বরিশাল সহ বিভিন্ন জেলায় খাবার হোটেল, মিষ্টির দোকান ও বেকারী হতে ১৬৭,০০০ টাকা জরিমানা।
- আপডেট সময় : ০২:৫৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

আজকের ক্রাইম ডেক্স
র্যাব-৮, বরিশাল কর্তৃক বিশেষ মোবাইল কোর্ট সপ্তাহ ২০২১ পরিচালনা করে বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, এবং পিরোজপুর এলাকার বিভিন্ন খাবার হোটেল, মিষ্টির দোকান ও বেকারী হতে ২১ (একুশ) জন ব্যবসায়ীকে ১৬৭,০০০(এক লক্ষ সাতষট্রি) হাজার টাকা জরিমানা এবং ০১ (এক) জন ভেজাল ব্যাবসায়ী গ্রেফতার
এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন যাবৎ বরিশাল মহানগরী, ভোলা, ঝালকাঠি এবং পিরোজপুর জেলায় কিছু অসাধু মিষ্টির দোকান, বেকারী, হোটেল ব্যবসায়ীরা অস্বাস্থ্যকর, মেয়াদ উত্তীর্ণ পঁচা বাশি খাবার, নোংরা পরিবেশে ও নিষিদ্ধ পণ্যের ব্যাবহার করে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এমন তথ্যর ভিত্তিতে র্যাব-৮, বরিশালের কয়েকটি আভিযানিক দল উক্ত চারটি জেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অসাধু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ১৬৭,০০০ (এক লক্ষ সাতষট্রি) হাজার টাকা জরিমানা করে এবং ০১(এক) জন মালিকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারান্ড প্রদান করেন। তারা সহজ সরল মানুষকে বিভিন্ন প্রতারণার মাধ্যমে তাদের মিষ্টির দোকান ও হোটেলে অস্বাস্থ্যকর, মেয়াদ উত্তীর্ণ পঁচা বাশি খাবার, নোংরা পরিবেশে ও নিষিদ্ধ পণ্যের ব্যবহার করে হোটেল ব্যবসা করছে যা মানুষের শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর এবং বিপজ্জনক। তাদের হোটেল, বেকারী ও মিষ্টির দোকান পরিদর্শন করে বিভিন্ন মেয়াদ উত্তির্ণ পঁচা ও বাশি খাবার পাওয়া যায়। উক্ত মিষ্টি দোনদার ও হোটেল ব্যবসায়ীরা পঁচা বাশি খাবার রাখার কারণ জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেনি এবং মোবাইল কোর্টের সামনে তারা দোষ স্বীকার করে। মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেটগণ বরিশাল মহানগরীর কোতয়ালী থানা হতে ০৫(পাঁচ) জন ব্যবসায়ীকে ৮০,০০০ (আশি হাজার) টাকা জরিমানা, ভোলা জেলার সদর থানায় ০৩ (তিন) জন ব্যবসায়ীকে ৪৫,০০০ (পয়তাল্লিশ হাজার) টাকা জরিমানা এবং ০১(এক) জনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। ঝালকাঠি জেলার সদর থানায় ০৬ (ছয়) জন ব্যবসায়ীকে ১৯,০০০ (উনিশ হাজার) টাকা জারিমানা এবং পিরোজপুর জেলায় সদর থানা ০৬ (ছয়) জন ব্যবসায়ীকে ২৩,০০০ (তেইশ হাজার) টাকা জরিমানা আদায় করে ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে এরূপ অবৈধ কাজ না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন র্যাবের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
র্যাবের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।


























