০৫ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন, ১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, বৃহস্পতিবার, ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে গেলেন বেগম সেলিমা রহমান বানারীপাড়ায় প্রতিবেশীর গালমন্দ ও বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমানে স্কুল শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা বাবুগঞ্জে ইউএনও’র সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডে দোকান পুড়ে ছাই ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি জীবননগর বিএনপি নেতা ময়েনের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ২০০৮-এ তারেক রহমানের আলোচিত জামিন রায়, ওপরে থেকে বার্তা ছিল, কোনোভাবেই জামিন নয়। তবু আইন মেনেই সিদ্ধান্ত’ সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীন ফেইজবুকের আলোচনায় কলাপাড়ায় যুবদলনেতার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ। ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৩ টি সড়ক উদ্বোধন করলেন পৌর প্রশাসক কালকিনিতে খুচরা সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান।
হাসানাতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলা

হাসানাতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলা

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বরিশাল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৯ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার দুদকের উপ-পরিচালক এস. এম. রাশেদুর রেজা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ অসৎ উদ্দেশে জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে ১৯ কোটি ৭১ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫৯ টাকার সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন।

পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনকভাবে ৮০ কোটি ৪৯ লাখ ১৭ হাজার ৩২৭ টাকা ৮৫ পয়সা লেনদেন করেছেন, যা দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।

দুদক জানায়, অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, আসামির নামে ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকার স্থাবর এবং ৩৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। তার মোট সম্পদ ও পারিবারিক ব্যয় বাবদ খরচ দাঁড়ায় প্রায় ৫৭ কোটি ১৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা, অথচ বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া গেছে মাত্র ৩৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকার। ফলে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকায়।

মামলাটি দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, তদন্তের মাধ্যমে আসামির অন্যান্য সম্পদ বা অপরাধের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।

মামলায় ঘটনাস্থল হিসেবে ঢাকা মহানগর, বরিশাল জেলা এবং আসামির অন্যান্য সম্পদের অবস্থান উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাকাল ধরা হয়েছে ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019