সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে দুই ট্রলারের সংর্ঘষে নিখোঁজ-২

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন,
বিশেষ প্রতিনিধি
বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে দুই ট্রলারের সংর্ঘষে ট্রলার ডুবিতে রঞ্জন হালদার (৫৫) ও লিঙ্কন হালদার (৩৫) নামের দুই জন নিখোঁজ রয়েছেন। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) দিনভর সন্ধ্যা নদীর দুর্ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অনুসন্ধান চালিয়েও তাদের কোন সন্ধান পাননি।
জানা গেছে, ১৫ ডিসেম্বর শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে বানারীপাড়া ফেরীঘাটে বিদেশ গমণেচ্ছু ভাই শিশির হালদারকে এগিয়ে দিয়ে মাছ শিকারের ছোট আকারের নৌকা ট্রলার নিয়ে তার বড় ভাই সুজন হালদার, চাচাতো ভাই রঞ্জন হালদার ও লিঙ্কন হালদার উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের মসজিদ বাড়ি গ্রামে ফিরছিলেন। সন্ধ্যা নদীর দিদিহার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা স্বরূপকাঠিগামী কাঠবাহী খালি ট্রলারের সঙ্গে তাদের ট্রলারের সংর্ঘষ হয়। এতে তাদের ট্রলারটি ডুবে যায়।
স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সুজন তীরে উঠতে পারলেও রঞ্জন ও লিঙ্কন নিখোঁজ হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ওই রাতেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান। ১৬ ডিসেম্বর শনিবার দিনভর তল্লাশী চালিয়েও ডুবুরি দল তাদের কোন খোঁজ পাননি। এদিকে তাদের হারিয়ে পরিবারে শোকের মাতম চলছে।
এ বিষয়ে বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার সালাউদ্দিন মিয়া জানান,বরিশাল থেকে ডুবুরি দল এনে শনিবার দিনভর সন্ধ্যা নদীর দুর্ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়েও নিখোঁজ দুইজন ও ট্রলারটির কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মাইনুল ইসলাম জানান,দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ওই রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। শনিবার দিনভর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সঙ্গে পুলিশ ও কোষ্টগার্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। খোঁজ
না পাওয়া পর্যন্ত তাদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে দুই ট্রলারের সংর্ঘষে নিখোঁজ-২

আপডেট সময় : ০২:০৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩

রাহাদ সুমন,
বিশেষ প্রতিনিধি
বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে দুই ট্রলারের সংর্ঘষে ট্রলার ডুবিতে রঞ্জন হালদার (৫৫) ও লিঙ্কন হালদার (৩৫) নামের দুই জন নিখোঁজ রয়েছেন। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) দিনভর সন্ধ্যা নদীর দুর্ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অনুসন্ধান চালিয়েও তাদের কোন সন্ধান পাননি।
জানা গেছে, ১৫ ডিসেম্বর শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে বানারীপাড়া ফেরীঘাটে বিদেশ গমণেচ্ছু ভাই শিশির হালদারকে এগিয়ে দিয়ে মাছ শিকারের ছোট আকারের নৌকা ট্রলার নিয়ে তার বড় ভাই সুজন হালদার, চাচাতো ভাই রঞ্জন হালদার ও লিঙ্কন হালদার উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের মসজিদ বাড়ি গ্রামে ফিরছিলেন। সন্ধ্যা নদীর দিদিহার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা স্বরূপকাঠিগামী কাঠবাহী খালি ট্রলারের সঙ্গে তাদের ট্রলারের সংর্ঘষ হয়। এতে তাদের ট্রলারটি ডুবে যায়।
স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সুজন তীরে উঠতে পারলেও রঞ্জন ও লিঙ্কন নিখোঁজ হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ওই রাতেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান। ১৬ ডিসেম্বর শনিবার দিনভর তল্লাশী চালিয়েও ডুবুরি দল তাদের কোন খোঁজ পাননি। এদিকে তাদের হারিয়ে পরিবারে শোকের মাতম চলছে।
এ বিষয়ে বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার সালাউদ্দিন মিয়া জানান,বরিশাল থেকে ডুবুরি দল এনে শনিবার দিনভর সন্ধ্যা নদীর দুর্ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়েও নিখোঁজ দুইজন ও ট্রলারটির কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মাইনুল ইসলাম জানান,দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ওই রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। শনিবার দিনভর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সঙ্গে পুলিশ ও কোষ্টগার্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। খোঁজ
না পাওয়া পর্যন্ত তাদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।