সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দেওয়ায় পুরস্কার পেলেন হাকিমপুরের আইরিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৩ ৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
বিয়ের ৯ বছর পর একসঙ্গে তিন সন্তান জন্ম দিলেন হাকিমপুর উপজেলার আইরিন আক্তার নামে এক প্রসূতি।

শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) ভোর আনুমানিক সাড়ে ছয়টার দিকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মিনহাজুল ইসলাম ও আইরিন দম্পতির কোলজুড়ে আসে দুই ছেলে ও এক মেয়ে।

এই ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান দিনাজপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দেবাশীস চৌধুরী। এসময় তিনি প্রসূতির পরিবারকে ফল ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারিতে প্রথম ছেলে সন্তানের জন্ম দেয় আইরিন আক্তার। পরে এক ছেলে সন্তান মারা গেলেও সুস্থ রয়েছে অপর দুই সন্তান।

মিনহাজুল এর বাবা সাইদুর রহমান বলেন, ২০১৩ সালে আমার ছেলে মিনহাজুল ইসলাম এর সাথে পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাদুরিয়া এলাকার আইরিন আক্তারের বিয়ে হয়। এতদিন সন্তান না হওয়ায় বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নেন তারা।

তিন সন্তানের নানি রুপা বেগম বলেন, ‘বিয়ের পর থেকে আমার মেয়ের সন্তান হচ্ছিল না। এতদিন পর তিন সন্তান হইছে। এক ছেলে মারা গেছে। আমরা চাই বাকি দুই সন্তান যেন সুস্থ স্বাভাবিক থাকে। আর আজকে দিনাজপুর জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ শাকিল আহমেদ এর পক্ষ থেকে এডিসি দেবাশীষ চৌধুরী হাসপাতালে এসে খোঁজ খবর নিয়েছেন এবং ফলমূল আর আর্থিক সহায়তা করলেন। এজন্য খুব ভালো লাগছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, তিন সন্তানের বাবা সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে থাকতেন। জেলা প্রসাশকের নির্দেশনা মোতাবেক তাদের প্রাথমিক সেবা-শুশ্রূষা ও দেখভালের জন্য আর্থিক সহায়তা ও ফলমূল দেওয়া হয়েছে। তাদের সার্বিক সহযোগিতায় জেলা প্রশাসন সবসময় পাশে আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দেওয়ায় পুরস্কার পেলেন হাকিমপুরের আইরিন

আপডেট সময় : ০৩:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৩

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
বিয়ের ৯ বছর পর একসঙ্গে তিন সন্তান জন্ম দিলেন হাকিমপুর উপজেলার আইরিন আক্তার নামে এক প্রসূতি।

শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) ভোর আনুমানিক সাড়ে ছয়টার দিকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মিনহাজুল ইসলাম ও আইরিন দম্পতির কোলজুড়ে আসে দুই ছেলে ও এক মেয়ে।

এই ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান দিনাজপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দেবাশীস চৌধুরী। এসময় তিনি প্রসূতির পরিবারকে ফল ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারিতে প্রথম ছেলে সন্তানের জন্ম দেয় আইরিন আক্তার। পরে এক ছেলে সন্তান মারা গেলেও সুস্থ রয়েছে অপর দুই সন্তান।

মিনহাজুল এর বাবা সাইদুর রহমান বলেন, ২০১৩ সালে আমার ছেলে মিনহাজুল ইসলাম এর সাথে পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাদুরিয়া এলাকার আইরিন আক্তারের বিয়ে হয়। এতদিন সন্তান না হওয়ায় বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নেন তারা।

তিন সন্তানের নানি রুপা বেগম বলেন, ‘বিয়ের পর থেকে আমার মেয়ের সন্তান হচ্ছিল না। এতদিন পর তিন সন্তান হইছে। এক ছেলে মারা গেছে। আমরা চাই বাকি দুই সন্তান যেন সুস্থ স্বাভাবিক থাকে। আর আজকে দিনাজপুর জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ শাকিল আহমেদ এর পক্ষ থেকে এডিসি দেবাশীষ চৌধুরী হাসপাতালে এসে খোঁজ খবর নিয়েছেন এবং ফলমূল আর আর্থিক সহায়তা করলেন। এজন্য খুব ভালো লাগছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, তিন সন্তানের বাবা সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে থাকতেন। জেলা প্রসাশকের নির্দেশনা মোতাবেক তাদের প্রাথমিক সেবা-শুশ্রূষা ও দেখভালের জন্য আর্থিক সহায়তা ও ফলমূল দেওয়া হয়েছে। তাদের সার্বিক সহযোগিতায় জেলা প্রশাসন সবসময় পাশে আছে।