সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

পটুয়াখালীতে ভূত তাড়াতে নারীকে খাওয়ানো হলো গোবর-সাবান গুড়া।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অগাস্ট ২০২১ ১০৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেস্ক, : পটুয়াখালীতে চিকিৎসার নামে এক গৃহধূকে সাবান গুড়া খাওয়ানো হয়েছে। শুধু সাবান গুড়া নয়, জোর করে ওই নারীকে গোবর ও ছাই মুখে ঢেলে পুকুরে চুবানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অসুস্থ গৃহবধূ মনিকা রানী দাসকে (২২) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত ৩ আগস্ট এমন ঘটনা ঘটে।

মানসিক ভারসাম্যহীন ওই গৃহবধূর বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের ঢেউখালী গ্রামে। বিষয়টি শুনে আইনগত ব্যবস্থার নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ।

মনিকার বাবা শান্তি দাস বলেন-মনিকার স্বামী অবিনাশ ওমান প্রবাসী হওয়ায় মেয়ে তার কাছে থাকে। তার বাড়ি সদর উপজেলা মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের হরতুকিয়াবাড়িয়া গ্রামে।

কিছুদিন থেকে মনিকা মানসিকভাবে অসুস্থ্ বোধ করে। পরিবারের সঙ্গে উল্টা-পাল্টা আচরণ করে। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পরে পরিবার। মনিকাকে ভূতে ধরেছে বলে লোকে বলাবলি করতে শুরু করে।

পরে তাদের এক আত্মীয়ের হাত ধরে মাদারবুনিয়ার ইউনিয়নের হাঝিখালী গ্রামের কবিরাজ গান্ধি দাসের কাছে যান।

মনিকার মাথা থেকে ভূতের আছর তাড়ানোর জন্য ওই কবিরাজের সঙ্গে ১৫ হাজার টাকা চুক্তি হয় মনিকার বাবার। এছাড়াও কবিরাজি কাজে ব্যবহৃত তিনটা কালো ছাগল,চাল,মিঠাই, নারিকেল, হলুদ শাড়ি, লাল গামছা, আগরবাতি, মোমবাতি, কিনে দেওয়া হয়। মেয়েকে কবিরাজের কাছে রেখে বাড়িতে যায় মনিকার পরিবার।

পরে গত ৩ আগস্ট ওই কবিরাজের বাড়িতে যায় মেয়েকে দেখতে। কবিরাজের বাড়িতে পৌঁছে দেখে মনিকা আগের থেকে আরও অসুস্থ্ হয়েছে। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে মনিকা।

এসময় মনিকা পরিবারকে জানায়, তাকে চিকিৎসার নামে ওই কবিরাজ সাবান গুড়া,গোবর ও ছাই খেতে দিয়েছে। না খেতে চাইলে তাকে বাধ্য করা হয়েছে বলে জানায় মনিকা।

এছাড়াও চিকিৎসার নামে মনিকাকে জোর করে পুকুরের পানিতে চুবানো হয়েছে। পরে অসুস্থ্ মনিকাকে নিয়ে শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আসে পরিবার।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. জিল্লুর রহমান রতন মনিকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখে সাবান গুড়া পেটে যাওয়ার কারণে খাদ্য নালীতে ক্ষত দেওয়া দিয়েছে।

মুখে ও চিহ্ন ও ক্ষত দেখা দিয়েছে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।পটুয়াখালীতে চিকিৎসার নামে এক গৃহধূকে সাবান গুড়া খাওয়ানো হয়েছে।

শুধু সাবান গুড়া নয়, জোর করে ওই নারীকে গোবর ও ছাই মুখে ঢেলে পুকুরে চুবানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অসুস্থ গৃহবধূ মনিকা রানী দাসকে (২২) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত ৩ আগস্ট এমন ঘটনা ঘটে।

মানসিক ভারসাম্যহীন ওই গৃহবধূর বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের ঢেউখালী গ্রামে। বিষয়টি শুনে আইনগত ব্যবস্থার নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ।

মনিকার বাবা শান্তি দাস বলেন-মনিকার স্বামী অবিনাশ ওমান প্রবাসী হওয়ায় মেয়ে তার কাছে থাকে। তার বাড়ি সদর উপজেলা মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের হরতুকিয়াবাড়িয়া গ্রামে।

কিছুদিন থেকে মনিকা মানসিকভাবে অসুস্থ্ বোধ করে। পরিবারের সঙ্গে উল্টা-পাল্টা আচরণ করে। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পরে পরিবার।

মনিকাকে ভূতে ধরেছে বলে লোকে বলাবলি করতে শুরু করে। পরে তাদের এক আত্মীয়ের হাত ধরে মাদারবুনিয়ার ইউনিয়নের হাঝিখালী গ্রামের কবিরাজ গান্ধি দাসের কাছে যান।

মনিকার মাথা থেকে ভূতের আছর তাড়ানোর জন্য ওই কবিরাজের সঙ্গে ১৫ হাজার টাকা চুক্তি হয় মনিকার বাবার। এছাড়াও কবিরাজি কাজে ব্যবহৃত তিনটা কালো ছাগল,চাল,মিঠাই, নারিকেল, হলুদ শাড়ি, লাল গামছা, আগরবাতি, মোমবাতি, কিনে দেওয়া হয়।

মেয়েকে কবিরাজের কাছে রেখে বাড়িতে যায় মনিকার পরিবার। পরে গত ৩ আগস্ট ওই কবিরাজের বাড়িতে যায় মেয়েকে দেখতে। কবিরাজের বাড়িতে পৌঁছে দেখে মনিকা আগের থেকে আরও অসুস্থ্ হয়েছে। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে মনিকা।

এসময় মনিকা পরিবারকে জানায়, তাকে চিকিৎসার নামে ওই কবিরাজ সাবান গুড়া,গোবর ও ছাই খেতে দিয়েছে। না খেতে চাইলে তাকে বাধ্য করা হয়েছে বলে জানায় মনিকা।

এছাড়াও চিকিৎসার নামে মনিকাকে জোর করে পুকুরের পানিতে চুবানো হয়েছে। পরে অসুস্থ্ মনিকাকে নিয়ে শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আসে পরিবার।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. জিল্লুর রহমান রতন মনিকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখে সাবান গুড়া পেটে যাওয়ার কারণে খাদ্য নালীতে ক্ষত দেওয়া দিয়েছে।

মুখে ও চিহ্ন ও ক্ষত দেখা দিয়েছে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পটুয়াখালীতে ভূত তাড়াতে নারীকে খাওয়ানো হলো গোবর-সাবান গুড়া।

আপডেট সময় : ০৫:০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অগাস্ট ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেস্ক, : পটুয়াখালীতে চিকিৎসার নামে এক গৃহধূকে সাবান গুড়া খাওয়ানো হয়েছে। শুধু সাবান গুড়া নয়, জোর করে ওই নারীকে গোবর ও ছাই মুখে ঢেলে পুকুরে চুবানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অসুস্থ গৃহবধূ মনিকা রানী দাসকে (২২) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত ৩ আগস্ট এমন ঘটনা ঘটে।

মানসিক ভারসাম্যহীন ওই গৃহবধূর বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের ঢেউখালী গ্রামে। বিষয়টি শুনে আইনগত ব্যবস্থার নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ।

মনিকার বাবা শান্তি দাস বলেন-মনিকার স্বামী অবিনাশ ওমান প্রবাসী হওয়ায় মেয়ে তার কাছে থাকে। তার বাড়ি সদর উপজেলা মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের হরতুকিয়াবাড়িয়া গ্রামে।

কিছুদিন থেকে মনিকা মানসিকভাবে অসুস্থ্ বোধ করে। পরিবারের সঙ্গে উল্টা-পাল্টা আচরণ করে। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পরে পরিবার। মনিকাকে ভূতে ধরেছে বলে লোকে বলাবলি করতে শুরু করে।

পরে তাদের এক আত্মীয়ের হাত ধরে মাদারবুনিয়ার ইউনিয়নের হাঝিখালী গ্রামের কবিরাজ গান্ধি দাসের কাছে যান।

মনিকার মাথা থেকে ভূতের আছর তাড়ানোর জন্য ওই কবিরাজের সঙ্গে ১৫ হাজার টাকা চুক্তি হয় মনিকার বাবার। এছাড়াও কবিরাজি কাজে ব্যবহৃত তিনটা কালো ছাগল,চাল,মিঠাই, নারিকেল, হলুদ শাড়ি, লাল গামছা, আগরবাতি, মোমবাতি, কিনে দেওয়া হয়। মেয়েকে কবিরাজের কাছে রেখে বাড়িতে যায় মনিকার পরিবার।

পরে গত ৩ আগস্ট ওই কবিরাজের বাড়িতে যায় মেয়েকে দেখতে। কবিরাজের বাড়িতে পৌঁছে দেখে মনিকা আগের থেকে আরও অসুস্থ্ হয়েছে। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে মনিকা।

এসময় মনিকা পরিবারকে জানায়, তাকে চিকিৎসার নামে ওই কবিরাজ সাবান গুড়া,গোবর ও ছাই খেতে দিয়েছে। না খেতে চাইলে তাকে বাধ্য করা হয়েছে বলে জানায় মনিকা।

এছাড়াও চিকিৎসার নামে মনিকাকে জোর করে পুকুরের পানিতে চুবানো হয়েছে। পরে অসুস্থ্ মনিকাকে নিয়ে শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আসে পরিবার।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. জিল্লুর রহমান রতন মনিকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখে সাবান গুড়া পেটে যাওয়ার কারণে খাদ্য নালীতে ক্ষত দেওয়া দিয়েছে।

মুখে ও চিহ্ন ও ক্ষত দেখা দিয়েছে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।পটুয়াখালীতে চিকিৎসার নামে এক গৃহধূকে সাবান গুড়া খাওয়ানো হয়েছে।

শুধু সাবান গুড়া নয়, জোর করে ওই নারীকে গোবর ও ছাই মুখে ঢেলে পুকুরে চুবানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অসুস্থ গৃহবধূ মনিকা রানী দাসকে (২২) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত ৩ আগস্ট এমন ঘটনা ঘটে।

মানসিক ভারসাম্যহীন ওই গৃহবধূর বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের ঢেউখালী গ্রামে। বিষয়টি শুনে আইনগত ব্যবস্থার নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ।

মনিকার বাবা শান্তি দাস বলেন-মনিকার স্বামী অবিনাশ ওমান প্রবাসী হওয়ায় মেয়ে তার কাছে থাকে। তার বাড়ি সদর উপজেলা মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের হরতুকিয়াবাড়িয়া গ্রামে।

কিছুদিন থেকে মনিকা মানসিকভাবে অসুস্থ্ বোধ করে। পরিবারের সঙ্গে উল্টা-পাল্টা আচরণ করে। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পরে পরিবার।

মনিকাকে ভূতে ধরেছে বলে লোকে বলাবলি করতে শুরু করে। পরে তাদের এক আত্মীয়ের হাত ধরে মাদারবুনিয়ার ইউনিয়নের হাঝিখালী গ্রামের কবিরাজ গান্ধি দাসের কাছে যান।

মনিকার মাথা থেকে ভূতের আছর তাড়ানোর জন্য ওই কবিরাজের সঙ্গে ১৫ হাজার টাকা চুক্তি হয় মনিকার বাবার। এছাড়াও কবিরাজি কাজে ব্যবহৃত তিনটা কালো ছাগল,চাল,মিঠাই, নারিকেল, হলুদ শাড়ি, লাল গামছা, আগরবাতি, মোমবাতি, কিনে দেওয়া হয়।

মেয়েকে কবিরাজের কাছে রেখে বাড়িতে যায় মনিকার পরিবার। পরে গত ৩ আগস্ট ওই কবিরাজের বাড়িতে যায় মেয়েকে দেখতে। কবিরাজের বাড়িতে পৌঁছে দেখে মনিকা আগের থেকে আরও অসুস্থ্ হয়েছে। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে মনিকা।

এসময় মনিকা পরিবারকে জানায়, তাকে চিকিৎসার নামে ওই কবিরাজ সাবান গুড়া,গোবর ও ছাই খেতে দিয়েছে। না খেতে চাইলে তাকে বাধ্য করা হয়েছে বলে জানায় মনিকা।

এছাড়াও চিকিৎসার নামে মনিকাকে জোর করে পুকুরের পানিতে চুবানো হয়েছে। পরে অসুস্থ্ মনিকাকে নিয়ে শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আসে পরিবার।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. জিল্লুর রহমান রতন মনিকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখে সাবান গুড়া পেটে যাওয়ার কারণে খাদ্য নালীতে ক্ষত দেওয়া দিয়েছে।

মুখে ও চিহ্ন ও ক্ষত দেখা দিয়েছে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।