সংবাদ শিরোনাম ::
সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প

সেতু নয়, যেন ৪ পা ওয়ালা মরণ ফাঁদ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১ ৬৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রতিনিধি
বাবুগঞ্জ ( বরিশাল) ঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নে একটি সেতু এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। স্থানীয় এলাকার বাসিন্দারা এটাকে এখন ৪ পা ওয়ালা মরন ফাঁদ নামে আখ্যায়িত করেছেন।

বুধবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের ৫ নং ওর্য়াডের লাফাদি ও বাড়ই খালি নামক সংযোগ স্থলের খালের ওপর নির্মিত সেতুটিতে কোন ঢালাই কিংবা রড না থাকলেও চার টি খুটি দারিয়ে রয়েছে। এর মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ওই এলাকার প্রায় ৭ হাজার মানুষ।

খোজ খবর নিয়ে জানা যায়, ২০১৬ সালের শেষের দিকে উপজেলার লাফাদি ও বাড়ই খালি খালের ওপর বাশের সাকোর স্থানে তৎকালিন ইউপি চেয়ারম্যান অাওয়ামীল নেতা জয়নাল আবেদীন হাওলাদার একটি লোহার সেতু নির্মান করেন। এর কিছুদিন পর সেতুটির পাটাতন ও রেলিং ভেঙে যায়। এতে ২ টি গ্রামের প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার মানুষ মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে এটি পারাপার হচ্ছেন।
কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে ওই সেতুটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যায়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন ওই এলাকার বাসিন্দারা।
খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এলাকার অানিচুর রহমান, শাহজাহান সহ কয়েকজন জানান, এই সেতুর ওপর দিয়ে তাদের উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে হয়। সেতুটি এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনোয়ারুল ইসলাম জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটির অবস্থা খুবই বেহাল। শিগগিরই ওই খালের ওপর নতুন করে একটি পাকা (আরসিসি) সেতু নির্মাণের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করা হবে । বরাদ্দ পেলেই দ্রুত এর নির্মাণকাজ আরম্ভ করা হবে।

তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, যেনতেনভাবে সংস্কার করায় কিছুদিনের মধ্যে সেতুটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

২৮ জুলাই সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুটির ঠিক মাঝ বরাবর ২ টি লোহার ভিম দেয়া রয়েছে। এর চারপাশে ৪ টি খুটি গেড়ে দাঁড়িয়ে আছে।
গত সোমবার সকাল থেকে লোকজন পারাপার বন্ধ রয়েছে। ৩ কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প পথে মানুষ চলাচল করতে দেখা যায়।

স্থানীয় এলাকার কৃষক ওমর ফারুক ও মামুন মিয়া বলেন, সেতুর ওপর উঠলেই এটি দুলতে থাকে। বর্তমানে পানি বাড়ার কারনে চলাচল বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বিগত চেয়ারম্যানের সময়ে সেতুটি নামকাওয়াস্তে নির্মান করা হয়েছিল। অামি বুধবার দুপুরে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছি। খুব তারাতাড়ি ওই স্থানে নতুন করে একটি পাকা (আরসিসি) সেতু নির্মাণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সেতু নয়, যেন ৪ পা ওয়ালা মরণ ফাঁদ।

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১

প্রতিনিধি
বাবুগঞ্জ ( বরিশাল) ঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নে একটি সেতু এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। স্থানীয় এলাকার বাসিন্দারা এটাকে এখন ৪ পা ওয়ালা মরন ফাঁদ নামে আখ্যায়িত করেছেন।

বুধবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের ৫ নং ওর্য়াডের লাফাদি ও বাড়ই খালি নামক সংযোগ স্থলের খালের ওপর নির্মিত সেতুটিতে কোন ঢালাই কিংবা রড না থাকলেও চার টি খুটি দারিয়ে রয়েছে। এর মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ওই এলাকার প্রায় ৭ হাজার মানুষ।

খোজ খবর নিয়ে জানা যায়, ২০১৬ সালের শেষের দিকে উপজেলার লাফাদি ও বাড়ই খালি খালের ওপর বাশের সাকোর স্থানে তৎকালিন ইউপি চেয়ারম্যান অাওয়ামীল নেতা জয়নাল আবেদীন হাওলাদার একটি লোহার সেতু নির্মান করেন। এর কিছুদিন পর সেতুটির পাটাতন ও রেলিং ভেঙে যায়। এতে ২ টি গ্রামের প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার মানুষ মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে এটি পারাপার হচ্ছেন।
কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে ওই সেতুটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যায়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন ওই এলাকার বাসিন্দারা।
খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এলাকার অানিচুর রহমান, শাহজাহান সহ কয়েকজন জানান, এই সেতুর ওপর দিয়ে তাদের উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে হয়। সেতুটি এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনোয়ারুল ইসলাম জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটির অবস্থা খুবই বেহাল। শিগগিরই ওই খালের ওপর নতুন করে একটি পাকা (আরসিসি) সেতু নির্মাণের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করা হবে । বরাদ্দ পেলেই দ্রুত এর নির্মাণকাজ আরম্ভ করা হবে।

তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, যেনতেনভাবে সংস্কার করায় কিছুদিনের মধ্যে সেতুটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

২৮ জুলাই সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুটির ঠিক মাঝ বরাবর ২ টি লোহার ভিম দেয়া রয়েছে। এর চারপাশে ৪ টি খুটি গেড়ে দাঁড়িয়ে আছে।
গত সোমবার সকাল থেকে লোকজন পারাপার বন্ধ রয়েছে। ৩ কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প পথে মানুষ চলাচল করতে দেখা যায়।

স্থানীয় এলাকার কৃষক ওমর ফারুক ও মামুন মিয়া বলেন, সেতুর ওপর উঠলেই এটি দুলতে থাকে। বর্তমানে পানি বাড়ার কারনে চলাচল বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বিগত চেয়ারম্যানের সময়ে সেতুটি নামকাওয়াস্তে নির্মান করা হয়েছিল। অামি বুধবার দুপুরে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছি। খুব তারাতাড়ি ওই স্থানে নতুন করে একটি পাকা (আরসিসি) সেতু নির্মাণ করা হবে।