন আগামী রবিবার কোট এলাকায় আমরা খোঁজ নিবো আওয়ামী লীগের আটক নেতাকর্মীদের কারা জামিন করিয়েছে । সেই সব আইনজীবীদের আমরা নাম প্রকাশ করবো। এবং তাদের বয়কট করবো।
ঝালকাঠির আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ আইনজীবী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ওপেনে চেম্বার খুলে কিভাবে ব্যবসা করতেছে। আওয়ামী লীগের সকল আইনজীবীদের বহিষ্কার করতে হবে।
বক্তারা বলেন, “শরীফ ওসমান বিন হাদীর হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।” অন্যথায় আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
আগামীকাল শনিবার ঢাকায় হাদীর জানাজা নামাজে ঝালকাঠি থেকে ভোর পাঁচটায় নেতাকর্মীরা রওনা হবেন।
এ সময় কলেজ মোড় এলাকায় যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে, ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন। অবরোধে শুধু জরুরি সেবা এ্যাম্বুলেন্স ,ওষুধ এবং কাঁচামালের গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া সকল যানবাহন রাস্তার চারিপাশে আটকে পড়ে যায়।



















