সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

গাছ বড় হলেও মুকুল না আসায় নার্সারি মালিককে কুপিয়ে জখম::-

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মো: জাকিরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার ::-

বছর তিনেক আগে আতিয়ার রহমান লাবুর নার্সারি থেকে বেশকিছু আম গাছের চারা কিনেছিলেন কলম হোসেন নামে এক ব্যক্তি। গাছগুলো বড় হলেও আমের মুকুল না আসায় নার্সারি মালিক আতিয়ার রহমানকে কুপিয়ে জখম করেছেন কলম হোসেন।

মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদা উপজেলার বড়দুধপাতিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত আতিয়ার রহমানকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আহত আতিয়ার রহমান লাবু (৩৮) উপজেলার বড় দুধপাতিলা গ্রামের মৃত দাউদ হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আতিয়ার রহমান দামুড়হুদা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার বড় দুধপাতিলা গ্রামের আতিয়ার রহমান দীর্ঘদিন যাবত নার্সারির ব্যবসা করে আসছেন। সেই নার্সারি থেকে বছর তিনেক আগে এলাকার মৃত ইলিয়াস মিস্ত্রীর ছেলে কলম হোসেন বেশকিছু আম গাছের চারা ক্রয় করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর নার্সারি মালিক আতিয়ার রহমানের সঙ্গে দেখা হয় কলম বিশ্বাসের। আম গাছ বড় হলেও এখনো কেন আমের মুকুল আসেনি জিজ্ঞাসা করেন এবং গাছ ফেরত দিতে চাইলে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে উত্তেজিত হয়ে কলম হোসেনসহ কয়েকজন আতিয়ার রহমানকে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে রামদা দিয়ে আতিয়ার রহমানের মাথায় কোপ দেন কলম হোসেন। পরে স্থানীয়রা আতিয়ার রহমানকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের নিয়ে যান।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উৎপলা বিশ্বাস বলেন, আতিয়ার রহমানের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের জখম আছে। ক্ষতস্থানে পাঁচটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের আলামত পাওয়া গেছে। তবে তার অবস্থা শঙ্কামুক্ত। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, এ ঘটনায় রাতেই ভুক্তভোগী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাছ বড় হলেও মুকুল না আসায় নার্সারি মালিককে কুপিয়ে জখম::-

আপডেট সময় : ০৩:২৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২১

মো: জাকিরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার ::-

বছর তিনেক আগে আতিয়ার রহমান লাবুর নার্সারি থেকে বেশকিছু আম গাছের চারা কিনেছিলেন কলম হোসেন নামে এক ব্যক্তি। গাছগুলো বড় হলেও আমের মুকুল না আসায় নার্সারি মালিক আতিয়ার রহমানকে কুপিয়ে জখম করেছেন কলম হোসেন।

মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদা উপজেলার বড়দুধপাতিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত আতিয়ার রহমানকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আহত আতিয়ার রহমান লাবু (৩৮) উপজেলার বড় দুধপাতিলা গ্রামের মৃত দাউদ হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আতিয়ার রহমান দামুড়হুদা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার বড় দুধপাতিলা গ্রামের আতিয়ার রহমান দীর্ঘদিন যাবত নার্সারির ব্যবসা করে আসছেন। সেই নার্সারি থেকে বছর তিনেক আগে এলাকার মৃত ইলিয়াস মিস্ত্রীর ছেলে কলম হোসেন বেশকিছু আম গাছের চারা ক্রয় করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর নার্সারি মালিক আতিয়ার রহমানের সঙ্গে দেখা হয় কলম বিশ্বাসের। আম গাছ বড় হলেও এখনো কেন আমের মুকুল আসেনি জিজ্ঞাসা করেন এবং গাছ ফেরত দিতে চাইলে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে উত্তেজিত হয়ে কলম হোসেনসহ কয়েকজন আতিয়ার রহমানকে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে রামদা দিয়ে আতিয়ার রহমানের মাথায় কোপ দেন কলম হোসেন। পরে স্থানীয়রা আতিয়ার রহমানকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের নিয়ে যান।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উৎপলা বিশ্বাস বলেন, আতিয়ার রহমানের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের জখম আছে। ক্ষতস্থানে পাঁচটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের আলামত পাওয়া গেছে। তবে তার অবস্থা শঙ্কামুক্ত। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, এ ঘটনায় রাতেই ভুক্তভোগী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।