সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে কাঁচি চাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতিসহ আহত ১২

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বাকা গ্রামে কাঁচি চাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারিতে ছাত্রলীগের সভাপতিসহ উভয় পক্ষের ১২জন আহত হয়েছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান তার কাচি চাইতে গেলে কয়েকজন মিলে তাকে মেরে জখম করে।পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্যে লিপ্ত হলে হতাহতের সূত্রপাত হয়।জানা যায়,মেহেদী হাসানের কাছ থেকে কয়েকদিন আগে একটি ধান কাটার কাঁচি নিয়েছিলো একই গ্রামের বাঁকা পূর্বপাড়ার মোঃ রাজীব মিয়ার ছেলে মোঃ রিফাত।সেই কাঁচি ফেরত না দেওয়ায় শনিবার সকালে মাঠে কাজে যাওয়ার সময় রিফাতের হাতে থাকা হাঁসুয়া কেড়ে নেয় হাসান। কাঁচি ফেরত না দিলে হাসুয়া দেবেন না বলে তাকে পাঠিয়ে দেয়।
রিফাত বাড়িতে যেয়ে জানালে বাড়ির মহিলারা এসে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। পরে হাসানের পরিবারের লোকজন ছুটে আসলে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারিবাধে। দুই পক্ষের মারামারিতে অন্তত ১২ জন আহত হয়।আহতরা হলেন- বাঁকা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান(২৫) তাঁর চাচা রহিম শেখের ছেলে ফিরোজ শেখ (৪২), তৌফিক (২৭), চাচা
হুমায়ুন শেখের ছেলে মো. ইমরান শেখ (১৮), তাঁর মা বেদানা খাতুন (৬০), আলাউদ্দিন শেখের ছেলে জাহাঙ্গীর শেখ (৫০) ও খোদাবক্স শেখের স্ত্রী রহিমা খাতুন।
এরমধ্যে তৌফিক ও জাহাঙ্গীর শেখের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ইমরান শেখ আহত অবস্থায় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
অপর পক্ষের রিফাতসহ তাঁর পরিবারের ফরজ আলী মন্ডলের ছেলে সেলিম, মনিরুল ইসলাম, বাবুল আক্তার ও তাঁর ছেলে সাব্বির আহত হয়েছেন। এর মধ্যে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেলিম ও মনিরুল ইসলাম ভর্তি রয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
হাসপাতালে ভর্তি সেলিম জানান, আমি বাড়ি ছিলাম। হঠাৎ এসে হাসানের পরিবারের লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে। এসময় মারামারি শুরু হয়। কাঁচি নিয়ে এর আগে সকালে হাসান ও রিফাতের ঝামেলা হয় বলে তিনি জানান। এদিকে, এই মারামারির ঘটনায় জীবননগর থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে দুই পক্ষ। জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জীবননগর থানা-পুলিশসহ বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের প্রধান।
এ বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম জাবীদ হাসান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষই থানায় অভিযোগ করেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে কাঁচি চাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতিসহ আহত ১২

আপডেট সময় : ০২:০৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বাকা গ্রামে কাঁচি চাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারিতে ছাত্রলীগের সভাপতিসহ উভয় পক্ষের ১২জন আহত হয়েছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান তার কাচি চাইতে গেলে কয়েকজন মিলে তাকে মেরে জখম করে।পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্যে লিপ্ত হলে হতাহতের সূত্রপাত হয়।জানা যায়,মেহেদী হাসানের কাছ থেকে কয়েকদিন আগে একটি ধান কাটার কাঁচি নিয়েছিলো একই গ্রামের বাঁকা পূর্বপাড়ার মোঃ রাজীব মিয়ার ছেলে মোঃ রিফাত।সেই কাঁচি ফেরত না দেওয়ায় শনিবার সকালে মাঠে কাজে যাওয়ার সময় রিফাতের হাতে থাকা হাঁসুয়া কেড়ে নেয় হাসান। কাঁচি ফেরত না দিলে হাসুয়া দেবেন না বলে তাকে পাঠিয়ে দেয়।
রিফাত বাড়িতে যেয়ে জানালে বাড়ির মহিলারা এসে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। পরে হাসানের পরিবারের লোকজন ছুটে আসলে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারিবাধে। দুই পক্ষের মারামারিতে অন্তত ১২ জন আহত হয়।আহতরা হলেন- বাঁকা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান(২৫) তাঁর চাচা রহিম শেখের ছেলে ফিরোজ শেখ (৪২), তৌফিক (২৭), চাচা
হুমায়ুন শেখের ছেলে মো. ইমরান শেখ (১৮), তাঁর মা বেদানা খাতুন (৬০), আলাউদ্দিন শেখের ছেলে জাহাঙ্গীর শেখ (৫০) ও খোদাবক্স শেখের স্ত্রী রহিমা খাতুন।
এরমধ্যে তৌফিক ও জাহাঙ্গীর শেখের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ইমরান শেখ আহত অবস্থায় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
অপর পক্ষের রিফাতসহ তাঁর পরিবারের ফরজ আলী মন্ডলের ছেলে সেলিম, মনিরুল ইসলাম, বাবুল আক্তার ও তাঁর ছেলে সাব্বির আহত হয়েছেন। এর মধ্যে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেলিম ও মনিরুল ইসলাম ভর্তি রয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
হাসপাতালে ভর্তি সেলিম জানান, আমি বাড়ি ছিলাম। হঠাৎ এসে হাসানের পরিবারের লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে। এসময় মারামারি শুরু হয়। কাঁচি নিয়ে এর আগে সকালে হাসান ও রিফাতের ঝামেলা হয় বলে তিনি জানান। এদিকে, এই মারামারির ঘটনায় জীবননগর থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে দুই পক্ষ। জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জীবননগর থানা-পুলিশসহ বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের প্রধান।
এ বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম জাবীদ হাসান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষই থানায় অভিযোগ করেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।