সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

সালিশে ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে মারধরে গ্রাম পুলিশ নিহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২১ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় সালিশে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানের নির্দেশে এক গ্রাম পুলিশের মারধরে পরিমল দাস (৪৫) নামে আরেক গ্রাম পুলিশ নিহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গ্রাম পুলিশ উমেশ দাস, তার ভাই শ্যামল দাস ও সুভাষ দাসকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের চন্দনপুর পূর্ব পাড়ার গ্রাম পুলিশ পরিমলের সঙ্গে তার চাচাতো ভাই উমেশ, সুভাষ ও শ্যামলের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে শনিবার চন্দনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহসানউল্লাহ মাস্টার পরিমল দাসকে ডেকে পাঠান সালিশে উপস্থিত থাকার জন্য।

সালিশে উপস্থিত হয়ে মামলা চলমান এ বিষয়টি চেয়ারম্যানকে বলার চেষ্টা করেন এবং জমির বিরোধের বিষয়ে কথা বলতে থাকেন পরিমল। এসময় চেয়ারম্যান পরিমলকে গালাগালি শুরু করেন এবং অপর গ্রাম পুলিশ উমেশকে নির্দেশ দেন তাকে মারধোর করতে। পরে উমেশ তাকে চড়থাপ্পড় ও লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এতে পরিমল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ফলো করুন-
পরিমলের ভাই বিমল দাস বলেন, জমি নিয়ে আমাদের সঙ্গে উমেশ, শ্যামল ও সুভাষের দ্বন্দ্ব ছিল। এ ঘটনায় আদালতে মামলা চলমান। এরমধ্যে শনিবার সকালে হঠাৎ করে পরিমলকে সালিশে যেতে বলেন চেয়ারম্যান আহসানউল্লাহ।

বিমল বলেন, সালিশে আমার ভাই দলিল নিয়ে কথা বলার সময় চেয়ারম্যান হয়ে পড়েন উত্তেজিত। তিনি ভাইকে গালমন্দ করেন এবং গ্রাম পুলিশ উমেশকে নির্দেশ দেন তাকে মারধর করতে। এরপরই শুরু হয় চড়থাপ্পড় ও লাঠির আঘাত।

চেয়ারম্যান আহসানউল্লাহ বলেন, আমি তাকে মারার নির্দেশ দিইনি। তিনি তর্ক করছিলেন, আমি ধমক দিয়েছি। মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। পরিমল কথা বলার সময় হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পড়ে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের বৈঠকে পরিমল নামে একজনকে চড়থাপ্পড় ও লাঠি দিয়ে পেটানো হয়েছে বলে শুনেছি। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সালিশে ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে মারধরে গ্রাম পুলিশ নিহত

আপডেট সময় : ০৩:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় সালিশে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানের নির্দেশে এক গ্রাম পুলিশের মারধরে পরিমল দাস (৪৫) নামে আরেক গ্রাম পুলিশ নিহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গ্রাম পুলিশ উমেশ দাস, তার ভাই শ্যামল দাস ও সুভাষ দাসকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের চন্দনপুর পূর্ব পাড়ার গ্রাম পুলিশ পরিমলের সঙ্গে তার চাচাতো ভাই উমেশ, সুভাষ ও শ্যামলের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে শনিবার চন্দনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহসানউল্লাহ মাস্টার পরিমল দাসকে ডেকে পাঠান সালিশে উপস্থিত থাকার জন্য।

সালিশে উপস্থিত হয়ে মামলা চলমান এ বিষয়টি চেয়ারম্যানকে বলার চেষ্টা করেন এবং জমির বিরোধের বিষয়ে কথা বলতে থাকেন পরিমল। এসময় চেয়ারম্যান পরিমলকে গালাগালি শুরু করেন এবং অপর গ্রাম পুলিশ উমেশকে নির্দেশ দেন তাকে মারধোর করতে। পরে উমেশ তাকে চড়থাপ্পড় ও লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এতে পরিমল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ফলো করুন-
পরিমলের ভাই বিমল দাস বলেন, জমি নিয়ে আমাদের সঙ্গে উমেশ, শ্যামল ও সুভাষের দ্বন্দ্ব ছিল। এ ঘটনায় আদালতে মামলা চলমান। এরমধ্যে শনিবার সকালে হঠাৎ করে পরিমলকে সালিশে যেতে বলেন চেয়ারম্যান আহসানউল্লাহ।

বিমল বলেন, সালিশে আমার ভাই দলিল নিয়ে কথা বলার সময় চেয়ারম্যান হয়ে পড়েন উত্তেজিত। তিনি ভাইকে গালমন্দ করেন এবং গ্রাম পুলিশ উমেশকে নির্দেশ দেন তাকে মারধর করতে। এরপরই শুরু হয় চড়থাপ্পড় ও লাঠির আঘাত।

চেয়ারম্যান আহসানউল্লাহ বলেন, আমি তাকে মারার নির্দেশ দিইনি। তিনি তর্ক করছিলেন, আমি ধমক দিয়েছি। মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। পরিমল কথা বলার সময় হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পড়ে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের বৈঠকে পরিমল নামে একজনকে চড়থাপ্পড় ও লাঠি দিয়ে পেটানো হয়েছে বলে শুনেছি। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।