সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, নিহত ১ বিজয়নগরে শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই সবুজ হবে বাংলাদেশ— বাবুগঞ্জের কেদারপুরে ইয়াবাসহ যুবক আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ঘোড়াঘাটে দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানা আদায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে ব্র্যাকের ২০০ ফলজ চারা প্রদান বিষখালী নদীতে অভিযান: ৭ লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার ও ধ্বংস বাবুগঞ্জে গাঁজা সহ প্রবাসী আটক ​ ​ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ​ কাঠালিয়ায় ৫০ কেজি ও ৩৯ পোটলা গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১: মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের বড় সাফল্য

খুলনায় অবৈধ দেশীয় অস্ত্রের ঝনঝনানিতে উত্তাল,১ আসামী গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খুলনা থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক ইমরান জামান কাজল।

গতকাল ২৭ জানুয়ারি ২০২৪ খ্রিঃ ১৭.১৫ ঘটিকার সময় খুলনা থানাধীন বানিয়াখামারস্থ মিস্ত্রীপাড়া বাজার এলাকা থেকে এজাহারনামীয় পলাতক আসামী ০১) মোঃ আলামিন শেখ(৩৬), পিতা-শেখ মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সাং-৫০, পূর্ব বানিয়াখামার, মিস্ত্রীপাড়া বাজারের পার্শ্বে, থানা ও জেলা-খুলনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ওই এলাকার স্থানীয় লোকজনদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে জানা যায় যে,এই আলামিন রয়েছে একটি বিশাল গ্যাংবাহিনী।তার গাং বাহিনীর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫০ বা তার অধিক।

তাহার রয়েছে একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাং। আর এই গ্যাং এর নেতৃত্ব দেন গ্রেফতারকৃত আসামি আল-আমিন নিজেই।এ সকল গ্যাং বাহিনী সদস্যরা বিভিন্ন প্রকার অসামাজিক কার্যকলাপ যেমন, মাদক বিক্রয়,চুরি,ইভটিজিং,সহ নানাবিদ অপরাধ কর্মে লিপ্ত থাকে।

স্থানীয় ভাবে বসবাসরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায় যে,খুলনা মহানগরের প্রতিটি স্থানে রয়েছে এই ধরনের কিশোরগ্যাং বাহিনীর তৎপরতা।তারা ছোট ছোট কারণবশত এ সকল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মানুষকে ধাওয়া করে। তাদের ভয়ে এলাকা বাসী খুবই ভীত সন্ত্রস্ত। খুলনা মহানগর এর প্রতিটি এলাকায় কিশোরগ্যাং এর কাছে এ সকল দেশী অস্ত্র খুব হর হামেশাই পাওয়া যায়। ছোট ছোট ব্যাপারে তারা এ সকল দেশীয় অস্ত্রগুলো নিয়ে শোডাউন করে থাকে।

যেকোনো ব্যাপারে তারা এ সকল অস্ত্র নিয়ে মানুষকে খুন, যখম,অঙ্গহানি পর্যন্ত করে ফেলে। তার মূল কারণ হচ্ছে এ সকল অস্ত্র নিয়ে তাহারা যখন গ্রেপ্তার হয়, একশ্রেণীর আইন পেশাজীবী লোকের মাধ্যমে খুব সহজেই তারা জামিনের মুক্তি পেয়ে বের হয়ে আসে। এবং পুনরায় তারা সেই ধরনের তাণ্ডব লীলা শুরু করে।

এ সময় আসামীর বসত ঘরের পূর্ব পার্শ্বের শয়ন কক্ষের ভিতরে ছোট কাঠের বাক্সের মধ্যে রক্ষিত জব্দকৃত আলামত ক) ১১ টি লোহার ধারালো রামদা; খ) ০১ টি লোহার ধারালো চাপাতি; গ) ০১ টি লোহার ধারালো ছোঁরা; ঘ) ০২ টি লোহার ধারালো বল্লম এবং ঙ) ০১ টি কাঠের ছোট বাক্স উদ্ধার করা হয়েছে। এ সংক্রান্তে খুলনা থানার মামলা নং-৪২, তারিখ-২৭/০১/২০২৪ খ্রিঃ, 1878 The Arms Act 19(e) রুজু করা হয়েছে।

সুতরাং এ ব্যাপারে সোচ্চার হয়ে সরকার প্রধানের, ও সরকারি আইন রক্ষাকারী প্রতিটি বাহিনী সহ জুডিশিয়ালি দায়িত্বে যারা রয়েছেন তাহাদের উচিত সুদৃঢ় ভাবে ভাবে এ সকল আসামিদের জামিন দেওয়া থেকে বিরত থাকা।

এ সকল কিশোর গ্যাং বাহিনীর বিপক্ষে খুব সোচ্চার ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন আমাদের খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার। তিনি বলেন খুলনা মহানগরিতে আর কোনদিনও কোন গ্যাংবাহিনী মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবেনা। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ মাদকমুক্ত খুলনা মহানগরকে গড়ে তোলার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ে রাতদিন কাজ করে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

খুলনায় অবৈধ দেশীয় অস্ত্রের ঝনঝনানিতে উত্তাল,১ আসামী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪

খুলনা থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক ইমরান জামান কাজল।

গতকাল ২৭ জানুয়ারি ২০২৪ খ্রিঃ ১৭.১৫ ঘটিকার সময় খুলনা থানাধীন বানিয়াখামারস্থ মিস্ত্রীপাড়া বাজার এলাকা থেকে এজাহারনামীয় পলাতক আসামী ০১) মোঃ আলামিন শেখ(৩৬), পিতা-শেখ মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সাং-৫০, পূর্ব বানিয়াখামার, মিস্ত্রীপাড়া বাজারের পার্শ্বে, থানা ও জেলা-খুলনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ওই এলাকার স্থানীয় লোকজনদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে জানা যায় যে,এই আলামিন রয়েছে একটি বিশাল গ্যাংবাহিনী।তার গাং বাহিনীর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫০ বা তার অধিক।

তাহার রয়েছে একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাং। আর এই গ্যাং এর নেতৃত্ব দেন গ্রেফতারকৃত আসামি আল-আমিন নিজেই।এ সকল গ্যাং বাহিনী সদস্যরা বিভিন্ন প্রকার অসামাজিক কার্যকলাপ যেমন, মাদক বিক্রয়,চুরি,ইভটিজিং,সহ নানাবিদ অপরাধ কর্মে লিপ্ত থাকে।

স্থানীয় ভাবে বসবাসরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায় যে,খুলনা মহানগরের প্রতিটি স্থানে রয়েছে এই ধরনের কিশোরগ্যাং বাহিনীর তৎপরতা।তারা ছোট ছোট কারণবশত এ সকল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মানুষকে ধাওয়া করে। তাদের ভয়ে এলাকা বাসী খুবই ভীত সন্ত্রস্ত। খুলনা মহানগর এর প্রতিটি এলাকায় কিশোরগ্যাং এর কাছে এ সকল দেশী অস্ত্র খুব হর হামেশাই পাওয়া যায়। ছোট ছোট ব্যাপারে তারা এ সকল দেশীয় অস্ত্রগুলো নিয়ে শোডাউন করে থাকে।

যেকোনো ব্যাপারে তারা এ সকল অস্ত্র নিয়ে মানুষকে খুন, যখম,অঙ্গহানি পর্যন্ত করে ফেলে। তার মূল কারণ হচ্ছে এ সকল অস্ত্র নিয়ে তাহারা যখন গ্রেপ্তার হয়, একশ্রেণীর আইন পেশাজীবী লোকের মাধ্যমে খুব সহজেই তারা জামিনের মুক্তি পেয়ে বের হয়ে আসে। এবং পুনরায় তারা সেই ধরনের তাণ্ডব লীলা শুরু করে।

এ সময় আসামীর বসত ঘরের পূর্ব পার্শ্বের শয়ন কক্ষের ভিতরে ছোট কাঠের বাক্সের মধ্যে রক্ষিত জব্দকৃত আলামত ক) ১১ টি লোহার ধারালো রামদা; খ) ০১ টি লোহার ধারালো চাপাতি; গ) ০১ টি লোহার ধারালো ছোঁরা; ঘ) ০২ টি লোহার ধারালো বল্লম এবং ঙ) ০১ টি কাঠের ছোট বাক্স উদ্ধার করা হয়েছে। এ সংক্রান্তে খুলনা থানার মামলা নং-৪২, তারিখ-২৭/০১/২০২৪ খ্রিঃ, 1878 The Arms Act 19(e) রুজু করা হয়েছে।

সুতরাং এ ব্যাপারে সোচ্চার হয়ে সরকার প্রধানের, ও সরকারি আইন রক্ষাকারী প্রতিটি বাহিনী সহ জুডিশিয়ালি দায়িত্বে যারা রয়েছেন তাহাদের উচিত সুদৃঢ় ভাবে ভাবে এ সকল আসামিদের জামিন দেওয়া থেকে বিরত থাকা।

এ সকল কিশোর গ্যাং বাহিনীর বিপক্ষে খুব সোচ্চার ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন আমাদের খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার। তিনি বলেন খুলনা মহানগরিতে আর কোনদিনও কোন গ্যাংবাহিনী মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবেনা। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ মাদকমুক্ত খুলনা মহানগরকে গড়ে তোলার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ে রাতদিন কাজ করে যাচ্ছে।