সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব : প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৭:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অক্টোবর ২০২৩ ১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
জাতিসংঘের ৭৮তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান এবং যুক্তরাজ্য সফরের নানা দিক তুলে ধরতে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন- বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব।

বিকেলে গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিদেশ সফরের নানা দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন সরকারপ্রধান।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাকে বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব। ইলেকশনের পরে, যদি আসতে পারি, আবার করব। তারপর দেখি কে সাহস পায় নিতে… ক্ষমতা। সব রেডি করে দিয়েছি, এখন বসে বসে বড় বড় কথা বলে। আমি বাবা-মা সব হারিয়েছি। আমার হারাবার কিছু নেই। ১৫-১৬ বছর বয়স থেকে মিছিল করি। কত বছর হয়েছে রাজনীতির? একটা স্বপ্ন ছিল- জাতির পিতার, সেটা করেছি, এখন তো কেউ না খেয়ে থাকে না।

রিজার্ভ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যেসব আঁতেল, জ্ঞানীগুণী কথা বলেন। তারা কী জানেন, আমরা যখন ক্ষমতায় এসেছি, তখন রিজার্ভ কত ছিল। বাংলাদেশ কোথায় ছিল, কোথায় এনে দাঁড় করিয়েছি। যতটুকু রিজার্ভ প্রয়োজন, আমাদের আছে। আমাদের ভালো থাকা জরুরি, নাকি রিজার্ভটা দরকার বেশি। যদি বলে, তাহলে রিজার্ভ আগের জায়গায় এনে দেই। বিদ্যুৎকেন্দ্র-টেন্দ্র বন্ধ করে দেই।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাকে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন শেখাতে হবে না। কারণ বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলন সংগ্রাম আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই আমরা করেছি। আর সেই নির্বাচন হয়েছে বলেই জনগণ আমাদের বারবার ভোট দিয়েছে, আর একটানা আমরা ক্ষমতায় আছি বলেই, অর্থনৈতিক উন্নতিটা হয়েছে।’

সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের কিছু লোক নির্বাচন নিয়ে ‘একটু বেশি কথা’ বলে, সে কারণে বিদেশিরাও বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে কথা বলার সুযোগ পায়। দুর্ভাগ্য হলো সেটাই, যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে, জনগণের ভোট চুরি করে ক্ষমতায় থেকে দেশ পরিচালনা করেছে, সেই সময় নির্বাচনের সুষ্ঠতা নিয়ে তাদের (বিদেশিদের) উদ্বেগ দেখিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:২৭:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অক্টোবর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক
জাতিসংঘের ৭৮তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান এবং যুক্তরাজ্য সফরের নানা দিক তুলে ধরতে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন- বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব।

বিকেলে গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিদেশ সফরের নানা দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন সরকারপ্রধান।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাকে বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব। ইলেকশনের পরে, যদি আসতে পারি, আবার করব। তারপর দেখি কে সাহস পায় নিতে… ক্ষমতা। সব রেডি করে দিয়েছি, এখন বসে বসে বড় বড় কথা বলে। আমি বাবা-মা সব হারিয়েছি। আমার হারাবার কিছু নেই। ১৫-১৬ বছর বয়স থেকে মিছিল করি। কত বছর হয়েছে রাজনীতির? একটা স্বপ্ন ছিল- জাতির পিতার, সেটা করেছি, এখন তো কেউ না খেয়ে থাকে না।

রিজার্ভ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যেসব আঁতেল, জ্ঞানীগুণী কথা বলেন। তারা কী জানেন, আমরা যখন ক্ষমতায় এসেছি, তখন রিজার্ভ কত ছিল। বাংলাদেশ কোথায় ছিল, কোথায় এনে দাঁড় করিয়েছি। যতটুকু রিজার্ভ প্রয়োজন, আমাদের আছে। আমাদের ভালো থাকা জরুরি, নাকি রিজার্ভটা দরকার বেশি। যদি বলে, তাহলে রিজার্ভ আগের জায়গায় এনে দেই। বিদ্যুৎকেন্দ্র-টেন্দ্র বন্ধ করে দেই।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাকে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন শেখাতে হবে না। কারণ বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলন সংগ্রাম আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই আমরা করেছি। আর সেই নির্বাচন হয়েছে বলেই জনগণ আমাদের বারবার ভোট দিয়েছে, আর একটানা আমরা ক্ষমতায় আছি বলেই, অর্থনৈতিক উন্নতিটা হয়েছে।’

সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের কিছু লোক নির্বাচন নিয়ে ‘একটু বেশি কথা’ বলে, সে কারণে বিদেশিরাও বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে কথা বলার সুযোগ পায়। দুর্ভাগ্য হলো সেটাই, যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে, জনগণের ভোট চুরি করে ক্ষমতায় থেকে দেশ পরিচালনা করেছে, সেই সময় নির্বাচনের সুষ্ঠতা নিয়ে তাদের (বিদেশিদের) উদ্বেগ দেখিনি।