সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

দিল্লিতে সব বেসরকারি অফিস বন্ধ, বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বে করোনাভাইরাস মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটির রাজধানী দিল্লিতে প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এ পরিস্থিতিতে সামগ্রিক লকডাউনের পথে না গিয়েও ক্রমশ কড়াকড়ির পথে হাঁটছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দিল্লি সরকার। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পানশালায় বসে পানভোজন বন্ধ করার পর এবার রাজধানীতে বন্ধ হতে চলেছে সব বেসরকারি কার্যালয়। কর্মীরা বাড়িতে বসেই সারবেন অফিসের কাজ। এমন নির্দেশনা জারি করা হয়ছে। জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকে অবশ্য ছাড় দিয়েছে ‘দিল্লি ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (ডিডিএমএ)’।

এতদিন ৫০ শতাংশ উপস্থিতি নিয়ে চালু ছিল সরকারি ও বেসরকারি অফিস। এবার সেই নিয়মে বদল আনল ডিডিএমএ। নয়া নির্দেশিকায় সব বেসরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ওই সমস্ত অফিসের ১০০ শতাংশ কর্মী বাড়ি থেকে কাজ করবেন। প্রত্যাশিতভাবেই জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে এই নিয়মের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমিক্রন-সংক্রমণ মোকাবিলায় সোমবারই বন্ধ হয়েছিল দিল্লির রেস্তোরাঁ, হোটেলে বসে খাওয়া-দাওয়া। বলা হয়েছিল, খাবার কিনে তা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে খেতে হবে। চালু থাকবে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা।

রাজধানী দিল্লিতে সোমবার ১৯ হাজারের বেশি নতুন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। যা রোববারের (২২ হাজার ৭৫১) তুলনায় খানিকটা কম হলেও সামগ্রিক বিচারে প্রচুর। সোমবার রাজধানীতে সংক্রমণের হার ছিল ২৫ শতাংশ। যা গত ৫ মে’র পর সর্বোচ্চ। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ১৭ জন করোনা রোগীর মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি দিল্লি সরকার।

দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন বলেন, ‘আগামী দুই-একদিনের মধ্যেই শহরে সংক্রমণ চূড়ায় পৌঁছবে। এমনও হতে পারে, আমরা বর্তমানে সংক্রমণের চূড়াতেই অবস্থান করছি। তারপর থেকে ক্রমশ নামবে সংক্রমণ।’ এই পরিস্থিতিতে নয়া নির্দেশিকা জারি করেই সংক্রমণ মোকাবিলার পথে যাচ্ছে দিল্লি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দিল্লিতে সব বেসরকারি অফিস বন্ধ, বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৯:৪১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বে করোনাভাইরাস মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটির রাজধানী দিল্লিতে প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এ পরিস্থিতিতে সামগ্রিক লকডাউনের পথে না গিয়েও ক্রমশ কড়াকড়ির পথে হাঁটছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দিল্লি সরকার। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পানশালায় বসে পানভোজন বন্ধ করার পর এবার রাজধানীতে বন্ধ হতে চলেছে সব বেসরকারি কার্যালয়। কর্মীরা বাড়িতে বসেই সারবেন অফিসের কাজ। এমন নির্দেশনা জারি করা হয়ছে। জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকে অবশ্য ছাড় দিয়েছে ‘দিল্লি ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (ডিডিএমএ)’।

এতদিন ৫০ শতাংশ উপস্থিতি নিয়ে চালু ছিল সরকারি ও বেসরকারি অফিস। এবার সেই নিয়মে বদল আনল ডিডিএমএ। নয়া নির্দেশিকায় সব বেসরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ওই সমস্ত অফিসের ১০০ শতাংশ কর্মী বাড়ি থেকে কাজ করবেন। প্রত্যাশিতভাবেই জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে এই নিয়মের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমিক্রন-সংক্রমণ মোকাবিলায় সোমবারই বন্ধ হয়েছিল দিল্লির রেস্তোরাঁ, হোটেলে বসে খাওয়া-দাওয়া। বলা হয়েছিল, খাবার কিনে তা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে খেতে হবে। চালু থাকবে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা।

রাজধানী দিল্লিতে সোমবার ১৯ হাজারের বেশি নতুন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। যা রোববারের (২২ হাজার ৭৫১) তুলনায় খানিকটা কম হলেও সামগ্রিক বিচারে প্রচুর। সোমবার রাজধানীতে সংক্রমণের হার ছিল ২৫ শতাংশ। যা গত ৫ মে’র পর সর্বোচ্চ। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ১৭ জন করোনা রোগীর মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি দিল্লি সরকার।

দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন বলেন, ‘আগামী দুই-একদিনের মধ্যেই শহরে সংক্রমণ চূড়ায় পৌঁছবে। এমনও হতে পারে, আমরা বর্তমানে সংক্রমণের চূড়াতেই অবস্থান করছি। তারপর থেকে ক্রমশ নামবে সংক্রমণ।’ এই পরিস্থিতিতে নয়া নির্দেশিকা জারি করেই সংক্রমণ মোকাবিলার পথে যাচ্ছে দিল্লি।