সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

কাঠালিয়ায় ২ টি বসত ঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৪ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ- ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার লেবুবুনিয়া গ্রামের ২ টি বসত ঘরে দূর্বত্তরা হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় দূর্বত্তরা স্বর্না-অলংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়।

সোমবার দিবাগত রাত ২ টায় উপজেলার লেবুবুনিয়া গ্রামের মোঃ হাবিবুর রহমান মহারাজ ও মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়ার ঘরে ৩৫ থেকে ৪০ জনের দূর্বত্তদের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে ঘর ২টি ভেঙ্গে তছনছ করে ফেলে। এ সময় ঘরে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র ভেঙ্গে নষ্ট করে ফেলে। বাড়ির আঙ্গীনায় ও আশেপাশের শত শত ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলে হামলা কারীরা। আলমিরায় থাকা স্বর্না অলংকার, মূল্যবান জিনিস ও কাগজ পত্র নিয়ে পালিয়ে যায়।
গৃহকর্তা আছমা বেগম জানান, আমি জরুরী সেবা প্রধানকারী ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে কাঠালিয়া থানার পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছায়। পুলিশ পৌছাবার পূবেই সন্ত্রাসীরা ২টি ঘরের সব কিছু ভেঙ্গে চুরে তচনছ করে মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

হামলাকারীরা আমাদের একই গ্রামের বাসিন্ধা। এর মধ্যে থেকে ৬ জনকে আমরা চিনতে পেরেছি। তারা হলেন, লেবুবুনিয়া গ্রামের খলিলুর রহমান খোকন, মোঃ মিজানুর রহমান খোকন, মিজানুর রহমান ইউসুফ, রাজু হাওলাদার, শাহদাত, মনির ও মিধুল। আছমা আরো জানান, আমাদের ঘরে থাকা স্বর্না অলংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য ৪ লক্ষ টাকা। ঘটনার সংবাদ শুনে ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ এমাদুল হক মনির ও কাঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মাহমুদুল হক নাহিদ সিকদার।

এ ব্যাপারে কাঠালিয়া থানার এস আই কাউয়ুম বাহাদুর জানান, আমি রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম, হামলার ঘটনাটি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ঘটেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কাঠালিয়ায় ২ টি বসত ঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:৫৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৪

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ- ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার লেবুবুনিয়া গ্রামের ২ টি বসত ঘরে দূর্বত্তরা হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় দূর্বত্তরা স্বর্না-অলংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়।

সোমবার দিবাগত রাত ২ টায় উপজেলার লেবুবুনিয়া গ্রামের মোঃ হাবিবুর রহমান মহারাজ ও মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়ার ঘরে ৩৫ থেকে ৪০ জনের দূর্বত্তদের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে ঘর ২টি ভেঙ্গে তছনছ করে ফেলে। এ সময় ঘরে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র ভেঙ্গে নষ্ট করে ফেলে। বাড়ির আঙ্গীনায় ও আশেপাশের শত শত ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলে হামলা কারীরা। আলমিরায় থাকা স্বর্না অলংকার, মূল্যবান জিনিস ও কাগজ পত্র নিয়ে পালিয়ে যায়।
গৃহকর্তা আছমা বেগম জানান, আমি জরুরী সেবা প্রধানকারী ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে কাঠালিয়া থানার পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছায়। পুলিশ পৌছাবার পূবেই সন্ত্রাসীরা ২টি ঘরের সব কিছু ভেঙ্গে চুরে তচনছ করে মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

হামলাকারীরা আমাদের একই গ্রামের বাসিন্ধা। এর মধ্যে থেকে ৬ জনকে আমরা চিনতে পেরেছি। তারা হলেন, লেবুবুনিয়া গ্রামের খলিলুর রহমান খোকন, মোঃ মিজানুর রহমান খোকন, মিজানুর রহমান ইউসুফ, রাজু হাওলাদার, শাহদাত, মনির ও মিধুল। আছমা আরো জানান, আমাদের ঘরে থাকা স্বর্না অলংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য ৪ লক্ষ টাকা। ঘটনার সংবাদ শুনে ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ এমাদুল হক মনির ও কাঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মাহমুদুল হক নাহিদ সিকদার।

এ ব্যাপারে কাঠালিয়া থানার এস আই কাউয়ুম বাহাদুর জানান, আমি রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম, হামলার ঘটনাটি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ঘটেছে।