সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

বরিশালে স্বামী হত্যার বিচার চেয়ে পথে পথে স্ত্রীর মাইকিং

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪ ১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স : জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে স্বামী দেবপ্রসাদ কর্মকারকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করে নগরীর বিভিন্ন সড়কে হ্যান্ড মাইক নিয়ে ঘুরে ঘুরে প্রচারণা চালাচ্ছেন নিহতের স্ত্রী শাবানা কর্মকার।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাব ও আদালতপাড়াসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ একাধিক সড়কে ঘুরে ঘুরে হ্যান্ডমাইক নিয়ে মাইকিং করেন তিনি। ঘটনার তিন বছর পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে তিনি স্বামী হত্যার বিচার চেয়েছেন।

শাবানা কর্মকার জানান, ২০২১ সালের ৪ মার্চ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন তার স্বামী দেবপ্রসাদ মজুমদার। নিখোঁজের চারদিন পর বাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের একটি বাগানে তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার মেয়ে এলিজাবেথ কর্মকার বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় গত ৪ মার্চ ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় প্রধান আসামি ফিরোজ ভাট্টিকে। ফিরোজ আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল গ্রামের আব্দুল কাদের ভাট্টির ছেলে।

শাবানা কর্মকার বলেন, নিহত দেবপ্রসাদ কর্মকারের সাথে একই এলাকার কাদের ভাট্টির ছেলেদের সাথে দীর্ঘদিন থেকে জমিজমা নিয়ে তাদের বিরোধ চলে আসছে। সেই ঘটনায় জেরধরে নিখোঁজ হন দেবপ্রসাদ মজুমদার। নিখোঁজের চারদিন পর তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় একাধিক ছায়া তদন্তে নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তদন্ত শেষে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামি পক্ষ এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় সঠিক বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে তারা এখন আতঙ্কিত। তাই গ্রেপ্তারকৃত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বরিশালে স্বামী হত্যার বিচার চেয়ে পথে পথে স্ত্রীর মাইকিং

আপডেট সময় : ১০:১৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪

আজকের ক্রাইম ডেক্স : জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে স্বামী দেবপ্রসাদ কর্মকারকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করে নগরীর বিভিন্ন সড়কে হ্যান্ড মাইক নিয়ে ঘুরে ঘুরে প্রচারণা চালাচ্ছেন নিহতের স্ত্রী শাবানা কর্মকার।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাব ও আদালতপাড়াসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ একাধিক সড়কে ঘুরে ঘুরে হ্যান্ডমাইক নিয়ে মাইকিং করেন তিনি। ঘটনার তিন বছর পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে তিনি স্বামী হত্যার বিচার চেয়েছেন।

শাবানা কর্মকার জানান, ২০২১ সালের ৪ মার্চ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন তার স্বামী দেবপ্রসাদ মজুমদার। নিখোঁজের চারদিন পর বাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের একটি বাগানে তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার মেয়ে এলিজাবেথ কর্মকার বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় গত ৪ মার্চ ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় প্রধান আসামি ফিরোজ ভাট্টিকে। ফিরোজ আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল গ্রামের আব্দুল কাদের ভাট্টির ছেলে।

শাবানা কর্মকার বলেন, নিহত দেবপ্রসাদ কর্মকারের সাথে একই এলাকার কাদের ভাট্টির ছেলেদের সাথে দীর্ঘদিন থেকে জমিজমা নিয়ে তাদের বিরোধ চলে আসছে। সেই ঘটনায় জেরধরে নিখোঁজ হন দেবপ্রসাদ মজুমদার। নিখোঁজের চারদিন পর তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় একাধিক ছায়া তদন্তে নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তদন্ত শেষে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলেও আসামি পক্ষ এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় সঠিক বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে তারা এখন আতঙ্কিত। তাই গ্রেপ্তারকৃত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।