সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

সহকারী পুলিশ সুপার সুকুমারের শান্তির পরিবর্তে হয়েছে পদোন্নতি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৯০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স ::: শাস্তির নির্দেশ দেয়ার আড়াই বছর পার হলেও দেয়া হয়নি শাস্তি, দেয়া হয়েছে পদোন্নতি। ভুক্তভোগী বলছেন, অপরাধীকে শাস্তির বদলে দেয়া হয়েছে পদোন্নতি। অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়ায় গ্রাম ছেড়ে বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সাবেক ইউপি সদস্য শ্রী সঞ্জয় চন্দ্র। দেশের নজির বিহীন একই চেয়ারে সাড়ে ৪ বছরের অধিক সময়ে থাকার পর বদলি করে বরিশাল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে নিযুক্ত করা হয়েছে। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সুকুমার রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন পুলিশ হেডকোয়াটার্স এর এ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. রেজাউল হক।

সহকারী পুলিশ সুপার সুকুমার রায়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আড়াই বছর পূর্বে নির্দেশ প্রদানের পরেও রহস্যজনক কারনে নেয়া হয়নি কোন আইনগত ব্যবস্থা। উল্টো ২০২১ সালের ৮ আগস্ট তাকে দেয়া হয়েছে পদোন্নতি। একটি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থাকাকালীন উক্ত মামলাটি মনগড়া মিথ্যা প্রতিবেদন আদালতে দায়ের করায় পুলিশ কর্মকর্তা সুকুমারের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজীরহাট থানাধীন পূর্ব রতনপুরের সাবেক ইউপি সদস্য শ্রী সঞ্জয় চন্দ্র পুলিশ হেডকোয়াটার্সের আইজিপি, সিকিউরিটি সেল বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করেন, হত্যার উদ্দেশ্যে ২০১৮ সালের ১২ই জুন তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে রাতে ধরে নিয়ে মারধর করেন। পরে মৃত ভেবে নদীতে ফেলে দিয়ে যায় প্রতিপক্ষরা। ঘটনার ১২ দিন পর বরিশাল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন সঞ্জয় চন্দ্র। বিচারক মামলাটি মেহেন্দিগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সুকুমারকে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এমপি পঙ্কজ নাথকে ঐ মামলায় ১ নম্বর আসামী করায় ক্ষীপ্ত হয়ে অভিযোগ দায়েরকারীর ছোট ভাইদের ২টি সেলুন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন এবং একটি বাইসাইকেল নিয়ে যায় হামলাকারীরা। এসময় ছোট ভাইকে এলাকা ছাড়া করেন। পাশাপাশি মামলার স্বাক্ষীদেরকেও এলাকা থেকে তারিয়ে দেয়া হয়েছে। এদিকে ঐ বছর জুলাই মাসের ১০ তারিখ সার্কেল সুকুমার রায় বরিশাল পুলিশ সুপার কার্যালয় তাহার নিজ কক্ষে তাদের তিন ভাইয়ের সাক্ষ্য গ্রহণের কথা বলে। সুকুমার রায় আসামীদের সাথে আপোষ হওয়ার প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে রাজি না হয়ে সেখান থেকে চলে যাবার পরে তরিগড়ি করে কোন স্বাক্ষীদের স্বাক্ষী না নিয়ে এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট না নিয়েই আদালতে মনগড়া মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এসময় মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, সঞ্জয় এর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ২০ এপ্রিল কাজিরহাট থানায় আইন শৃংখলা বিঘœকারী অপরাধ (দ্রæত বিচার) আইন/২০০২ সংশোধনী ২০১৪ এর ৪ (১) ধারা রুজু আছে। যাহার মামলা নম্বর ৮ উল্লেখ করা হয়েছে। কাজীরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাজ্জাদ হোসেন এ বিষয়ে একটি লিখিত দেন যে ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে কাজীরহাট থানায় মোট মামলা হয় ৭টি। সঞ্জয় চন্দ্রের বিরুদ্ধে দেখানো যে মামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তার কোন অস্তিত্ব নেই।

এদিকে সঞ্জয়ের মেডিকেল সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বরাবর ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই আবেদন করেন সার্কেল সুকুমার রায়। আবেদনের ৪২দিন পর মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করেন সার্কেল। অথচ আদালতে যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে সেখানে মেডিকেল সার্র্টিফিকেট এর তথ্য গোপন রাখেন সুকুমার রায়। পুলিশ হেডকোয়াটার্সে দায়েরকৃত অভিযোগটি আমলে নিয়ে কর্তৃপক্ষ বরিশাল ডিআইজিকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দশ প্রদান করেন। তৎকালীন ডিআইজি শফিকুল ইসলাম তার অধিনস্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আজাদ মিয়ার মাধ্যমে তদন্ত করে। গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ২০১৮ সালের ৮ ডিসেম্বর পুলিশ হেডকোয়াটার্স প্রতিবেদন দাখিল করেন।

উক্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ৯ জানুয়ারী মেহেন্দিগঞ্জ সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার সুকুমার রায় এর বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন পুলিশ হেডকোয়াটার্স এর এ্যাডিসনাল ডিআইজি মো. রেজাউল হক। পরবর্তীতে সুকুমারের শাস্তি না হলে তাকে বরখাস্ত করে বিচার কাজ অনতি বিলম্বে শুরু করার জন্য ২০২০ সালের ৪ মে আইজিপি বরাবর আবেদন করেন সঞ্জয় চন্দ্র। তবে সুকুমারের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে চলতি বছরের ৮ আগস্ট উপ সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের স্বাক্ষরীত এক আদেশে, প্রকাশিত গেজেটে ৭১ জনের তালিকায় ৬৭ নম্বর সিরিয়ালে সুকুমারকে পদোন্নতি দিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার করা হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুকুমার রায় বলেন- সঞ্জয় চন্দ্রের অভিযোগের ভিত্তিতে শাস্তি হিসেবে দুই বছরের জন্য পদোন্নতি বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। এরপর গত আগষ্ট মাসে আমাকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। আমি এ ব্যাপারে সঞ্জয়ের সাথে কথা বলবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সহকারী পুলিশ সুপার সুকুমারের শান্তির পরিবর্তে হয়েছে পদোন্নতি।

আপডেট সময় : ০৫:২১:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স ::: শাস্তির নির্দেশ দেয়ার আড়াই বছর পার হলেও দেয়া হয়নি শাস্তি, দেয়া হয়েছে পদোন্নতি। ভুক্তভোগী বলছেন, অপরাধীকে শাস্তির বদলে দেয়া হয়েছে পদোন্নতি। অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়ায় গ্রাম ছেড়ে বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সাবেক ইউপি সদস্য শ্রী সঞ্জয় চন্দ্র। দেশের নজির বিহীন একই চেয়ারে সাড়ে ৪ বছরের অধিক সময়ে থাকার পর বদলি করে বরিশাল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে নিযুক্ত করা হয়েছে। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সুকুমার রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন পুলিশ হেডকোয়াটার্স এর এ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. রেজাউল হক।

সহকারী পুলিশ সুপার সুকুমার রায়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আড়াই বছর পূর্বে নির্দেশ প্রদানের পরেও রহস্যজনক কারনে নেয়া হয়নি কোন আইনগত ব্যবস্থা। উল্টো ২০২১ সালের ৮ আগস্ট তাকে দেয়া হয়েছে পদোন্নতি। একটি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থাকাকালীন উক্ত মামলাটি মনগড়া মিথ্যা প্রতিবেদন আদালতে দায়ের করায় পুলিশ কর্মকর্তা সুকুমারের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজীরহাট থানাধীন পূর্ব রতনপুরের সাবেক ইউপি সদস্য শ্রী সঞ্জয় চন্দ্র পুলিশ হেডকোয়াটার্সের আইজিপি, সিকিউরিটি সেল বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করেন, হত্যার উদ্দেশ্যে ২০১৮ সালের ১২ই জুন তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে রাতে ধরে নিয়ে মারধর করেন। পরে মৃত ভেবে নদীতে ফেলে দিয়ে যায় প্রতিপক্ষরা। ঘটনার ১২ দিন পর বরিশাল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন সঞ্জয় চন্দ্র। বিচারক মামলাটি মেহেন্দিগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সুকুমারকে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এমপি পঙ্কজ নাথকে ঐ মামলায় ১ নম্বর আসামী করায় ক্ষীপ্ত হয়ে অভিযোগ দায়েরকারীর ছোট ভাইদের ২টি সেলুন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন এবং একটি বাইসাইকেল নিয়ে যায় হামলাকারীরা। এসময় ছোট ভাইকে এলাকা ছাড়া করেন। পাশাপাশি মামলার স্বাক্ষীদেরকেও এলাকা থেকে তারিয়ে দেয়া হয়েছে। এদিকে ঐ বছর জুলাই মাসের ১০ তারিখ সার্কেল সুকুমার রায় বরিশাল পুলিশ সুপার কার্যালয় তাহার নিজ কক্ষে তাদের তিন ভাইয়ের সাক্ষ্য গ্রহণের কথা বলে। সুকুমার রায় আসামীদের সাথে আপোষ হওয়ার প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে রাজি না হয়ে সেখান থেকে চলে যাবার পরে তরিগড়ি করে কোন স্বাক্ষীদের স্বাক্ষী না নিয়ে এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট না নিয়েই আদালতে মনগড়া মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এসময় মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, সঞ্জয় এর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ২০ এপ্রিল কাজিরহাট থানায় আইন শৃংখলা বিঘœকারী অপরাধ (দ্রæত বিচার) আইন/২০০২ সংশোধনী ২০১৪ এর ৪ (১) ধারা রুজু আছে। যাহার মামলা নম্বর ৮ উল্লেখ করা হয়েছে। কাজীরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাজ্জাদ হোসেন এ বিষয়ে একটি লিখিত দেন যে ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে কাজীরহাট থানায় মোট মামলা হয় ৭টি। সঞ্জয় চন্দ্রের বিরুদ্ধে দেখানো যে মামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তার কোন অস্তিত্ব নেই।

এদিকে সঞ্জয়ের মেডিকেল সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বরাবর ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই আবেদন করেন সার্কেল সুকুমার রায়। আবেদনের ৪২দিন পর মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করেন সার্কেল। অথচ আদালতে যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে সেখানে মেডিকেল সার্র্টিফিকেট এর তথ্য গোপন রাখেন সুকুমার রায়। পুলিশ হেডকোয়াটার্সে দায়েরকৃত অভিযোগটি আমলে নিয়ে কর্তৃপক্ষ বরিশাল ডিআইজিকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দশ প্রদান করেন। তৎকালীন ডিআইজি শফিকুল ইসলাম তার অধিনস্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আজাদ মিয়ার মাধ্যমে তদন্ত করে। গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ২০১৮ সালের ৮ ডিসেম্বর পুলিশ হেডকোয়াটার্স প্রতিবেদন দাখিল করেন।

উক্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ৯ জানুয়ারী মেহেন্দিগঞ্জ সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার সুকুমার রায় এর বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন পুলিশ হেডকোয়াটার্স এর এ্যাডিসনাল ডিআইজি মো. রেজাউল হক। পরবর্তীতে সুকুমারের শাস্তি না হলে তাকে বরখাস্ত করে বিচার কাজ অনতি বিলম্বে শুরু করার জন্য ২০২০ সালের ৪ মে আইজিপি বরাবর আবেদন করেন সঞ্জয় চন্দ্র। তবে সুকুমারের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে চলতি বছরের ৮ আগস্ট উপ সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের স্বাক্ষরীত এক আদেশে, প্রকাশিত গেজেটে ৭১ জনের তালিকায় ৬৭ নম্বর সিরিয়ালে সুকুমারকে পদোন্নতি দিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার করা হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুকুমার রায় বলেন- সঞ্জয় চন্দ্রের অভিযোগের ভিত্তিতে শাস্তি হিসেবে দুই বছরের জন্য পদোন্নতি বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। এরপর গত আগষ্ট মাসে আমাকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। আমি এ ব্যাপারে সঞ্জয়ের সাথে কথা বলবো।