সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

বিরামপুরে সপ্তাহ জুড়ে দেখা নেই সূর্যের,বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪ ১৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
ঘন কুয়াশায় ঢাকা দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় কনকনে শীত হিমেল বাতাস আর ঠাণ্ডায় কাবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। সকাল থেকেই বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশা। দিনে ও রাতে বৃষ্টির মতো ঝড়ছে কুয়াশা। খড় খূটা শুকনো কাট জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে অনেকে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমেছে অনেক অংশে। গত এক সপ্তাহ জুড়ে সূর্যের দেখা না মেলায় ঠাণ্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে এ এলাকায়।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল নয়টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১:৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দিনাজপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ সকাল নয়টায় দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১:৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ৯৭ শতাংশ। গতকাল একই সময় তাপমাত্রা ছিল ৯:৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ।

দিনের তাপমাত্রা কমে রাতের তাপমাত্রার কাছাকাছি হওয়ায় দুপুর পর্যন্ত ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। কনকনে ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে দিন মজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষজন কাজে বের হলেও প্রয়োজনীয় গরম কাপড়ের অভাবে কষ্টে রয়েছে অনেকে।

বিশেষ করে উত্তরীয় হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় কাহিল হয়েছে পড়েছে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার মানুষগুলো। শীত ও কনকনে ঠাণ্ডায় কাজে যেতে না পারায় কষ্টে পড়েছে শ্রমজীবীরা। অপর দিকে স্থানীয় হাসপাতালে বেড়েছে ঠাণ্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এদের মধ্যে বেশির ভাগ শিশু রোগী।

বিরামপুর উপজেলার ৪নং দিওড় ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম বলেন, আমাদের এলাকায় গত এক সপ্তাহ জুড়ে সূর্যের দেখা নাই। তাই এ এলাকায় কয়েকদিন থেকে খুব ঠাণ্ডা। ঠাণ্ডা হিমেল বাতাসে ঘর থেকে বাহির হওয়া যাচ্ছে না। শ্রমজীবী মানুষরা কাজে ঘর থেকে বাহির হতে পাড়ছে না।
শিমুলতলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষকএনামুল হক বলেন, এ এলাকায় গত এক সপ্তাহ থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না। যার ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। প্রচণ্ড শীতের কারণে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমেছে অনেক অংশে।

বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা গেছে হঠাৎ করে ঠাণ্ডা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে শীত জনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তবে এদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধর সংখ্যা বেশি। চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নার্স ও চিকিৎসকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিরামপুরে সপ্তাহ জুড়ে দেখা নেই সূর্যের,বিপর্যস্ত জনজীবন

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
ঘন কুয়াশায় ঢাকা দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় কনকনে শীত হিমেল বাতাস আর ঠাণ্ডায় কাবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। সকাল থেকেই বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশা। দিনে ও রাতে বৃষ্টির মতো ঝড়ছে কুয়াশা। খড় খূটা শুকনো কাট জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে অনেকে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমেছে অনেক অংশে। গত এক সপ্তাহ জুড়ে সূর্যের দেখা না মেলায় ঠাণ্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে এ এলাকায়।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল নয়টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১:৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দিনাজপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ সকাল নয়টায় দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১:৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ৯৭ শতাংশ। গতকাল একই সময় তাপমাত্রা ছিল ৯:৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ।

দিনের তাপমাত্রা কমে রাতের তাপমাত্রার কাছাকাছি হওয়ায় দুপুর পর্যন্ত ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। কনকনে ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে দিন মজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষজন কাজে বের হলেও প্রয়োজনীয় গরম কাপড়ের অভাবে কষ্টে রয়েছে অনেকে।

বিশেষ করে উত্তরীয় হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় কাহিল হয়েছে পড়েছে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার মানুষগুলো। শীত ও কনকনে ঠাণ্ডায় কাজে যেতে না পারায় কষ্টে পড়েছে শ্রমজীবীরা। অপর দিকে স্থানীয় হাসপাতালে বেড়েছে ঠাণ্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এদের মধ্যে বেশির ভাগ শিশু রোগী।

বিরামপুর উপজেলার ৪নং দিওড় ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম বলেন, আমাদের এলাকায় গত এক সপ্তাহ জুড়ে সূর্যের দেখা নাই। তাই এ এলাকায় কয়েকদিন থেকে খুব ঠাণ্ডা। ঠাণ্ডা হিমেল বাতাসে ঘর থেকে বাহির হওয়া যাচ্ছে না। শ্রমজীবী মানুষরা কাজে ঘর থেকে বাহির হতে পাড়ছে না।
শিমুলতলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষকএনামুল হক বলেন, এ এলাকায় গত এক সপ্তাহ থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না। যার ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। প্রচণ্ড শীতের কারণে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমেছে অনেক অংশে।

বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা গেছে হঠাৎ করে ঠাণ্ডা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে শীত জনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তবে এদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধর সংখ্যা বেশি। চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নার্স ও চিকিৎসকরা।