সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

ডিবি পুলিশ কনস্টেবল মাইনুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ মার্চ ২০২২ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

Exif_JPEG_420

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ৭ই মার্চ বরিশালের বৈদ্যপাড়া সড়কের একটি ভাড়া বাসা থেকে সাদিয়া সাথি(২৪)নামের বিসিএস পরিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই সাদিয়ার স্বামী বরিশাল জেলা ডিবির কনস্টেবল মাইনুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় প্রথম থেকেই নিহত সাদিয়ার পরিবার স্বামী কনস্টেবল মাইনুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে শাস্তি দাবী করে আসছেন। ৮ই মার্চ বরিশাল মেট্রপলিটন কোতয়ালী থানায় সাদিয়ার বাবা মাইনুল ইসলামকে আসামী করে একটি এজাহার দায়ের করেন। ঘটনার ৭দিন পার হলেও ওই এজাহার নথীভুক্ত করেনি পুলিশ।
নিহত সাদিয়ার বাবা বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা সিরাজুল হক মৃধা পুলিশ কনস্টেবল মাইনুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেন।
রবিবার(১৩ই মার্চ) সকাল ১১টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব হল রুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা আবগত আছেন যে, ৭ই মার্চ আমার মেধাবী কন্যা সাদিয়া সাথির নিথর দেহ বৈদ্য পাড়ার একটি ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাদিয়ার স্বামী বরিশাল জেলা পুলিশের কনস্টেবল প্রতারক মাইনুল ইসলাম সে দিন থেকেই পলাতক রয়েছে। আমাদের পরিবারের কারো সাথে সে যোগাযোগ করেনি। আপনারা সাদিয়ার ডায়েরি ঘেটে জানতে পেরেছেন পুলিশ কনস্টেবল মাইনুল ইসলাম একজন প্রতারক। সে কনস্টেবল হয়েও এসআই পরিচয়ে আমার মেয়েটিকে মিথ্যা বলে বিয়ে করেছে। তার আগেও একটি বিয়ে ছিলো ,দুটি সন্তানও রয়েছে। সব কিছুই সে গোপন করেছে। যখন তার প্রতারনার কথা সাদিয়া জানতে পারে তখন থেকেই মাইনুল অগ্নিরুপ ধারণ করে। দিনের পর দিন অত্যাচার করে আমার মেয়েটিকে। এছাড়াও সে আমার মেয়েকে চাকুরি দেয়ার কথা বলে স্বর্ণালংকার ও ১৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে(যাহার ৮লক্ষ টাকা ফেরত দিলেও বাকি ৫ লক্ষ টাকা ফেরত দেয়নি)। যার কিছুটা মৃত্যুর আগে সাদিয়া ডায়েরিতে লিখে গিয়েছে। আমি মনে করি আমার মেয়েকে প্রতারক মাইনুল হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার কথা প্রচার করেছে। ঘটনার দিন সবাইকে মাইনুল নিজেই ফোন করে সাদিয়ার মৃত্যুর কথা জানিয়েছিলো। যদি মাইনুল সেখানে না থাকতো তাহলে কিভাবে জানলো সাদিয়া মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় মাইনুলকে অভিযুক্ত করে আমরা মেট্রপলিটন কোতয়ালী থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছি। কিন্ত দূঃখের বিষয় মাইনুল পুলিস সদস্য হওয়ায় এজাহারটি ৭ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো নথিভুক্ত করা হয়নি। এমনকি পুলিশ এখনও মাইনুলকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও প্রকাশ্যে আনেনি। অথচ আমরা জানতে পেরেছি পুলিশ হাসপাতালে মাইনুলকে আত্মগোপনে রাখা হয়েছে। ঘটনার এতদিনেও পুলিশের কোন লোক আমাদের খবর নেয়নি। আমার মেয়ে হারিয়েছি । মেয়ের এ ধরনের মৃত্যু কতটা কষ্টের তা আপনাদের বোঝাতে পারবো না। আমি পুলিশ-প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করে ন্যায় বিচার কামনা করছি। আমি ও আমার পরিবার সাদিয়া হত্যার বিচার চাই, প্রতারক ও হত্যাকারি মাইনুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। সর্বপরি সাদিয়া হত্যায় জড়িত প্রতারক বরিশাল জেলা ডিবি পুলিশের কনস্টেবল মাইনুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি’।
এসময় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, কোতায়ালী থানার ওসি আমাকে গত ৫দিন যাবৎ বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরাচ্ছেন। অথচ মামলাটি নথীভুক্ত করছেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডিবি পুলিশ কনস্টেবল মাইনুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

আপডেট সময় : ০৫:১৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ মার্চ ২০২২

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ৭ই মার্চ বরিশালের বৈদ্যপাড়া সড়কের একটি ভাড়া বাসা থেকে সাদিয়া সাথি(২৪)নামের বিসিএস পরিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই সাদিয়ার স্বামী বরিশাল জেলা ডিবির কনস্টেবল মাইনুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় প্রথম থেকেই নিহত সাদিয়ার পরিবার স্বামী কনস্টেবল মাইনুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে শাস্তি দাবী করে আসছেন। ৮ই মার্চ বরিশাল মেট্রপলিটন কোতয়ালী থানায় সাদিয়ার বাবা মাইনুল ইসলামকে আসামী করে একটি এজাহার দায়ের করেন। ঘটনার ৭দিন পার হলেও ওই এজাহার নথীভুক্ত করেনি পুলিশ।
নিহত সাদিয়ার বাবা বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা সিরাজুল হক মৃধা পুলিশ কনস্টেবল মাইনুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেন।
রবিবার(১৩ই মার্চ) সকাল ১১টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব হল রুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা আবগত আছেন যে, ৭ই মার্চ আমার মেধাবী কন্যা সাদিয়া সাথির নিথর দেহ বৈদ্য পাড়ার একটি ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাদিয়ার স্বামী বরিশাল জেলা পুলিশের কনস্টেবল প্রতারক মাইনুল ইসলাম সে দিন থেকেই পলাতক রয়েছে। আমাদের পরিবারের কারো সাথে সে যোগাযোগ করেনি। আপনারা সাদিয়ার ডায়েরি ঘেটে জানতে পেরেছেন পুলিশ কনস্টেবল মাইনুল ইসলাম একজন প্রতারক। সে কনস্টেবল হয়েও এসআই পরিচয়ে আমার মেয়েটিকে মিথ্যা বলে বিয়ে করেছে। তার আগেও একটি বিয়ে ছিলো ,দুটি সন্তানও রয়েছে। সব কিছুই সে গোপন করেছে। যখন তার প্রতারনার কথা সাদিয়া জানতে পারে তখন থেকেই মাইনুল অগ্নিরুপ ধারণ করে। দিনের পর দিন অত্যাচার করে আমার মেয়েটিকে। এছাড়াও সে আমার মেয়েকে চাকুরি দেয়ার কথা বলে স্বর্ণালংকার ও ১৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে(যাহার ৮লক্ষ টাকা ফেরত দিলেও বাকি ৫ লক্ষ টাকা ফেরত দেয়নি)। যার কিছুটা মৃত্যুর আগে সাদিয়া ডায়েরিতে লিখে গিয়েছে। আমি মনে করি আমার মেয়েকে প্রতারক মাইনুল হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার কথা প্রচার করেছে। ঘটনার দিন সবাইকে মাইনুল নিজেই ফোন করে সাদিয়ার মৃত্যুর কথা জানিয়েছিলো। যদি মাইনুল সেখানে না থাকতো তাহলে কিভাবে জানলো সাদিয়া মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় মাইনুলকে অভিযুক্ত করে আমরা মেট্রপলিটন কোতয়ালী থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছি। কিন্ত দূঃখের বিষয় মাইনুল পুলিস সদস্য হওয়ায় এজাহারটি ৭ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো নথিভুক্ত করা হয়নি। এমনকি পুলিশ এখনও মাইনুলকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও প্রকাশ্যে আনেনি। অথচ আমরা জানতে পেরেছি পুলিশ হাসপাতালে মাইনুলকে আত্মগোপনে রাখা হয়েছে। ঘটনার এতদিনেও পুলিশের কোন লোক আমাদের খবর নেয়নি। আমার মেয়ে হারিয়েছি । মেয়ের এ ধরনের মৃত্যু কতটা কষ্টের তা আপনাদের বোঝাতে পারবো না। আমি পুলিশ-প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করে ন্যায় বিচার কামনা করছি। আমি ও আমার পরিবার সাদিয়া হত্যার বিচার চাই, প্রতারক ও হত্যাকারি মাইনুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। সর্বপরি সাদিয়া হত্যায় জড়িত প্রতারক বরিশাল জেলা ডিবি পুলিশের কনস্টেবল মাইনুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি’।
এসময় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, কোতায়ালী থানার ওসি আমাকে গত ৫দিন যাবৎ বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরাচ্ছেন। অথচ মামলাটি নথীভুক্ত করছেন না।