সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

দুদকের মামলায় বাউফলের সেই আলোচিত চেয়ারম্যান কারাগারে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ অগাস্ট ২০২১ ৮৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স: পটুয়াখালীর বাউফলে হতদরিদ্রের চালের (ভিজিডি)তালিকা প্রণয়ন দুর্নীতিতে দুদকের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে আলোচিত চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারকে। একই ঘটনায় তার অপর ৫ সহযোগীকেও কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

রোববার দুপুরে পটুয়াখালী সিনিয়র দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন তারা। আদালতের বিচারক রোখসানা পারভীন জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন।

দুদকের আইনজীবী আরিফুল হক টিটো বলেন, অভিযুক্তরা ২০১৭ সালে হতদরিদ্রের (ভিজিডি) তালিকা প্রণয়নে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে একই পরিবারের ৪৮ জন, ৯১ জনকে দ্বৈত তালিকায় এবং ৯৪ জন বিত্তশালীসহ মোট ২৩৩ জনকে অন্তর্ভুক্ত করে। এ ঘটনা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি দুদকের নজরে আসে।

তালিকা প্রণয়নে অসঙ্গতি পেয়ে ২০১৮ সালে ২৮ জানুয়ারি বাউফল থানায় উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তৎকালীন পটুয়াখালীর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-সহকারী পরিচালক মানিক লাল দাস একটি মামলা দায়ের করেন।
চেয়ারম্যান
পরে দুদক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আদালতে পাঠান। এরপর তারা জামিন পান।

পরে দুদকের মামলা থেকে আসামিদের অব্যাহতি দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার বাদী ও তদন্তকারী অফিসার মানিক লাল দাস।

কিন্তু আদালত সন্তুষ্ট না হয়ে পুনরায় তদন্তের নির্দেশনা দেয় দুদককে। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী দুদকের উপ-সহাকারী পরিচালক মো. আরিফ হোসেন উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফা চার্জশিট দাখিল করেন।

করোনাকালে দীর্ঘ দিন আদালতের কার্যক্রম স্থগিত থাকায় রোববার আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠায়।

উল্লেখ্য, কনকদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে এক কিশোরীকে জোরপূর্বক বিয়ে করে একদিনের মাথায় তালাক দিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। এ ঘটনাতেও তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা রয়েছে।

কিশোরীকে বিয়ের ঘটনায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে সামায়িক বরখাস্ত করলে উচ্চ আদালত তাকে স্বপদে বহালের নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দুদকের মামলায় বাউফলের সেই আলোচিত চেয়ারম্যান কারাগারে।

আপডেট সময় : ০৩:৫০:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ অগাস্ট ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স: পটুয়াখালীর বাউফলে হতদরিদ্রের চালের (ভিজিডি)তালিকা প্রণয়ন দুর্নীতিতে দুদকের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে আলোচিত চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারকে। একই ঘটনায় তার অপর ৫ সহযোগীকেও কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

রোববার দুপুরে পটুয়াখালী সিনিয়র দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন তারা। আদালতের বিচারক রোখসানা পারভীন জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন।

দুদকের আইনজীবী আরিফুল হক টিটো বলেন, অভিযুক্তরা ২০১৭ সালে হতদরিদ্রের (ভিজিডি) তালিকা প্রণয়নে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে একই পরিবারের ৪৮ জন, ৯১ জনকে দ্বৈত তালিকায় এবং ৯৪ জন বিত্তশালীসহ মোট ২৩৩ জনকে অন্তর্ভুক্ত করে। এ ঘটনা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি দুদকের নজরে আসে।

তালিকা প্রণয়নে অসঙ্গতি পেয়ে ২০১৮ সালে ২৮ জানুয়ারি বাউফল থানায় উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তৎকালীন পটুয়াখালীর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-সহকারী পরিচালক মানিক লাল দাস একটি মামলা দায়ের করেন।
চেয়ারম্যান
পরে দুদক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আদালতে পাঠান। এরপর তারা জামিন পান।

পরে দুদকের মামলা থেকে আসামিদের অব্যাহতি দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার বাদী ও তদন্তকারী অফিসার মানিক লাল দাস।

কিন্তু আদালত সন্তুষ্ট না হয়ে পুনরায় তদন্তের নির্দেশনা দেয় দুদককে। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী দুদকের উপ-সহাকারী পরিচালক মো. আরিফ হোসেন উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফা চার্জশিট দাখিল করেন।

করোনাকালে দীর্ঘ দিন আদালতের কার্যক্রম স্থগিত থাকায় রোববার আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠায়।

উল্লেখ্য, কনকদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে এক কিশোরীকে জোরপূর্বক বিয়ে করে একদিনের মাথায় তালাক দিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। এ ঘটনাতেও তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা রয়েছে।

কিশোরীকে বিয়ের ঘটনায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে সামায়িক বরখাস্ত করলে উচ্চ আদালত তাকে স্বপদে বহালের নির্দেশ দেন।