১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, ২৩শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি, বৃহস্পতিবার, ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
সৌভাগ্যের” উপজেলা বানারীপাড়া বরিশাল ২ শের-ই-বাংলার উত্তরাধিকারের পারিবারিক বিরোধ গড়ালো ভোটের মাঠে শরীয়তপুরে ৭ লাখ টাকাসহ জামায়াতের কর্মী আটক, দুই বছরের কারাদণ্ড নির্বাচনের আগের দিন জাতীয় পার্টি নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ, প্রচারকেন্দ্র ভাঙচুর ভোট কেনার সময় জামায়াতের নায়েবে আমির আটক আ.লীগের নীরব ভোটেই নির্ধারণ জয়-পরাজয় বাগেরহাটের চার আসনে ত্রিমুখী লড়াই সবক’টিতে মাঠে বিএনপির বিদ্রোহী, জামায়াত বাড়তি সুবিধায় বরিশাল -৩ আসন। বাবুগঞ্জে ঈগল প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ। বরিশালে সাংবাদিকদের ওপর ডিসির ক্ষোভ: নির্বাচনী কার্ড ইস্যুতে হয়রানির অভিযোগ বিপুল পরিমাণ টাকাসহ বিমানবন্দরে জেলা জামায়াতের আমির আটক কড়া নিরাপত্তায় কলাপাড়ার কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট পেপার পাঠানো শুরু…
ভূমি কর্মকর্তার ঘুস বাণিজ্য ফাঁস

ভূমি কর্মকর্তার ঘুস বাণিজ্য ফাঁস

আজকের ক্রাইম ডেক্স
পটুয়াখালীর দশমিনায় মো. শহীদুল ইসলাম নামে এক ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি মাদ্রাসা প্রধানের থেকে প্রায় অর্ধ লাখ টাকা ঘুস গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত মো. শহীদুল ইসলাম উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা। তিনি একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থাকায় আধিপত্য বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ আছে। নামজারি আর দাখিলায় চাহিদা অনুযায়ী টাকা না দিলে হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ ওই ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

চরবোরহান ইউনিয়ন দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. ইউনুস মিয়া বলেন, তার বাড়ি রনগোপালদী ইউনিয়নে। তিনি একটি ফসলি জমির নামজারি করতে রনগোপালদী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান। সেখানে গিয়ে হয়রানির শিকার হন। পরে ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলামকে একই জমির নামজারির জন্য দুইবার পনেরো হাজার করে মোট ত্রিশ হাজার টাকা ঘুস দিতে হয় তাকে। এছাড়াও তার কর্মস্থল চরবোরহান ইউনিয়ন দাখিল মাদ্রাসার নামজারির জন্য আরও পনেরো হাজার টাকা ঘুস নেন ওই ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা। ওই মাদ্রাসা প্রধানের থেকে ভূমি কর্মকর্তা মোট ৪৫ হাজার টাকা ঘুস নেন।

ঘুস নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা ভুক্তভোগী মাদ্রাসা শিক্ষককে বলেন, ঘুসের এ টাকা তার অনেককে দেওয়া লাগে।

প্রায় তিন বছর একই কর্মস্থলে আছেন জানিয়ে অভিযোগের বিষয়ে শহীদুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত কোনো অভিযোগ সত্য না।

এ বিষয়ে ইউএনও ইরতিজা হাসান বলেন, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ও লিখিত অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019