সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বরিশালে শিক্ষা অফিসারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১ ১৩১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স॥ অবৈধভাবে বরিশাল নগরীর আছমত আলী খান (একে) ইনস্টিটিউশনের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করায় সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) এ.কে ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক এইচ.এম জসীম উদ্দীন বাদী হয়ে বরিশাল ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য রেখে দেন। মামলার বিবাদীরা হলেন, এ.কে ইনস্টিটিউশনের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি নুপুর নাহার, শিক্ষক সদস্য মোঃ মামুন হাওলাদার, অভিভাবক সদস্য সাঈদ মাহমুদ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ বশির আহম্মেদ, প্রিজাইডিং অফিসার বরিশাল সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ ১৩ জন।

মামলার বরাত দিয়ে আইনজীবী আজাদ রহমান জানান, ছয় মাসের জন্য এ.কে ইনস্টিটিউশনে ২০২১ সালের ১ আগস্ট এ্যাডহক কমিটি গঠিত হয়। যার মেয়াদ আগামী ৩১ জানুয়ারী পর্যন্ত। বাদী ইতিপূর্বে বিদ্যালয় থেকে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। এ ঘটনায় বাদী বরিশাল সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ০২/২০২১ মামলাটি দায়ের করেন।

কিন্তু বিবাদীরা বাদীকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করতে বাহানা করায় ০২/২০২১ মামলায় আদালতকে অবগত করেছেন। চূড়ান্ত বরখাস্তের বিষয়টি বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের আপীল এন্ড আরবিট্রেশন কমিটি গত ১৫ সেপ্টেম্বরের সভায় চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করেনি। ফলে বাদী প্রধান শিক্ষক পদে বহাল ও বলবৎ আছেন। বাদী প্রধান শিক্ষক থাকা সত্বেও তাকে না জানিয়ে এ্যাডহক কমিটি খসড়া, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রননয়ন করেন। তবে নোটিশ বোর্ডে কোন তালিকা প্রদর্শন করা হয়নি।

এরপরে প্রিজাইডিং অফিসার ও বরিশাল সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার অবৈধভাবে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে নিজের (কার্যালয়) দফতরে মনোনয়ন বাছাই ও প্রত্যাহারের স্থান করেন। যা ম্যানেজিং কমিটির প্রবিধানমালার পরিপন্থি। এভাবে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে অযোগ্য ব্যক্তিরা নির্বাচিত হতে পারে। ফলে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের সুনাম বিনষ্ট হতে পারে। পাশাপাশি নির্বাচিতরা বিভিন্ন নিয়োগ বাণিজ্য ও অপকর্ম সাধণ করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে শিক্ষা অফিসারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০৩:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স॥ অবৈধভাবে বরিশাল নগরীর আছমত আলী খান (একে) ইনস্টিটিউশনের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করায় সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) এ.কে ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক এইচ.এম জসীম উদ্দীন বাদী হয়ে বরিশাল ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য রেখে দেন। মামলার বিবাদীরা হলেন, এ.কে ইনস্টিটিউশনের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি নুপুর নাহার, শিক্ষক সদস্য মোঃ মামুন হাওলাদার, অভিভাবক সদস্য সাঈদ মাহমুদ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ বশির আহম্মেদ, প্রিজাইডিং অফিসার বরিশাল সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ ১৩ জন।

মামলার বরাত দিয়ে আইনজীবী আজাদ রহমান জানান, ছয় মাসের জন্য এ.কে ইনস্টিটিউশনে ২০২১ সালের ১ আগস্ট এ্যাডহক কমিটি গঠিত হয়। যার মেয়াদ আগামী ৩১ জানুয়ারী পর্যন্ত। বাদী ইতিপূর্বে বিদ্যালয় থেকে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। এ ঘটনায় বাদী বরিশাল সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ০২/২০২১ মামলাটি দায়ের করেন।

কিন্তু বিবাদীরা বাদীকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করতে বাহানা করায় ০২/২০২১ মামলায় আদালতকে অবগত করেছেন। চূড়ান্ত বরখাস্তের বিষয়টি বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের আপীল এন্ড আরবিট্রেশন কমিটি গত ১৫ সেপ্টেম্বরের সভায় চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করেনি। ফলে বাদী প্রধান শিক্ষক পদে বহাল ও বলবৎ আছেন। বাদী প্রধান শিক্ষক থাকা সত্বেও তাকে না জানিয়ে এ্যাডহক কমিটি খসড়া, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রননয়ন করেন। তবে নোটিশ বোর্ডে কোন তালিকা প্রদর্শন করা হয়নি।

এরপরে প্রিজাইডিং অফিসার ও বরিশাল সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার অবৈধভাবে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে নিজের (কার্যালয়) দফতরে মনোনয়ন বাছাই ও প্রত্যাহারের স্থান করেন। যা ম্যানেজিং কমিটির প্রবিধানমালার পরিপন্থি। এভাবে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে অযোগ্য ব্যক্তিরা নির্বাচিত হতে পারে। ফলে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের সুনাম বিনষ্ট হতে পারে। পাশাপাশি নির্বাচিতরা বিভিন্ন নিয়োগ বাণিজ্য ও অপকর্ম সাধণ করতে পারে।