২৫ মে ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন, ৭ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি, সোমবার, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ৪ নং দিওড় ইউনিয়নবাসী ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান আঃ মালেক মন্ডল ঈদ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পেলেন চুয়াডাঙ্গার ১ বন্দি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা সীমান্তে ৫টি স্বর্ণসহ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আটক ​তেঁতুলিয়ার শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্নের প্রতিবাদে মানববন্ধন বিরামপুরে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব জোতবানি ইউনিয়নে শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত, চরম মানবিক বিপর্যয় দর্শনায় ২ নারীসহ ৫ পলাতক আসামি গ্রেফতার পায়রা তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভুমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো পায়নি ক্ষতিপূরণ বরিশালে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের অভিযান ১৬৬ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বরিশালে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, প্রতারণার শিকার লিজা সিদ্দিক দম্পতি কাগজে ছুটিতে থাকলে বাস্তবে ছিলেন কারাগারে
চুয়াডাঙ্গায় স্বাভাবিক ডেলিভারিতে গৃহবধুর ৩ মেয়ে ও ১ ছেলেসহ ৪ শিশুর জন্ম, জন্মের আধা ঘন্টার মাথায় ছেলে শিশুর মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গায় স্বাভাবিক ডেলিভারিতে গৃহবধুর ৩ মেয়ে ও ১ ছেলেসহ ৪ শিশুর জন্ম, জন্মের আধা ঘন্টার মাথায় ছেলে শিশুর মৃত্যু

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গায় স্বাভাবিক ডেলিভারিতে এক গৃহবধু জন্ম দিয়েছে ৩ মেয়ে ও ১ ছেলেসহ ৪ শিশু। জন্মের আধা ঘন্টার মাথায় ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের ইমরান হোসেনের স্ত্রী তসলিমা খাতুনের(২৩) প্রসব বেদনা শুরু হলে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করা হয়।পরে
হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আকলিমা খাতুন সফল নরমাল ডেলিভারি করেন। জন্ম নেওয়া সন্তানদের বাবা ইমরান হোসেন বলেন, আরও দুই মাস পর বাচ্চা জন্ম নেওয়ার কথা ছিল। আজকে সকালে হঠাৎ আমার স্ত্রীর ব্যাথা উঠলে দ্রুত সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি। এ সময় নরমাল ডেলিভারিতে এক সঙ্গে চার শিশুর জন্ম হয়। যার মধ্যে তিনটি মেয়ে ও একটি ছেলে। জন্মের আধা ঘণ্টা পর ছেলে সন্তানটি মারা যায়। বর্তমানে মা সহ বাচ্চারা চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আকলিমা খাতুন বলেন, সকালে ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় ও অত্যন্ত প্রসব বেদনা নিয়ে তসলিমা হাসপাতালে আসে। এই রোগীর আগেও একটা বাচ্চা হয়েছে সিজারের মাধ্যমে। যে কারণে নরমাল ডেলিভারি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ছিলো তার জন্যে। এর পরও তার অবস্থা বুঝে আমরা খুব দ্রুত ডেলিভারির সিদ্ধান্ত নিই। এতে ৪ যমজ শিশু জন্ম নেয়। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। বাচ্চারা ও বাচ্চার মা আমাদের তত্ত্বাবধানে আছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019