সংবাদ শিরোনাম ::
সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প

ভারত থেকে বাংলাদেশে একটি ট্রাক আসতে লাগে ৫৫ স্বাক্ষর: বিশ্বব্যাংক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল ২০২২ ১০৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

ব্যাপক সংযোগ পরিকল্পনা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন সত্ত্বেও সমন্বয়ের দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো পিছিয়ে আছে। বিশ্বের সর্বনিম্ন সমন্বিত অঞ্চল হিসেবে রয়ে গেছে দক্ষিণ এশিয়া। এর বড় উদাহরণ একটি ট্রাককে ভারত থেকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আসতে ১৩৮ ঘণ্টা সময় লাগে এবং ২২টি নথি ও ৫৫টি স্বাক্ষরের প্রয়োজন হয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য প্রিন্টকে এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন বিশ্বব্যাংকের রিজিওনাল ইন্টিগ্রেশন অ্যান্ড এনগেজমেন্ট ইন সাউথ এশিয়া রিজিয়নের (এসএআর) পরিচালক সিসিল ফ্রুম্যান। তিনি জানান, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে তাদের বৈদেশিক মোট বাণিজ্যের মাত্র ৫ শতাংশ সংঘটিত হয়। তবে এটা ২০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। বৃহত্তর সমন্বয় এবং নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ থাকলে আন্তঃবাণিজ্য আরও আনুমানিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার বাড়তে পারে।

ভারত সফররত ফ্রুম্যান আরও বলেন, তুলনামূলকভাবে আন্তঃআঞ্চলিক বাণিজ্যে দক্ষিণ-পূর্ব দেশগুলোর জোট আসিয়ান এগিয়ে। ১০ সদস্যের আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে তাদের মোট বাণিজ্যের ২২ শতাংশ হয়। অন্যদিকে ২৭ সদস্যের ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে এই হার ৬০ শতাংশ। তিনি বলেন, বৃহত্তর সমন্বয় সমৃদ্ধির একটি উৎস।

দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের মধ্যে গৃহীত কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে ফ্রুম্যান বলেন, বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল (বিবিআইএন) মোটর যানবাহন চুক্তি (এমভিএ) স্বাক্ষর এই অঞ্চলে নির্বিঘ্ন সংযোগ অর্জনের মূল চাবিকাঠি। এটা কার্যকর হলে ভারতের জাতীয় আয় ৭ দশমিক ৬ শতাংশ এবং বাংলাদেশের আয় ১৬ দশমিক ৬ ভাগ বেড়ে যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভারত থেকে বাংলাদেশে একটি ট্রাক আসতে লাগে ৫৫ স্বাক্ষর: বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল ২০২২

অনলাইন ডেস্ক

ব্যাপক সংযোগ পরিকল্পনা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন সত্ত্বেও সমন্বয়ের দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো পিছিয়ে আছে। বিশ্বের সর্বনিম্ন সমন্বিত অঞ্চল হিসেবে রয়ে গেছে দক্ষিণ এশিয়া। এর বড় উদাহরণ একটি ট্রাককে ভারত থেকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আসতে ১৩৮ ঘণ্টা সময় লাগে এবং ২২টি নথি ও ৫৫টি স্বাক্ষরের প্রয়োজন হয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য প্রিন্টকে এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন বিশ্বব্যাংকের রিজিওনাল ইন্টিগ্রেশন অ্যান্ড এনগেজমেন্ট ইন সাউথ এশিয়া রিজিয়নের (এসএআর) পরিচালক সিসিল ফ্রুম্যান। তিনি জানান, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে তাদের বৈদেশিক মোট বাণিজ্যের মাত্র ৫ শতাংশ সংঘটিত হয়। তবে এটা ২০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। বৃহত্তর সমন্বয় এবং নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ থাকলে আন্তঃবাণিজ্য আরও আনুমানিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার বাড়তে পারে।

ভারত সফররত ফ্রুম্যান আরও বলেন, তুলনামূলকভাবে আন্তঃআঞ্চলিক বাণিজ্যে দক্ষিণ-পূর্ব দেশগুলোর জোট আসিয়ান এগিয়ে। ১০ সদস্যের আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে তাদের মোট বাণিজ্যের ২২ শতাংশ হয়। অন্যদিকে ২৭ সদস্যের ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে এই হার ৬০ শতাংশ। তিনি বলেন, বৃহত্তর সমন্বয় সমৃদ্ধির একটি উৎস।

দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের মধ্যে গৃহীত কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে ফ্রুম্যান বলেন, বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল (বিবিআইএন) মোটর যানবাহন চুক্তি (এমভিএ) স্বাক্ষর এই অঞ্চলে নির্বিঘ্ন সংযোগ অর্জনের মূল চাবিকাঠি। এটা কার্যকর হলে ভারতের জাতীয় আয় ৭ দশমিক ৬ শতাংশ এবং বাংলাদেশের আয় ১৬ দশমিক ৬ ভাগ বেড়ে যেতে পারে।