সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

মওলানা ভাসানী’র জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় সাথে পালন করুন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩ ১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

নির্যাতিত নিপিড়িত মানুষের মহান নেতা মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৪৩ তম জন্মদিন আজ। দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক দল ও সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করবে আজ।

১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়াপল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন এ মহান নেতা। তিনি হাজি শারাফত আলী ও বেগম শারাফত আলীর পরিবারের চার সন্তানের মধ্যে সবার ছোট। শৈশবে তার ডাক নাম ছিল ‘চেগা মিয়া।’

মওলানা ভাসানী ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। তিনি ১৯৬৪, ১৯৬৫, ১৯৬৮ সালের আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মওলানা ভাসানী ভারতে চলে যান এবং প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি হন। ১৯৭২ সালের ২ এপ্রিল ঢাকায় পল্টনের জনসভায় চোরাচালানের বিরুদ্ধে আপসহীন মনোভাব ব্যক্ত করেন।

আজীবন শ্রমিক-কৃষক ও মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করে গেছেন মওলানা ভাসানী। ১৯৩১ সালে সন্তোষের কাগমারী, ১৯৩২ সালে সিরাজগঞ্জের কাওরাখোলা এবং ১৯৩৩ সালে গাইবান্ধায় বিশাল কৃষক সম্মেলন করেন তিনি। ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের প্রতিবাদে ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে ঐতিহাসিক লংমার্চ করেও স্মরণীয় হয়ে আছেন।

মওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

এছাড়া ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক তাকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। ২০০৪ সালে বিবিসি জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি তালিকায় তিনি অষ্টম হন।

আজ যখন রাজনীতি থেকে নীতি-নৈতিকতা বিবর্জিত হচ্ছে তখন মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীকে সমগ্র জাতি উপলব্ধি করছে।অথচ রাজনৈতিক দর্শন তাঁর অনুসারীরা এখন মানছেন না।মওলানা ভাসানী শুধু নেতাদের নেতা ছিলেন না তিঁনি ছিলেন আধ্যাত্মিক নেতা।তাই তো এই মহান নেতার জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকীতে হাজার হাজার মুরিদানদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

মাওলানা ভাসানী ছিলেন রাজনীতির নীতি-নৈতিকতার বাতিঘর। আমাদের জাতীয় ইতিহাসের প্রাণ পুরুষ। তাকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নির্মাণ করা সম্ভব নয়। ইতিহাসের নায়ক হিসেবে তিঁনি আজীবন আমাদের মাঝে অমর হয়ে থাকবেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলনকে যদি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে দেখি তবে দেখা যাবে, আবদুল হামিদ খান ভাসানীই প্রথম তার বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে স্বায়ত্তশাসন, এমনকি স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছেন জাতিকে।

১৯৪৯ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা, ৫২ ভাষা আন্দোলন, ৫৪ যুক্তফ্রন্টের নির্মাণ, ৬৯ গণআন্দোলন, ৭০ নির্বাচন, ৭১ মুক্তিযুদ্ধসহ বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি পাতায় পাতায় মাওলানা ভাসানী রয়েছেন। তাকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস নির্মাণ সম্ভব নয়। ইতিহাস সবাই মিলে রচনা করতে হয়। খণ্ডিত ইতিহাস বা আংশিক ইতিহাস জাতির জন্য কল্যাণকর নয়।

আজ নীতি নৈতিকতা হুমকির মুখে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংসের পথে। এ অবস্থা থেকে দেশ জাতিকে মুক্তি দিতে হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে লুটেরাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আর এখানেই মাওলানা ভাসানী আমাদের পথ দেখাতে সক্ষম।
মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সারাজীবন মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন। তিনি একই সঙ্গে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রবক্তা ছিলেন। ছিলেন স্বাধিকার আন্দোলনের প্রবাদ পুরুষ। তিনি প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী ভাসানী সাহেব সারাজীবন গ্রামে একটি কুঁড়েঘরে কৃষকের মতো জীবনযাপন করেছেন। যার কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল না, গাড়ি ছিল না, বাড়ি ছিল না।

মাওলানা ভাসানী কেবল আমাদের জাতীয় ইতিহাসে নয় বরং ভারত বর্ষের ইতিহাসের এক অনন্য রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব। যতদিন মেহনতি মানুষের সংগ্রাম থাকবে, সাম্রাজ্যবাদী-আধিপত্যবাদী আগ্রাসন, মৌলবাদ, ধর্মান্ধতা, অসম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক চেতনার জন্য সংগ্রাম থাকবে, ততদিন বেঁচে থাকবেন মুক্তি সংগ্রামী মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
আমরা সবাই মিলে মওলানা ভাসানী’র জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় সাথে রাস্ট্রীয়ভাবে পালন করার দাবি জানাই।

মো.মঞ্জুর হোসেন ঈসা
মহাসচিব
এনডিপি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মওলানা ভাসানী’র জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় সাথে পালন করুন

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩

আজকের ক্রাইম ডেক্স

নির্যাতিত নিপিড়িত মানুষের মহান নেতা মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৪৩ তম জন্মদিন আজ। দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক দল ও সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করবে আজ।

১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়াপল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন এ মহান নেতা। তিনি হাজি শারাফত আলী ও বেগম শারাফত আলীর পরিবারের চার সন্তানের মধ্যে সবার ছোট। শৈশবে তার ডাক নাম ছিল ‘চেগা মিয়া।’

মওলানা ভাসানী ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। তিনি ১৯৬৪, ১৯৬৫, ১৯৬৮ সালের আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মওলানা ভাসানী ভারতে চলে যান এবং প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি হন। ১৯৭২ সালের ২ এপ্রিল ঢাকায় পল্টনের জনসভায় চোরাচালানের বিরুদ্ধে আপসহীন মনোভাব ব্যক্ত করেন।

আজীবন শ্রমিক-কৃষক ও মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করে গেছেন মওলানা ভাসানী। ১৯৩১ সালে সন্তোষের কাগমারী, ১৯৩২ সালে সিরাজগঞ্জের কাওরাখোলা এবং ১৯৩৩ সালে গাইবান্ধায় বিশাল কৃষক সম্মেলন করেন তিনি। ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের প্রতিবাদে ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে ঐতিহাসিক লংমার্চ করেও স্মরণীয় হয়ে আছেন।

মওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

এছাড়া ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক তাকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। ২০০৪ সালে বিবিসি জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি তালিকায় তিনি অষ্টম হন।

আজ যখন রাজনীতি থেকে নীতি-নৈতিকতা বিবর্জিত হচ্ছে তখন মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীকে সমগ্র জাতি উপলব্ধি করছে।অথচ রাজনৈতিক দর্শন তাঁর অনুসারীরা এখন মানছেন না।মওলানা ভাসানী শুধু নেতাদের নেতা ছিলেন না তিঁনি ছিলেন আধ্যাত্মিক নেতা।তাই তো এই মহান নেতার জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকীতে হাজার হাজার মুরিদানদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

মাওলানা ভাসানী ছিলেন রাজনীতির নীতি-নৈতিকতার বাতিঘর। আমাদের জাতীয় ইতিহাসের প্রাণ পুরুষ। তাকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নির্মাণ করা সম্ভব নয়। ইতিহাসের নায়ক হিসেবে তিঁনি আজীবন আমাদের মাঝে অমর হয়ে থাকবেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলনকে যদি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে দেখি তবে দেখা যাবে, আবদুল হামিদ খান ভাসানীই প্রথম তার বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে স্বায়ত্তশাসন, এমনকি স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছেন জাতিকে।

১৯৪৯ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা, ৫২ ভাষা আন্দোলন, ৫৪ যুক্তফ্রন্টের নির্মাণ, ৬৯ গণআন্দোলন, ৭০ নির্বাচন, ৭১ মুক্তিযুদ্ধসহ বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি পাতায় পাতায় মাওলানা ভাসানী রয়েছেন। তাকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস নির্মাণ সম্ভব নয়। ইতিহাস সবাই মিলে রচনা করতে হয়। খণ্ডিত ইতিহাস বা আংশিক ইতিহাস জাতির জন্য কল্যাণকর নয়।

আজ নীতি নৈতিকতা হুমকির মুখে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংসের পথে। এ অবস্থা থেকে দেশ জাতিকে মুক্তি দিতে হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে লুটেরাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আর এখানেই মাওলানা ভাসানী আমাদের পথ দেখাতে সক্ষম।
মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সারাজীবন মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন। তিনি একই সঙ্গে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রবক্তা ছিলেন। ছিলেন স্বাধিকার আন্দোলনের প্রবাদ পুরুষ। তিনি প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী ভাসানী সাহেব সারাজীবন গ্রামে একটি কুঁড়েঘরে কৃষকের মতো জীবনযাপন করেছেন। যার কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল না, গাড়ি ছিল না, বাড়ি ছিল না।

মাওলানা ভাসানী কেবল আমাদের জাতীয় ইতিহাসে নয় বরং ভারত বর্ষের ইতিহাসের এক অনন্য রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব। যতদিন মেহনতি মানুষের সংগ্রাম থাকবে, সাম্রাজ্যবাদী-আধিপত্যবাদী আগ্রাসন, মৌলবাদ, ধর্মান্ধতা, অসম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক চেতনার জন্য সংগ্রাম থাকবে, ততদিন বেঁচে থাকবেন মুক্তি সংগ্রামী মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
আমরা সবাই মিলে মওলানা ভাসানী’র জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় সাথে রাস্ট্রীয়ভাবে পালন করার দাবি জানাই।

মো.মঞ্জুর হোসেন ঈসা
মহাসচিব
এনডিপি