সংবাদ শিরোনাম ::
সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প

পুলিশ সুপারের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় সানজিদা আক্তার ফিরে পেল তার সুখের সংসার ছোট্ট স্বর্ণা পেল পিতৃস্নেহ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুন ২০২২ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

চুয়াডাঙ্গা’র দামুড়হুদা থানাধীন দলিয়ারপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম এর কন্যা মোছাঃ সানজিদা আক্তার (২৪), এর সাথে একই থানাধীন কলাবাড়ী গ্রামের মোঃ আব্দুল মজিদ এর ছেলে মোঃ রবিউল হাসান (৩০) সাথে বিগত ০৪ বছর পূর্বে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ১টি কন্যা সন্তান মোছাঃ সুজনা আক্তার স্বর্ণা রয়েছে। বিয়ের পর থেকে সাঞ্জিদা আক্তারকে তার স্বামী কারণে-অকারণে মারধর করত। সাঞ্জিদা আক্তার তার সন্তানের কথা চিন্তা করে সব কষ্ট সহ্য করতে থাকে। একপর্যায়ে রবিউল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন সানজিদা আক্তারের নিকট ০১ লক্ষ্য টাকা যৌতুক দাবী করেন। সানজিদা আক্তার উক্ত যৌতুকের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার স্বামী রবিউল হোসেন সানজিদা আক্তারকে ও তার ভাই মোঃ সোহরাব হোসেন কে মারপিট করে।

সানজিদা আক্তার তার স্বামী সংসার ফিরে পাওয়ার জন্য মানবিক পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মহোদয় উক্ত অভিযোগটি তার কার্যালয়ে অবস্থিত “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এর মাধ্যমে অদ্য ০৬.০৬.২০২২ খ্রিঃ উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে মানবিক পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বিপিএম সেবা এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় সানজিদা আক্তার ও রবিউল ইসলাম সব বিবাদ ভুলে তাদের একমাত্র কন্যা সন্তানদের নিয়ে সুখে শান্তিতে সংসার করতে সম্মত হয়। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সানজিদা আক্তার ফিরে পেল তার সুখের সংসার, ছোট্ট শিশু স্বর্ণা ফিরো পেলো পিতৃস্নেহ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পুলিশ সুপারের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় সানজিদা আক্তার ফিরে পেল তার সুখের সংসার ছোট্ট স্বর্ণা পেল পিতৃস্নেহ

আপডেট সময় : ১২:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুন ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স

চুয়াডাঙ্গা’র দামুড়হুদা থানাধীন দলিয়ারপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম এর কন্যা মোছাঃ সানজিদা আক্তার (২৪), এর সাথে একই থানাধীন কলাবাড়ী গ্রামের মোঃ আব্দুল মজিদ এর ছেলে মোঃ রবিউল হাসান (৩০) সাথে বিগত ০৪ বছর পূর্বে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ১টি কন্যা সন্তান মোছাঃ সুজনা আক্তার স্বর্ণা রয়েছে। বিয়ের পর থেকে সাঞ্জিদা আক্তারকে তার স্বামী কারণে-অকারণে মারধর করত। সাঞ্জিদা আক্তার তার সন্তানের কথা চিন্তা করে সব কষ্ট সহ্য করতে থাকে। একপর্যায়ে রবিউল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন সানজিদা আক্তারের নিকট ০১ লক্ষ্য টাকা যৌতুক দাবী করেন। সানজিদা আক্তার উক্ত যৌতুকের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার স্বামী রবিউল হোসেন সানজিদা আক্তারকে ও তার ভাই মোঃ সোহরাব হোসেন কে মারপিট করে।

সানজিদা আক্তার তার স্বামী সংসার ফিরে পাওয়ার জন্য মানবিক পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মহোদয় উক্ত অভিযোগটি তার কার্যালয়ে অবস্থিত “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এর মাধ্যমে অদ্য ০৬.০৬.২০২২ খ্রিঃ উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে মানবিক পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বিপিএম সেবা এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় সানজিদা আক্তার ও রবিউল ইসলাম সব বিবাদ ভুলে তাদের একমাত্র কন্যা সন্তানদের নিয়ে সুখে শান্তিতে সংসার করতে সম্মত হয়। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সানজিদা আক্তার ফিরে পেল তার সুখের সংসার, ছোট্ট শিশু স্বর্ণা ফিরো পেলো পিতৃস্নেহ।