ডা. মালিকের মৃত্যুতে এনডিপি’র শোক
- আপডেট সময় : ০৮:১৮:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩ ১২ বার পড়া হয়েছে

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, জাতীয় অধ্যাপক ডা. আব্দুল মালিকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি।
মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) এক শোকবার্তায় এনডিপি’র চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্তজা ও মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা যৌথ এক বিবৃতিতে বলেন, ডা. মালিক বাংলাদেশের হৃদরোগ চিকিৎসায় পথিকৃৎ ছিলেন। একাধারে তিনি ছিলেন একজন সফল চিকিৎসক, খ্যাতনামা শিক্ষক এবং সমাজসেবক। মানবহিতৈষী কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি নানাভাবে পুরষ্কৃত এবং প্রশংসিত হয়েছেন। বাংলাদেশে হৃদরোগ চিকিৎসার ক্ষেত্রে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
নেতৃবৃন্দ শোক বিবৃতিতে আরো বলেন, চিৎকসা সেবায় তাঁর অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।নেতৃবৃন্দ
আব্দুল মালিকের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০মিনিটে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে মৃত্যুবরণ করেন প্রথিতযশা এ চিকিৎসক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। আব্দুল মালিক ২০০৪ সালে স্বাধীনতা পদক পুরস্কার ও ২০০৬ সালে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নির্বাচিত হন।
হৃদরোগ চিকিৎসার এ পথিকৃৎ ১৯২৯ সালের ১ ডিসেম্বর সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কুচাই ইউনিয়নের পশ্চিমভাগ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ১৯৪৯ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৫৪ সালে নভেম্বর মাসে উত্তীর্ণ হন। ১৯৫৮ সালে তাকে সিএমএইচ (সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল) পেশোয়ারে কর্নেল আজমিরের কাছে মেডিকেল স্পেশালিস্টের যোগ্যতা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। এতে প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচিত হন। ১৯৬৩ সালে সরকার তাকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠায়। এরপর ১৯৬৪ সালে তিনি এমআরসিপি পাস করেন এবং হ্যামার স্মিথ হসপিটাল অ্যান্ড পোস্টগ্রাজুয়েট মেডিকেল স্কুল, লন্ডন থেকে কার্ডিওলজিতে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন।
আবদুল মালিকের স্ত্রী আশরাফুন্নেসা খাতুন। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন। তার মেয়ে ডা. ফজিলাতুন্নেছা মালিক ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট, ঢাকার কার্ডিলজি বিভাগের অধ্যাপক। তার ছেলে মো. মাসুদ মালিক একজন ব্যবসায়ী এবং অপর ছেলে মো. মনজুর মালিক বর্তমানে কানাডায় কর্মরত।






















