সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বাকেরগঞ্জে কারখানা নদীর বালুমহল ইজারা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫ ৪৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি-
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কারখানা নদীর বালুমহল ইজারা বাতিল এবং অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

সোমবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৪ টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ডিসি রোড খেয়াঘাটে ‘সর্বস্তরের জনসাধারণ’—এর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে উপস্থিত এলাকাবাসী বিক্ষোভ করে বলেন, মেসার্স অর্না এন্টারপ্রাইজের নামে আরিফুর রহমান কবিরের নেতৃত্বে কারখানা নদীর ডিসি রোড ও দক্ষিণঘুনি চড় থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে। প্রায় ৫-৬টি খননযন্ত্র দিয়ে কারখানা নদী থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলনের ফলে কারখানা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ ও ফসলি জমি ভাঙনের মুখে পড়েছে। এর প্রতিকার চেয়ে তাঁরা অবিলম্বে কারখানা নদীতে বালুমহাল ইজারা বাতিলের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করেছেন।

মানববন্ধনে হাজ্বী মোঃ রায়হান খান বলেন, নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন করা হলে ভাঙনের সৃষ্টি হয়। কারখানা নদীর ডিসি রোড ও দক্ষিণ শিয়ালঘুনির চড় থেকে যাতে কেউ বালু উত্তোলন না করতে পারে, সে জন্য জেলা প্রশাসনকে চিঠি দেওয়া হবে। আরাফাত বলেন, চরের ইজারা হয়েছে রোঘনাপুর কিন্তু তারা শিয়ালঘূনী ও ডি,সি,রোড চর থেকে কেন বালু উত্তোলন করতেছে? আ: আজিজ তালুকদার বলেন, নদী ভাঙ্গনের পর জেগে ওঠা চরে এভাবে বালু উত্তোলন করা হলে তা কৃষি ও ফসলি জমির বিনাশ করবে এবং বাড়ি ঘর নদীতে বিলিন হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজ বলেন, কারখানা নদী থেকে কাউকেই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেয়া হবেনা। কারখানা নদীর যে জায়গায় ইজারা দেয়া হয়েছে সেখান থেকে বালু কাটার ফলে যদি নদী তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের কোন ক্ষতি হয় সেটা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তারপরও যদি কেউ অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে থাকেন, তা হলে তাঁদের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হবে। এলাকাবাসীদের দাবী রোঘনাপুর চরের নাম করে তারা ডি,সি,রোড ও শিয়ালঘূনী চর থেকে বালু উত্তোলন করছে। এলাকাসীর স্বার্থে এটা দ্রুত বন্ধ করা দরকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাকেরগঞ্জে কারখানা নদীর বালুমহল ইজারা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৫:২৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি-
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কারখানা নদীর বালুমহল ইজারা বাতিল এবং অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

সোমবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৪ টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ডিসি রোড খেয়াঘাটে ‘সর্বস্তরের জনসাধারণ’—এর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে উপস্থিত এলাকাবাসী বিক্ষোভ করে বলেন, মেসার্স অর্না এন্টারপ্রাইজের নামে আরিফুর রহমান কবিরের নেতৃত্বে কারখানা নদীর ডিসি রোড ও দক্ষিণঘুনি চড় থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে। প্রায় ৫-৬টি খননযন্ত্র দিয়ে কারখানা নদী থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলনের ফলে কারখানা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ ও ফসলি জমি ভাঙনের মুখে পড়েছে। এর প্রতিকার চেয়ে তাঁরা অবিলম্বে কারখানা নদীতে বালুমহাল ইজারা বাতিলের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করেছেন।

মানববন্ধনে হাজ্বী মোঃ রায়হান খান বলেন, নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন করা হলে ভাঙনের সৃষ্টি হয়। কারখানা নদীর ডিসি রোড ও দক্ষিণ শিয়ালঘুনির চড় থেকে যাতে কেউ বালু উত্তোলন না করতে পারে, সে জন্য জেলা প্রশাসনকে চিঠি দেওয়া হবে। আরাফাত বলেন, চরের ইজারা হয়েছে রোঘনাপুর কিন্তু তারা শিয়ালঘূনী ও ডি,সি,রোড চর থেকে কেন বালু উত্তোলন করতেছে? আ: আজিজ তালুকদার বলেন, নদী ভাঙ্গনের পর জেগে ওঠা চরে এভাবে বালু উত্তোলন করা হলে তা কৃষি ও ফসলি জমির বিনাশ করবে এবং বাড়ি ঘর নদীতে বিলিন হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজ বলেন, কারখানা নদী থেকে কাউকেই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেয়া হবেনা। কারখানা নদীর যে জায়গায় ইজারা দেয়া হয়েছে সেখান থেকে বালু কাটার ফলে যদি নদী তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের কোন ক্ষতি হয় সেটা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তারপরও যদি কেউ অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে থাকেন, তা হলে তাঁদের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হবে। এলাকাবাসীদের দাবী রোঘনাপুর চরের নাম করে তারা ডি,সি,রোড ও শিয়ালঘূনী চর থেকে বালু উত্তোলন করছে। এলাকাসীর স্বার্থে এটা দ্রুত বন্ধ করা দরকার।