মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ভাতা ৭৫ হাজার টাকা করার সুপারিশ।
- আপডেট সময় : ০৭:০৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অগাস্ট ২০২১ ৭১ বার পড়া হয়েছে

আজকের ক্রাইম ডেক্স
দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ভাতা ৫০ হাজার টাকা থেকে উন্নীত করে ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
একই সঙ্গে দেশের সকল সরকারি ও ২২টি বিশেষায়িত হাসপাতালে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করারও সুপারিশ করেছে কমিটি।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২০তম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়।
জাতীয় সংসদ ভবনে সভাপতি শাজাহান খানের সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক, কাজী ফিরোজ রশীদ এবং এ. কে. এম রহমাতুল্লাহ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের বোর্ড সভায় প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনাসমূহ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধিকরণ বিষয়ক আলোচনা করা হয়।
এছাড়া জেলা অথবা উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স অফিস নিচতলায় স্থাপন করার লক্ষ্যে বিদ্যমান দোকানগুলো স্থানান্তরের সুপারিশও করে কমিটি।
বৈঠকে কমিটির ১ম থেকে ২০তম মিটিংয়ের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়কে পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও কল্যাণ ট্রাস্টের জমি-জমা সংক্রান্ত কাগজপত্র হালনাগাদের অগ্রগতি সম্পর্কিত তথ্যাদি আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভিন্ন সংস্থা প্রধানগণসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এর আগে প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা ১২ হাজার টাকা থেকে উন্নীত করে ২০ হাজার টাকা করার ঘোষণা দেন।
চলতি বছর (২০২১ সাল) ১৫ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনের অ্যাকাউন্টে সরাসরি সম্মানী ভাতা পাঠানো কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ১২ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। তবে আমি মনে করি, এই সময় ১২ হাজার টাকা কিছুই নয়। একে আমরা ২০ হাজার টাকা করে দেব। এটা করতে একটু সময় নেব। কারণ, বাজেটে টাকা বরাদ্দসহ সবকিছুর ব্যবস্থা করতে একটু সময় লাগবে। তবে এটা আমরা করে দেব।’
ওই দিন প্রধানমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৩০ হাজার ঘর নির্মাণেরও ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের এখন আর কারও জন্য অপেক্ষা করতে হবে না, কারও কাছে ধরনা দিতে হবে না। সরকার থেকে জনগণ, অর্থাৎ জি টু পির মাধ্যমে সরাসরি টাকা পৌঁছে যাবে। এদিনই বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের সভার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমাদের কল্যাণ ট্রাস্ট বোর্ডের মিটিং ছিল।

























