সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন

সিঙ্গাপুরে পাচারকারীদের ২০০ কোটি ডলার জব্দ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩ ৪৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া কঠোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানে এ পর্যন্ত ২৮০ কোটি সিঙ্গাপুরি ডলার (২০০ কোটি মার্কিন ডলার) সমমূল্যের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। গতকাল মঙ্গলবার পার্লামেন্টে এক প্রশ্নের জবাবে দেশটির স্বরাষ্ট্রবিষয়ক দ্বিতীয় মন্ত্রী জোসেফাইন টিও এ কথা জানান। খবর সিএনএ ও দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের।

মন্ত্রী বলেন, বড় বড় অপরাধীদের বিরুদ্ধেও যে কঠোর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে, এটি তারই প্রমাণ। সম্প্রতি গ্রেপ্তার ও তদন্তে এটাই প্রমাণিত হয়েছে, সিঙ্গাপুর সন্দেহজনক ব্যক্তি ও কর্মকাণ্ড শনাক্ত করতে সক্ষম। অর্থ পাচারবিরোধী ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় প্যানেল গঠন করা হচ্ছে বলেও জানান টিও।

এদিন পার্লামেন্টে আইনপ্রণেতাদের প্রায় ৬০টি প্রশ্নের জবাব দেন টিওসহ সরকারের তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তারা জানান, অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন অব্যাহত রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে—এমন প্রমাণ পেলে যে কোনো প্রতিষ্ঠান ও তার কর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টিও জানান, ২০২১ সালে বেশ কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সন্দেহভাজন লেনদেনের খবর পাওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নজরে রাখছে পুলিশ। চীনা কর্তৃপক্ষের চাপে অর্থ পাচারবিরোধী অভিযান শুরু হয় বলে যে কথা উঠেছে, তা নাকচ করে দেন তিনি। বলেন, এ দাবি অসত্য ও গুজব। সিঙ্গাপুরে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে—এমন সন্দেহ থেকে আমরা তদন্ত শুরু করেছিলাম। নিশ্চিত হওয়ার পর আমরা কাজ শুরু করি।

উল্লেখ্য, এর আগে গত আগস্টের মাঝামাঝি অভিযান চালিয়ে ১০ বিদেশিকে গ্রেপ্তার করে সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ। সে সময় জব্দ করা হয় বিলাসবহুল সম্পত্তি, গাড়ি, স্বর্ণের বার, ডিজাইনার হ্যান্ডব্যাগ এবং প্রায় ১০০ কোটি সিঙ্গাপুরি ডলার মূল্যের গহনা। সে সময় গ্রেপ্তার হওয়া বিদেশিদের বয়স ৩১ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে। তারা চীন, তুরস্ক, সাইপ্রাস, কলম্বিয়া, কম্বোডিয়া এবং ভানুয়াতুর নাগরিক। এরপর তদন্তের অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরে ৯৪টি প্রপার্টি এবং ৫০টি যানবাহনের বিরুদ্ধে নিষ্পত্তি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় বেশ কিছু স্বর্ণালংকার, পানীয় ও মদের বোতলের ওপর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সিঙ্গাপুরে পাচারকারীদের ২০০ কোটি ডলার জব্দ

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক
সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া কঠোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানে এ পর্যন্ত ২৮০ কোটি সিঙ্গাপুরি ডলার (২০০ কোটি মার্কিন ডলার) সমমূল্যের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। গতকাল মঙ্গলবার পার্লামেন্টে এক প্রশ্নের জবাবে দেশটির স্বরাষ্ট্রবিষয়ক দ্বিতীয় মন্ত্রী জোসেফাইন টিও এ কথা জানান। খবর সিএনএ ও দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের।

মন্ত্রী বলেন, বড় বড় অপরাধীদের বিরুদ্ধেও যে কঠোর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে, এটি তারই প্রমাণ। সম্প্রতি গ্রেপ্তার ও তদন্তে এটাই প্রমাণিত হয়েছে, সিঙ্গাপুর সন্দেহজনক ব্যক্তি ও কর্মকাণ্ড শনাক্ত করতে সক্ষম। অর্থ পাচারবিরোধী ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় প্যানেল গঠন করা হচ্ছে বলেও জানান টিও।

এদিন পার্লামেন্টে আইনপ্রণেতাদের প্রায় ৬০টি প্রশ্নের জবাব দেন টিওসহ সরকারের তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তারা জানান, অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন অব্যাহত রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে—এমন প্রমাণ পেলে যে কোনো প্রতিষ্ঠান ও তার কর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টিও জানান, ২০২১ সালে বেশ কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সন্দেহভাজন লেনদেনের খবর পাওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নজরে রাখছে পুলিশ। চীনা কর্তৃপক্ষের চাপে অর্থ পাচারবিরোধী অভিযান শুরু হয় বলে যে কথা উঠেছে, তা নাকচ করে দেন তিনি। বলেন, এ দাবি অসত্য ও গুজব। সিঙ্গাপুরে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে—এমন সন্দেহ থেকে আমরা তদন্ত শুরু করেছিলাম। নিশ্চিত হওয়ার পর আমরা কাজ শুরু করি।

উল্লেখ্য, এর আগে গত আগস্টের মাঝামাঝি অভিযান চালিয়ে ১০ বিদেশিকে গ্রেপ্তার করে সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ। সে সময় জব্দ করা হয় বিলাসবহুল সম্পত্তি, গাড়ি, স্বর্ণের বার, ডিজাইনার হ্যান্ডব্যাগ এবং প্রায় ১০০ কোটি সিঙ্গাপুরি ডলার মূল্যের গহনা। সে সময় গ্রেপ্তার হওয়া বিদেশিদের বয়স ৩১ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে। তারা চীন, তুরস্ক, সাইপ্রাস, কলম্বিয়া, কম্বোডিয়া এবং ভানুয়াতুর নাগরিক। এরপর তদন্তের অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরে ৯৪টি প্রপার্টি এবং ৫০টি যানবাহনের বিরুদ্ধে নিষ্পত্তি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় বেশ কিছু স্বর্ণালংকার, পানীয় ও মদের বোতলের ওপর।