সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

বিয়ের পার্টিতে গিয়ে হোটেলে গণধর্ষণের শিকার উপস্থাপিকা//

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ওয়েব ডেস্ক
বিয়ের পার্টিতে সঞ্চালনার কাজ করতে গিয়ে হোটেলে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক উপস্থাপিকা। দুই ব্যক্তির দ্বারা ধর্ষণের শিকার হন তিনি। এ ঘটনায় তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই তরুণী।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পটনার একটি হোটেলে। যোধপুর পার্কে ওই তরুনীর বাড়ি। তিনি যাদবপুর থানায় অভিযোগও দায়ের করেন।
ওই উপস্থাপিকার অভিযোগ, চলতি বছরের জুলাইতে ওই ঘটনার পর কলকাতায় ফিরে এসে পাটনার দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও তাদের গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। উল্টে এখনও নিয়মিত খুনের হুমকি পাচ্ছেন তিনি। রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) এই অভিযোগ নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে সুবিচারের দাবি জানিয়েছেন ওই তরুণীর এক বান্ধবী। তবে অভিযুক্তরা এখনও অধরা।
পুলিশের কাছে অভিযোগে ২৪ বছরের ওই তরুণীর দাবি, বিহারের মুজফ্‌রপুরে বাসিন্দা হর্ষ রঞ্জন এবং তার বন্ধু বিক্রান্ত কেজরীবাল মিলে ৩ জুলাই পাটনার একটি হোটেলে তাঁকে ধর্ষণ করে। জুলাইতে একটি বিয়ের পার্টিতে সঞ্চালিকার কাজ নিয়ে পাটনা গিয়েছিলেন তিনি। জানিয়েছেন, হর্ষ ওই বিয়ের ইভেন্টে আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের কাছে তরুণীর দাবি, ‘দেড় বছর ধরে আমাকে নিশানা করছিল হর্ষ। ঘটনার রাতে কাজের টাকা মেটানোর অছিলায় আমার হোটেলের ঘরে আসে হর্ষ এবং বিক্রান্ত। এরপর রাত ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত আমাকে ধর্ষণ করে। সে সময় ওই হোটেলে তিনটা বিয়ের পার্টি চলছিল। ফলে চিৎকার-চেঁচামেচি করেও লাভ হয়নি। ফোন করার চেষ্টা করলে তা কেড়ে নেয় ওরা। অত্যাচারের পর টেনেহিঁচড়ে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে আমার গায়ে পানি ঢেলে দেয়।’
ওই তরুণীর আরও দাবি, প্রমাণ নষ্টের জন্যই এমনটা করা হয়েছিল।

পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার আরও জানায়, গত ৪ জুলাই যাদবপুর থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে চিত্তরঞ্জন মেডিক্যাল কলেজে তার শারীরিক পরীক্ষাও করানো হয়েছে। ১৫ জুলাই এই মামলাটি পাটনার গাঁধী ময়দান থানায় ট্রান্সফার করা হয়েছে। ২৯ জুলাই পাটনার একটি আদালতে গোপন জবানবন্দিও দিয়েছেন ওই তরুণী।
ওই তরুণীর দাবি, ‘ঘটনার পর থেকে একদিন অন্তর পটনার গাঁধী ময়দান থানায় ফোন করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির কথা বলেও লাভ হয়নি। এখনও আমাকে নিয়মিত খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি মুখ বন্ধ রাখতে আমাকে টাকাও অফার করা হয়েছে।’
তাঁর আক্ষেপ, ‘উপস্থাপনার কাজ নিয়ে বিদেশেও গিয়েছি। কিন্তু কখনও এ রকম দুঃসহ অভিজ্ঞতা হয়নি।’
পাটনা পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করলেও তা অস্বীকার করেছেন তারা। অভিযুক্তরা পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে পাল্টা দাবি করেছে পাটনা পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিয়ের পার্টিতে গিয়ে হোটেলে গণধর্ষণের শিকার উপস্থাপিকা//

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

ওয়েব ডেস্ক
বিয়ের পার্টিতে সঞ্চালনার কাজ করতে গিয়ে হোটেলে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক উপস্থাপিকা। দুই ব্যক্তির দ্বারা ধর্ষণের শিকার হন তিনি। এ ঘটনায় তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই তরুণী।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পটনার একটি হোটেলে। যোধপুর পার্কে ওই তরুনীর বাড়ি। তিনি যাদবপুর থানায় অভিযোগও দায়ের করেন।
ওই উপস্থাপিকার অভিযোগ, চলতি বছরের জুলাইতে ওই ঘটনার পর কলকাতায় ফিরে এসে পাটনার দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও তাদের গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। উল্টে এখনও নিয়মিত খুনের হুমকি পাচ্ছেন তিনি। রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) এই অভিযোগ নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে সুবিচারের দাবি জানিয়েছেন ওই তরুণীর এক বান্ধবী। তবে অভিযুক্তরা এখনও অধরা।
পুলিশের কাছে অভিযোগে ২৪ বছরের ওই তরুণীর দাবি, বিহারের মুজফ্‌রপুরে বাসিন্দা হর্ষ রঞ্জন এবং তার বন্ধু বিক্রান্ত কেজরীবাল মিলে ৩ জুলাই পাটনার একটি হোটেলে তাঁকে ধর্ষণ করে। জুলাইতে একটি বিয়ের পার্টিতে সঞ্চালিকার কাজ নিয়ে পাটনা গিয়েছিলেন তিনি। জানিয়েছেন, হর্ষ ওই বিয়ের ইভেন্টে আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের কাছে তরুণীর দাবি, ‘দেড় বছর ধরে আমাকে নিশানা করছিল হর্ষ। ঘটনার রাতে কাজের টাকা মেটানোর অছিলায় আমার হোটেলের ঘরে আসে হর্ষ এবং বিক্রান্ত। এরপর রাত ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত আমাকে ধর্ষণ করে। সে সময় ওই হোটেলে তিনটা বিয়ের পার্টি চলছিল। ফলে চিৎকার-চেঁচামেচি করেও লাভ হয়নি। ফোন করার চেষ্টা করলে তা কেড়ে নেয় ওরা। অত্যাচারের পর টেনেহিঁচড়ে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে আমার গায়ে পানি ঢেলে দেয়।’
ওই তরুণীর আরও দাবি, প্রমাণ নষ্টের জন্যই এমনটা করা হয়েছিল।

পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার আরও জানায়, গত ৪ জুলাই যাদবপুর থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে চিত্তরঞ্জন মেডিক্যাল কলেজে তার শারীরিক পরীক্ষাও করানো হয়েছে। ১৫ জুলাই এই মামলাটি পাটনার গাঁধী ময়দান থানায় ট্রান্সফার করা হয়েছে। ২৯ জুলাই পাটনার একটি আদালতে গোপন জবানবন্দিও দিয়েছেন ওই তরুণী।
ওই তরুণীর দাবি, ‘ঘটনার পর থেকে একদিন অন্তর পটনার গাঁধী ময়দান থানায় ফোন করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির কথা বলেও লাভ হয়নি। এখনও আমাকে নিয়মিত খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি মুখ বন্ধ রাখতে আমাকে টাকাও অফার করা হয়েছে।’
তাঁর আক্ষেপ, ‘উপস্থাপনার কাজ নিয়ে বিদেশেও গিয়েছি। কিন্তু কখনও এ রকম দুঃসহ অভিজ্ঞতা হয়নি।’
পাটনা পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করলেও তা অস্বীকার করেছেন তারা। অভিযুক্তরা পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে পাল্টা দাবি করেছে পাটনা পুলিশ।