সংবাদ শিরোনাম ::
সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প

সিলেটের হাসপাতাল গুলোতে রোগী ও স্বজনদের ছুঁটাছুঁটি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৯:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১ ৮০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেট জুঁড়ে ক্রমান্বয়ে করোনার থাবা বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন ভয়ষ্কর রূপ ধারণ করছে। শহরের চেয়ে সিলেটে গ্রামের এখন বেশির ভাগ মানুষ করোনার আক্রান্তের শিকার হচ্ছেন। পরিস্থিতি অনুকুলের বাহিরে চলে গেলে ডাক্তারের স্বরণাপন্ন হচ্ছে। অনেকে আবার হাসপাতালের দিগে ছুঁটছেন কিন্তু রোগী নিয়ে এ হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতাল ছুঁটাছুঁটি কিন্তু নেই কোন সিট,আইসিইউ বেডের জন্য হাহাকার দেখা দিয়েছে। গত এক মাসে শুধুমাত্র সিলেট জেলায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে প্রায় সাড়ে ৮ হাজারের বেশী মানুষের শরীরে। মারা গেছেন প্রায় ২শ’র কাছাকাছি।
জানা যায়, সিলেট বিভাগে সরকারি বেসরকারি প্রায় ৮শ’টি কোভিড বেড রয়েছে। সবমিলিয়ে আইসিইউ বেড রয়েছে ১২৭টি। এর মধ্যে সরকারি ভাবে ডা. শামসুদ্দিন হাসপাতালে ১৬টি, ওসমানী হাসপাতালে ৮টি এবং মৌলভীবাজার হাসপাতালে ৬টি আইসিইউ বেড রয়েছে। এছাড়া, বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড বেড রয়েছে-৯৭টি।
জানা যায়, সরকারী দুই হাসপাতালে শয্যা সংখ্যার বিপরীতে বেশী রোগী বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অনেকে সাধারণ শয্যা না পেয়ে মেঝেতে অবস্থান করছেন। বেসরকারী হাসপাতাল গুলোতেও সাধারণ শয্যা খালি নেই।
সিলেট ওসমানী মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্বজন জানান, প্রায় ৫ দিন ধরে রোগী নিয়ে হাসপাতালে অবস্থান করছেন। সাধারণ শয্যা না পাওয়ায় অনেকের মতো তারাও মেঝেতে অবস্থান নিয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতা স্বত্ত্বেও পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদেরকেও পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ।
যে হারে সিলেটে করোনায় সংক্রামন বাড়ছে যদি এভাবে বাড়তে থাকে সিলেটের পরিস্থিতি ভায়নক রূপ ধারণ করবে। সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের মতে মানুষ যদি সচেতন না হয় তাহলে এর উত্তোরণ পাওয়া খুব কষ্ট হবে মানুষ মারা যাবে বেশি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেটের হাসপাতাল গুলোতে রোগী ও স্বজনদের ছুঁটাছুঁটি।

আপডেট সময় : ০৮:১৯:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেট জুঁড়ে ক্রমান্বয়ে করোনার থাবা বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন ভয়ষ্কর রূপ ধারণ করছে। শহরের চেয়ে সিলেটে গ্রামের এখন বেশির ভাগ মানুষ করোনার আক্রান্তের শিকার হচ্ছেন। পরিস্থিতি অনুকুলের বাহিরে চলে গেলে ডাক্তারের স্বরণাপন্ন হচ্ছে। অনেকে আবার হাসপাতালের দিগে ছুঁটছেন কিন্তু রোগী নিয়ে এ হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতাল ছুঁটাছুঁটি কিন্তু নেই কোন সিট,আইসিইউ বেডের জন্য হাহাকার দেখা দিয়েছে। গত এক মাসে শুধুমাত্র সিলেট জেলায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে প্রায় সাড়ে ৮ হাজারের বেশী মানুষের শরীরে। মারা গেছেন প্রায় ২শ’র কাছাকাছি।
জানা যায়, সিলেট বিভাগে সরকারি বেসরকারি প্রায় ৮শ’টি কোভিড বেড রয়েছে। সবমিলিয়ে আইসিইউ বেড রয়েছে ১২৭টি। এর মধ্যে সরকারি ভাবে ডা. শামসুদ্দিন হাসপাতালে ১৬টি, ওসমানী হাসপাতালে ৮টি এবং মৌলভীবাজার হাসপাতালে ৬টি আইসিইউ বেড রয়েছে। এছাড়া, বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড বেড রয়েছে-৯৭টি।
জানা যায়, সরকারী দুই হাসপাতালে শয্যা সংখ্যার বিপরীতে বেশী রোগী বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অনেকে সাধারণ শয্যা না পেয়ে মেঝেতে অবস্থান করছেন। বেসরকারী হাসপাতাল গুলোতেও সাধারণ শয্যা খালি নেই।
সিলেট ওসমানী মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্বজন জানান, প্রায় ৫ দিন ধরে রোগী নিয়ে হাসপাতালে অবস্থান করছেন। সাধারণ শয্যা না পাওয়ায় অনেকের মতো তারাও মেঝেতে অবস্থান নিয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতা স্বত্ত্বেও পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদেরকেও পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ।
যে হারে সিলেটে করোনায় সংক্রামন বাড়ছে যদি এভাবে বাড়তে থাকে সিলেটের পরিস্থিতি ভায়নক রূপ ধারণ করবে। সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের মতে মানুষ যদি সচেতন না হয় তাহলে এর উত্তোরণ পাওয়া খুব কষ্ট হবে মানুষ মারা যাবে বেশি।